শিরোনাম
◈ আজও উত্তপ্ত মিরপুর, পুলিশ-শ্রমিকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ◈ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ◈ বাজারে কমছে সবজি, ডিম ও মুরগির দাম ◈ তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে জাপানের কঠিন শর্ত মেনে নিল বাংলাদেশ ◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৮:৫৮ সকাল
আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৮:৫৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ওপরে, পাঁচ জেলায় পানিবন্দী এক লাখেরও বেশি

সাদেক আলী: সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি কিছুটা কমে বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার পাঁচটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের এক লাখেরও বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এদিকে নদী তীরবর্তী কাজিপুর ও চৌহালী উপজেলায় চলছে তীব্র নদী ভাঙন। আরটিভি নিউজ

গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার কমে রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কাজিপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টেও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে যমুনা নদীর পানি।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) সিরাজগঞ্জের শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টের গেজ রিডার আব্দুল লতিফ জানান, রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ছয়টায় শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৯৪ মিটার। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর ছয়টায় এই পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ১৪ দশমিক ২ মিটার। যমুনায় ২৪ ঘণ্টায় পানি কমেছে ৮ সেন্টিমিটার।

জেলার কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার অন্তত ৪০টি ইউনিয়নের এক লাখেরও বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ঘড়-বাড়ি রাস্তা-ঘাটে পানি উঠে পড়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বানভাসিরা।

এদিকে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর ও চৌহালী উপজেলায় তীব্র হচ্ছে নদীভাঙন। প্রতিদিনই এই দুটি উপজেলার নাটুয়ারপাড়া ও বাগুটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও হাট-বাজার।

  • সর্বশেষ