শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ২২ আগস্ট, ২০২১, ০৬:১২ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২১, ০৯:৫১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর ৮ দশমিক ২০ শতাংশই রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

শাহীন খন্দকার: [২] ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় মগবাজার ও নিউ ইস্কাটন এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসাবো ও গোড়ান এলাকায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় মৌসুম এডিস সার্ভে ২০২১ এর প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে এ তথ্য জানানো হয়।

[৩] প্রতিবেদনের দেখা যায়, উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের মগবাজার ও নিউ ইস্কাটন এলাকায় ডেঙ্গু মশার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। সূচক (বিআই) অনুযায়ী ৫৬ দশমিক সাত শতাংশ। এরপরে ঝুঁকিতে রয়েছে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও নিকুঞ্জ; ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কল্যাণপুর ও দারুসসালাম; ১৪ নম্বরের মিরপুর-১০ নম্বর ও কাজীপাড়া; ২০ নম্বরের মহাখালী ও নিকেতন এবং ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের আফতাব নগর ও মেরুল বাড্ডা।

[৪] দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসাবো ও গোড়ান এলাকায় মশার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। সূচক (বিআই) অনুযায়ী ৭৩ দশমিক তিন শতাংশ। এরপরে ঝুঁকিতে রয়েছে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের এলিফ্যান্ট রোড ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের আর. কে. মিশন রোড ও টিকাটুলী, ৩ নম্বরের বনশ্রী, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের মিন্টো রোড ও বেইলী রোড ও ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বংশাল এলাকা।

[৫] গত ২৯ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত ১০ দিনব্যাপী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ২০টি টিম ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৯৮টি ওয়ার্ডের ১০০টি স্থানে জরিপ পরিচালনা করে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, চলতি বছর জুন, জুলাই ও আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে। এখন পর্যন্ত বেশি ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গেছে আগস্টে। সম্পাদনা : রাশিদ

  • সর্বশেষ