প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের সঙ্গে সাকিবের বিশ্বরেকর্ডের অপেক্ষা

মাহিন সরকার : [২] নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে আজ আরও একবার বিজয়ের পতাকা উড়ালেই সিরিজ নিশ্চিত বাংলাদেশের। আর সিরিজ জয়ের দিনে যদি সাকিব বল হাতে ভেল্কি দেখিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েন তাহলে তো কথাই নেই। এক রাতে দুই অর্জনে উন্মাতাল থাকবে ৫৬ হাজার বর্গ মাইল।

[৩] শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি লাসিথ মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি উইকেটের রেকর্ড গড়তে সাকিবের প্রয়োজন দুই উইকেট। ১০৭ উইকেট নিয়ে মালিঙ্গা শীর্ষে। এক উইকেট কম নিয়ে সাকিব মালিঙ্গার ঘাঁড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন। প্রথম দুই ম্যাচে দুটি করে উইকেট নেওয়া সাকিব রোববার ৫ সেপ্টেম্বর একই পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি করলে বিশ্বরেকর্ড গড়বেন। হয়ে যাবেন টি-টোয়েন্টির বোলিং সম্রাট।

[৪] টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ সিরিজ জিতেছে আটটি। সেই তালিকায় আছে পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়ার মতো দল। কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। সিরিজ জিতেছে ৪-১ ব্যবধানে। সেই সুখস্মৃতি এখনও তরতাজা। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম দুই ম্যাচ দাপটের সঙ্গে জিতেছে। প্রত্যাশা করাই যায় তৃতীয় ম্যাচে নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স দিয়েই মাহমুদউল্লাহ, মুশফিক, সাকিবরা সিরিজ জেতাবেন। তবে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে নিউ জিল্যান্ড ঘুরে দাঁড়াতে চাইবে। কাজটা কিছুটা হলেও কঠিন হতে পারে।

[৫] সিরিজ জয়ের অপেক্ষার সঙ্গে সাকিবের দিকে আজ পাখির চোখ থাকবে। বাংলাদেশের একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হবেন তা দেশের জন্য বিশাল অর্জন। সাকিব লাল-সবুজের পতাকা সবার ওপরে তুলে নিশ্চিতভাবেই গর্বিত করবেন প্রত্যেককে।

[৬] মালিঙ্গার ১০৭ উইকেট ৮৩ ম্যাচে। ৮৪ ম্যাচ খেলে অবসরে যাওয়া মালিঙ্গা ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে উইকেট পাননি। সাকিব আজ ৮৭তম ম্যাচ খেলতে নামবেন। ৮৬ ম্যাচে ২০.৩৩ গড়ে, ৬.৭৫ ইকোনমি রেটে ১০৬ উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার। ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ২০ রানে ৫ উইকেট। পেয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এছাড়া ৪ উইকেট পেয়েছেন চারবার।

[৭] ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি সফল তিনি। ১০ ম্যাচে তার শিকার ১৯ উইকেট। এরপর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১২ ম্যাচে পেয়েছে ১৬ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ ম্যাচে শিকার ১২টি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭ ম্যাচে পেয়েছেন ১০ উইকেট। মোট ১৬টি দলের বিপক্ষে খেলেছেন তিনি। নেপাল বাদে সবগুলো দলের বিপক্ষেই উইকেট আছে তার। নেপালের বিপক্ষে একমাত্র ম্যাচটি খেলেছিলেন ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। যে ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছিল।

[৮] সাকিবের মাঠে নামা মানেই নতুন কোনো অর্জনে নাম লেখানো। সাফল্যের মুকুটে যোগ করা নতুন পালক। ব্যক্তিগত অর্জনে সাকিব বরাবরই নিজেকে নিয়ে গেছেন নতুন উচ্চতায়। এবার এমন একটি মাইলফলকের হাতছানি তার সামনে যেখানে যেতে অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়, অনেক সাধনা করতে হয়। সিরিজ জয়ের সঙ্গে সাকিবের বিশ্বরেকর্ডও হোক এমন প্রত্যাশায় গোটা বাংলাদেশ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত