শিরোনাম
◈ বাংলাদেশি শনাক্তের নামে বেঙ্গালুরুতে শতাধিক পরিযায়ী শ্রমিক আটকের অভিযোগ ◈ পরাজয়ের সম্ভাবনা জেনেও কেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াত জোট ? ◈ নিজস্ব গ্যাস উত্তোলনে জোর দিচ্ছে সরকার:  তথ্যমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিদের জন্য ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণে ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা বহাল রাখার আশ্বাস ◈ রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনায় ৬ কমিটি গঠন ◈ ২ ঘন্টার সংক্ষিপ্ত সফরে মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রী ◈ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অসন্তোষ, কমলাপুর স্টে‌ডিয়া‌মের প্রশাসক বরখাস্ত ◈ বিটিভির ডিজি নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে ভুল, আসছে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন ◈ খে‌লোয়াড়‌দের ১৪ মাস ধরে বেতন দেয় না বসুন্ধরা কিংস ◈ হেফাজত আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৮:৫৮ সকাল
আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৮:৫৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ওপরে, পাঁচ জেলায় পানিবন্দী এক লাখেরও বেশি

সাদেক আলী: সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি কিছুটা কমে বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার পাঁচটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের এক লাখেরও বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এদিকে নদী তীরবর্তী কাজিপুর ও চৌহালী উপজেলায় চলছে তীব্র নদী ভাঙন। আরটিভি নিউজ

গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার কমে রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কাজিপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টেও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে যমুনা নদীর পানি।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) সিরাজগঞ্জের শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টের গেজ রিডার আব্দুল লতিফ জানান, রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ছয়টায় শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৯৪ মিটার। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর ছয়টায় এই পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ১৪ দশমিক ২ মিটার। যমুনায় ২৪ ঘণ্টায় পানি কমেছে ৮ সেন্টিমিটার।

জেলার কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার অন্তত ৪০টি ইউনিয়নের এক লাখেরও বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ঘড়-বাড়ি রাস্তা-ঘাটে পানি উঠে পড়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বানভাসিরা।

এদিকে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর ও চৌহালী উপজেলায় তীব্র হচ্ছে নদীভাঙন। প্রতিদিনই এই দুটি উপজেলার নাটুয়ারপাড়া ও বাগুটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও হাট-বাজার।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়