শিরোনাম
◈ প‌রিচালক নাজমুল বি‌সি‌বি থে‌কে পদত‌্যাগ না করা পর্যন্ত  মাঠে নামবেন না ক্রিকেটাররা: সংবাদ স‌ম্মেল‌নে কোয়াব সভাপ‌তি ◈ সাফ ফুটসাল চ‌্যা‌ম্পিয়ন‌শি‌পে বাংলা‌দে‌শের কা‌ছে পাত্তাই পে‌লো না ভারত ◈ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনায় তাড়াহুড়ো কেন, প্রশ্ন সিপিডির  ◈ অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল স্থগিত করলো বিসিবি ◈ ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা, ৫০ আসন ফাঁকা রেখেই সমঝোতা ১০ দলের! ◈ বিপিএলের ম্যাচ দেখতে না পারায় মিরপুর স্টেডিয়ামের বাইরে বিক্ষুব্ধ জনতার ভাংচুর (ভিডিও) ◈ দাবি আদায়ে বারবার সড়ক অবরোধের প্রবণতা, দায় কার? ◈ রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিয়োগপ্রত্যাশী শিক্ষকদের কথা শুনলেন তারেক রহমান ◈ শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড়, পুনঃতদন্তের নির্দেশ ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন 

প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০২:১৪ দুপুর
আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০২:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বাজারজাত হবে ২৭ কোটি টাকার সবুজ মাল্টা

মাজহারুল ইসলাম : [২] ছয় বছর ধরে তিন উপজেলার ১৩৫ হেক্টর জমিতে বারি-১ ও বারি-২ জাতের মাল্টার চাষ হয়েছে। এসব জমি থেকে অন্তত ২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন মাল্টা পাওয়ার আশা করছে কৃষি বিভাগ। যার বাজার মূল্য ২৭ কোটি টাকারও বেশি। ঢাকা পোস্ট

[৩] কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জেলার কসবা, আখাউড়া ও বিজয়নগরের মাটি মাল্টা চাষের জন্য উত্তম। ফলন ও মুনাফা ভালো হওয়ায় প্রতি বছরই মাল্টার আবাদ বাড়ছে।

[৪] কেমিকেলমুক্ত সবুজ রঙের মাল্টা স্বাদে ও মানে ভালো হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও বেশি। প্রতি কেজি মাল্টা পাইকারদের কাছে ১০০-১২০ টাকা দরে বিক্রি করেন কৃষকরা। অধিকাংশ পাইকার সরাসরি কৃষকের বাগান থেকে মাল্টা কেনেন। পাইকারদের মাধ্যমেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাল্টা বাজারজাত হয় দেশের বিভিন্ন স্থানে।

[৫] বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়নের শ্রীপুরমোড়া গ্রামের মাল্টা চাষি সোহাগ ভূইয়া বলেন, এবার দুই কানি জমিতে মাল্টা চাষ করেছি। ফলনও খুব ভালো হয়েছে। আমি পাইকারদের কাছে পুরো বাগানটি সাড়ে ৩ লাখ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি। তারা সাড়ে ৪-৫ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করতে পারবে।

[৬] আব্দুল আলীম নামে আরেক চাষি জানান, বাড়ির পাশে ৪০ শতাংশ জমিতে মাল্টা চাষ করেছি। গত বছরের তুলনায় এবার ফলন কিছুটা বেশি হয়েছে। এবার অন্তত এক টন মাল্টা পাবো। যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা। পুরো বাগান পরিচর্যায় তার খরচ হয়েছে মাত্র ২৫ হাজার টাকা।

[৭] হাকিম মিয়া নামে এক পাইকার জানান, করোনায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মানুষ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খাচ্ছে বেশি। সেজন্য বাজারে মাল্টার চাহিদা বেড়েছে। তিনি দুই লাখ টাকা দিয়ে বিজয়নগরের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের একটি মাল্টা বাগান কিনেছেন। সব খরচ মিলে মাল্টাগুলো বিক্রি করে অন্তত এক লাখ টাকা লাভ হবে।

[৮] বিজয়নগর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাদিউল ইসলাম সৃজন জানান, কৃষকদের মাল্টা চাষে উদ্বুদ্ধ করার জন্য প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিনা মূল্যে চারা ও সার দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কিভাবে কম খরচে ফলন ভালো করা যায়।

[৯] ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক রবিউল হক মজুমদার বলেন, এ বছর ২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ফলনের আশা করা হচ্ছে। এর বাজার দর অন্তত ২৭ কোটি টাকা। কৃষি বিভাগ থেকে চাষিদের আবাদ কৌশল ও পোকা-মাকড় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়। স্বাদে ও মানে ভালো হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাল্টার চাহিদা দেশের সবখানে রয়েছে। অক্টোবরের শেষ দিক থেকে মাল্টা বাজারজাত শুরু হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়