শিরোনাম
◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী ◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’

প্রকাশিত : ২৬ আগস্ট, ২০২১, ০৮:২৬ রাত
আপডেট : ২৬ আগস্ট, ২০২১, ১০:৩১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] গুলশানে ডিএনসির অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ উদ্ধার

মাসুদ আলম ও সুজন কৈরী: [২] রাজধানীর গুলশান এলাকায় একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে তিনজনকে। তারা হলেন ফয়সাল, তার গাড়ি চালক ইব্রাহিম ও আলম।

[৩] বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) রাতে গুলশান-১ এর ১২৮ নম্বর রোডের ৬ নম্বর বাড়িতে এই অভিযান চালায় ডিএনসি। অভিযানের নেতৃত্ব দেন ডিএনসি’র ঢাকা মেট্রো (উত্তর) উপ-পরিচালক মো. রাশেদুজ্জামান। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান ও গুলশান জোনের পরিদর্শক শামসুল কবির।

[৪] ডিএনসি বলছে, কালাম রিয়েল এস্টেট নামক একটি আবাসন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিকের ছেলে হচ্ছেন ফয়সাল। তিনি আবাসন ব্যবসার কথা বলে গুলশান-১ নম্বরের ওই বাড়িটি ভাড়া নেন। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে লোকচক্ষুর আড়ালে মাদক সাপ্লাইয়ের ব্যবসা করছিলেন।

[৫] উপ-পরিচালক রাশেদুজ্জামান বলেন, আবাসন ব্যবসার আড়ালে ফয়সাল দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাদকের ব্যবসা করছিলেন। অভিযানকালে তার বাসার আলমারি থেকে শুরু করে সব জায়গায় মদের বোতল পাওয়া গেছে। এসব মদ কোথা থেকে সংগ্রহ করত কিংবা কতোদিন ধরে সংগ্রহ করা হয়েছে, কাদের কাছে পৌঁছে দিতো তা জিজ্ঞাসাবাদে জানা সম্ভব হবে। আমরা তাদের মাত্র আটক করেছি, জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।

[৬] তিনি বলেন, ফয়সালের কাছে ২০০৯ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকের লাইসেন্স থাকলেও পরে রিনিউ (নবায়ন) করা হয়নি। আর মাদকের নিজস্ব লাইসেন্স থাকলেও এতো মাদক মজুত কিংবা সংরক্ষণ করার আইনগত কোনো বৈধতা নেই।

[৭] এদিকে পৃথক অভিযানে গুলশান-১ নম্বরের ১১৩ নম্বর রোডের কালাম রিয়েল এস্টেটের একটি অফিস থেকেও বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে ডিএনসি। এ সময় দুটি গাড়িও জব্দ করা হয়। সম্পাদনা: মিনহাজুল আবেদীন।

  • সর্বশেষ