প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দীপক চৌধুরী: বাঙালির মনের খবর জানেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জানতেন বঙ্গবন্ধুও

দীপক চৌধুরী: এখন সম্ভবত এটাই সত্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে বিচার হচ্ছে। ছাড় দেওয়া হচ্ছে না দুর্নীতিবাজদের। বিচার হচ্ছে, রিমান্ড নেওয়া হচ্ছে। ভয়ংকর নানা তথ্য মিলছে পুলিশের হাতে। ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। খুন, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের দায়ে অপরাধীর বিচার হচ্ছে। অতীতে প্রভাব খাটিয়ে নয়তো সত্যকে মিথ্যা তথ্য সাজিয়ে অথবা কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে জামিন পেতো লুটেরা, দুর্নীতিবাজ ও খুনিরা। অতীতে নামকাওয়াস্তে অপরাধ উপস্থাপন করে প্রতিপক্ষকে মামলায় ফাঁসিয়ে মৃত্যুদণ্ডে ঝুলানো হয়। আর এখন মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি হয়েছে। এখন আইনের বাইরে কিছু করা সম্ভবও না। ডিজিটাল সময়ে এটা কঠিন। তারপরও অনেকের দুরকম ব্যাখ্যা। কাজ হয়নি কিন্তু সরকারি অর্থ খরচ হয়ে গেছে কিংবা কাজ তেমন হয়নি অথচ অর্থ খরচ হয়ে গেছে- এমন প্রকল্পেরও আমরা দেখা পাচ্ছি গণমাধ্যমের সুবাদে। অন্যদিকে এখন দেশবিরোধী নানামুখী ষড়যন্ত্র যে হচ্ছে এটা মানুষ বুঝতে পারে। দেশে-বিদেশে সংঘবদ্ধ চক্রের এই ষড়যন্ত্র। খেয়াল করলে দেখা যায়, আফগানিস্তানে তালেবানের ঘটনাকে ইস্যু করে এদেশে উস্কানীমূলক ভিডিও মোবাইল ফোনে প্রচার করা হচ্ছে।

স্বীকার করতেই হয় যে, ইস্পাত কঠিন মনোবলে পর্বতসম বাধা ডিঙ্গিয়ে ক্রমেই এগিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর দূরদর্শীতায় মহামারি করোনাকালেও পণ্য রপ্তানিতে রেকর্ড হচ্ছে। করোনার সংক্রমণ কমে আসছে। পাশাপাশি এটাও মনে রাখা দরকার, সরকারের অগ্রগতি ও উন্নয়নকে দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিরা গোষ্ঠীস্বার্থে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে। যদিও দুর্নীতিবাজ রাঘববোয়াল কিন্তু এখন ছাড় পাচ্ছে না। দুর্নীতিবাজ কারাকর্মকর্তাদের অনেকের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তদন্ত চলছে। বিরাট অর্থবিত্ত নিয়ে যারা একদা ফকফকা দিবালোকেও রাতের অন্ধকার নামিয়ে আনতেন তারা অনেকেই এখন জেলে, কারাবন্দী। দুদকের পরিচালক কীভাবে ঘুষের বিনিময়ে ডিআইজিকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেন তা শুনে অনেকেই বিস্মিত ছিলো। কারণ এমন কর্ম ফাঁস হয়েছে। আগে গোপন রাথা হতো।

দুর্নীতি করার জন্য আলোচিত হন দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক এনামুল বাছির এখন জেলে। পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান কারাবন্দি। ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশীদ সীমাহীন ঘুষবাণিজ্যে নিমগ্ন থাকায় এখন কারাগারে। তারা এখন বিচারের মুখে। আরেক ডিআইজি প্রিজনসের জামিপ্রাপ্তি নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড দেখলাম গণমাধ্যমে। অর্থাৎ শাক দিয়ে মাছ ঢাকবার চেষ্টা থাকলেও পার পাওয়া কঠিন হচ্ছে। অতি চালাকি কোনো কাজেই আসছে না। পুলিশের বরখাস্ত ডিআইজি মিজান, ঠিকাদার গোল্ডেন মনির, রিজেন্টের শাহেদ, ডা. সাবরীনা, ক্যাসিনোকাণ্ড পুরান ঢাকার দুর্নীতিবাজ কোটিপতি এনু-রূপম (আওয়ামী লীগ দলীয় হওয়ার ফলে রক্ষা নেই), ধর্ষণ মামলার আসামি তুফান সরকার, মেজর সিনহা হত্যা মামলার দুই আসামি জামিন চেয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর সিনহা হত্যা মামলার বিচার চলছে। নানান কারণেই এগুলো বেশিবার আলোচিত হয়।

দুই মামলায় পুলিশের বরখাস্তকৃত ডিআইজি মিজান জামিন চেয়েছেন একাধিক বার। রাজধানীর বাড্ডা বিতর্কিত ব্যবসায়ী মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরও একাধিক বেঞ্চে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। আলোচিত রিজেন্টের চেয়ারম্যান সাহেদের জামিন আবেদন একাধিক বার খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্টের দুটি বেঞ্চ। এই খবরগুলো কিন্তু মানুষকে স্বস্তি দেয়। বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়। শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি বিশ্বাস বাড়ে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের স্বার্থেই জামিনের বিরোধিতা করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। অতীতে দুর্নীতিবাজদের উল্লাস দেখে মানুষ বিশ্বাস হারাতে বসেছিল। সেখানে বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার বিচার বন্ধ করে দিতে ‘ইনডেমনিটি আইন’ করা হয়েছিল। আমরা এখন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা দেখছি প্রতিটি সেক্টরে। জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রণান্তকর চেষ্টা দেখছি।

১/১১-এর অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিভিন্ন মিথ্যা-বানোয়াট, হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গণতন্ত্রের মানসকন্যা বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়। এতে সেই সময় গণবিরোধীরা খুশিতে উল্লসিত হয়েছিলেন।

এখন আমরা এও দেখেছি, মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য মিথ্যে খবরও প্রচার করা হয় । অবশ্য দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই তা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু এর তো একটা সীমারেখা থাকা দরকার। স্বাধীনতা মানে এই নয় যে, উলঙ্গ হয়ে রাজপথে নৃত্য করা! কিন্তু আমরা মাঝেমাঝেই তা দেখছি, বঙ্গবন্ধুকন্যার শাসনামলকে বিভ্রান্ত করার জন্য নাটক সাজানো হয় এবং তা যতদ্রুত সম্ভব দেশে-বিদেশে প্রচার করা হয়ে থাকে। এই তো কিছু দিন আগেও একটি নাটক মঞ্চস্থ হয়ে গেলো। শেখ হাসিনার সরকার নাকি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে। সাংবাদিকতার নীতির বাইরে নানারকম চুরি-চামারি করে গোষ্ঠীস্বার্থ নিয়ে যারা খেলাধুলা করছে তাদের বিষয়ে টুঁ- শব্দটি নেই। সাংবাদিকদের উপকারের লক্ষ্যে যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার দশকোটি টাকা দিয়ে এগিয়ে এলেন এটা কিন্তু আমরা বেমালুম ভুলে গেলাম। সাংবাদিকবান্ধব শেখ হাসিনা সরকারের তীব্র সমালোচনাকারীও কিন্তু এ অনুদান পাচ্ছেন।

আজ সমালোচকরাও স্বীকার করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের কারণে দুর্নীবাজদের এখন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, জেল খাটছে, বিচার চলছে। এই রীতি-পদ্ধতি দীর্ঘদিন এদেশে ছিল না। এখন অন্যায়কারী ধরা পড়লে তিনি যতো উচ্চতর ব্যক্তি বা সমাজের যেকোনো স্ট্যাটাসেরই হোন না কেন, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। শেখ হাসিনা সরকার আমলে নিজ দলের (সাবেক) মন্ত্রী, এমপি, নেতা, জনপ্রতিনিধি, শিল্পপতি, নামিদামি ব্যবসায়ী, প্রভাবশালী কর্মকর্তাও জেলে গেছেন। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষের মনের কথা জানতে পারতেন। লক্ষ লক্ষ মানুষ তাঁর নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। আর এ কারণেই স্বাধীন বাংলাদেশ তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। অথচ এদেশেরই একদল ঘাতকের হাতে তিনি জীবন দিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে তাঁর সুযোগ্যকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে চলেছেন দুর্বারগতিতে।
রাজনীতির কঠিন ময়দানে জাতির জনকের এই কন্যা বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সময়ের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কারণেই আজ টেকসই উন্নয়নের মহাসড়কে দেশ। মোট চারবারের প্রধানমন্ত্রী তিনি। টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুঃসাহসী নেতৃত্ব দিয়ে দেশের জনগণকে যেমন আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছেন ঠিক তেমনি স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এক বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন।

গত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার ছিলো , ‘দুর্নীতির প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি।’ সুতরাং মানুষের এখন প্রথম কথাই হচ্ছে, দুর্নীতিবাজদের বর্জন করতে হবে। এটুকু অনুমান করা যায়, দেশের শত্রুদের কারণে আশানুরুপভাবে আমরা এগোতে পারছি না। তারা বিদেশে বসে দেশের জনগণের বিরুদ্ধে নানান ষড়যন্ত্র করছে। নোংরা শব্দ ব্যবহার করছে চক্রান্তকারীরা। এদের গাত্রদহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার সুদক্ষতা নিয়ে।

যে কথাটি নিয়ে ভাবা দরকার সেটি হচ্ছে, এখনই শত্রু চিহ্নিত করা জরুরি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন করা নিয়ে ষড়ন্ত্রকারীরা খুব সক্রিয় ছিলো, সাময়িকভাবে ওরা এখন মুখোশ পরেছে। কিশোরগঞ্জে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুর করা হয়েছে। করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে চক্রান্তকারীরা মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। বিএনপি নেতা রিজভী বলেছিলেন, মরে গেলেও ভ্যাকসিন নেবেন না। যদিও তিনি শেষপর্যন্ত শেখ হাসিনার আমদানি করা ভ্যাকসিন নিতে পারিবারিকভাবে বাধ্য হয়েছেন। সুদীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে করোনা ভ্যাকসিনের জন্য এখন কাড়াকাড়ি হতে দেখছি। গর্বের পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব ছড়িয়েছে শত্রুরা, গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনি দিয়ে মানুষ হত্যা করিয়েছে, বহির্বিশে^ প্রতিনিয়ত সক্রিয় ওদের এজেন্টরা। সরকারের সরলতাকে দুর্বলতা ভেবে একের পর এক চক্রান্ত করে যাচ্ছে। এদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ চায় আর যেনো সুযোগ নিতে না পারে শত্রুরা। উন্নত বিশ্বের সারিতে বাংলাদেশকে পৌঁছে দেওয়ার সংকল্প নিয়েই রাজনীতিতে এসেছিলেন তিনি। রাজনীতির কঠিন সংগ্রামে এদেশের দরিদ্র মানুষ শেখ হাসিনাকে পাশে পেয়েছে। জনগণের প্রেরণা ছিলো তাঁর মহৎ কাজে। কারণ, তিনি পরীক্ষিত প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

এটা শোকের মাস। বঙ্গবন্ধুকে আমরা হারিয়েছি ’৭৫-এর এ মাসে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ২১ আগস্ট একটি নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের ভয়াল দিন। ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের কালরাতের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতা; সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্ত ও আদর্শের উত্তরসূরি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে জঙ্গী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক বিএনপি-জামায়াত অশুভ জোটের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিবিরোধী’ সমাবেশে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভি রহমানসহ ২২ জন নেতা-কর্মী শাহাদাত বরণ করেন। গ্রেনেডের স্প্রিন্টারের আঘাতে আহত হন পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী। আহত হন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক। আহত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থকদের অনেকে এখনও স্প্রিন্টারের আঘাত নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। শুধু গ্রেনেড হামলাই নয়, সেদিন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করেও চালানো হয় গুলি। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও তিনি আহত হন, তাঁর শ্রবণশক্তি চিরদিনের মতো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান, একাত্তরের ঘাতক মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বিএনপি নেতা সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানসহ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর নীলনকশায় সংঘটিত হয় নারকীয় এই হত্যাযজ্ঞ।
দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০১৮ সালে আদালত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা করে। আদালত এই দুই মামলার রায়ে জীবিত মোট ৪৯ জন আসামীর মধ্যে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৯ জনের যাবজ্জীবন এবং বাকী ১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন। মামলাটি এখন উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টার-মাইন্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পালাতক আসামীদের দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর করতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সহযোগিতায় রাজনৈতিক সমাবেশে যে ধরনের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়, তা পৃথিবীর ইতিহাসে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

লেখক : উপসম্পাদক, আমাদের অর্থনীতি, সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত