শিরোনাম
◈ রেকর্ড দল ও প্রতীক নিয়ে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ফিরে দেখা বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাস ◈ আরব আমিরাতের ক্লাবে নাম লেখালেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার জায়ান ◈ চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক অন্য কোনো শক্তিতে প্রভাবিত হবে না: চীনা দূতাবাস ◈ বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র জয়পুরহাট (ভিডিও) ◈ নির্বাচনে অনিয়ম বিতর্ক ও অভিযোগ আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধান করা হবে: সিইসি ◈ ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানকে সমর্থন, সরে দাঁড়ালেন ৫ প্রার্থী ◈ নির্বাচনে যেসব ইস্যু গুরুত্ব পাচ্ছে ◈ ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাস উল্টে প্রাণ গেল দু'জনের, আহত ২০ ◈ হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশ কি তারেক রহমানকেই খুঁজছে? ◈ জামায়াতের আমিরের সাথে কেনো সবাই দেখা করতে চায়: আল জাজিরা পর্যবেক্ষণ

প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:৩১ দুপুর
আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৭:৫৩ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডা. জাফরুল্লাহর রিট মামলা শুনতে হাইকোর্টের অপারগতা

মহসীন কবির: [২] গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মেডিকেল কলেজের এক রিট মামলা শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ এ অপারগতা প্রকাশ করেন। আদালতে এদিন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর পক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম শুনানি করেন। জাগোনিউজ২৪

[৩] পরে ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম বলেন, আগে গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজে ১১০ শিক্ষার্থীর ভর্তির অনুমতি ছিল। ২০২১ সালে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়, ৫০ শিক্ষার্থীর বেশি ভর্তি করা যাবে না। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করেছিলাম। তখন মাত্র ১০ জন বাড়ানো হয়। অর্থাৎ ১১০ জনের জায়গায় ৬০ জনকে ভর্তির অনুমতি দেওয়া হয়। ঢাকা পোষ্ট

[৪] যেহেতু জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাহেব আমাদের বেঞ্চের প্রশংসা করেছেন। তাই এ রিট মামলা অন্য বেঞ্চে হওয়াই ভালো। যদি আমাদের বেঞ্চ থেকে একটি অর্ডার হয়, তাহলে অন্য কেউ বিরূপ মন্তব্য করতে পারেন। তাই আপনারা রিটটি অন্য বেঞ্চে শুনানি করেন

[৫] গত ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের সমালোচনা করেন। পাশাপাশি হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের প্রশংসা করেন। জাফরুল্লাহ বলেন, ‘সম্প্রতি একটি খুনের মামলায় দুই বিচারপতি বাংলাতে রায় দিয়েছেন। তাদের অভিনন্দন। একইভাবে যখন পরীমণিকে হয়রানি করা হচ্ছিল, তারা (দুই বিচারপতি) প্রতিকারের চেষ্টা করেছেন। আমাদের যে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুণী ও সজ্জন বিচারপতি হলেন বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম। সবচেয়ে খারাপ হচ্ছেন এ বি এম খায়রুল হক।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়