প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সংস্কারের অভাবে বসবাসের অযোগ্য লালন আবাসন ঘর

আব্দুম মুনিব: [২] নির্মাণের একযুগ পেরিয়েছে জেলার কুমারখালী উপজেলার লালন আবাসন প্রকল্প। কিন্তু সংস্কারের অভাবে অধিকাংশ ঘরই এখন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

[৩] ঘরের টিনের চালায় মরিচা পড়ে টিন গুলো ছিদ্র ছিদ্র হয়ে গেছে। গরম শীত বর্ষা সাড়া বছরই ভোগান্তিতে থাকতে হয় সেখানকার বাসিন্দাদের। বৃষ্টির পানিতে ভিজে যায় ঘরের সবকিছু। আবাসনের টয়লেট ও গোসলখানাগুলো ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। ঘরগুলো ভেঙে পড়েছে, নেই যাতায়াতের ব্যবস্থা, সুপ্রিয় পানির অভাব, আবাসনের চারপাশে জঙ্গল। যারা এখনো এখানে বসবাস করছে তারা পড়েছে চরম ভোগান্তিতে।

[৪] কুমারখালীতে ২০০৭ সালে নির্মিত লালন আবাসন-১ ও ২, পৌর আবাসন ও নন্দলালপুর আবাসন মিলে চারটি আবাসন তৈরি করা হয়। লালন আবাসনে ৬০টি, পৌর আবাসনে ৬০টি ও নন্দলালপুর আবাসনে ৬০টি অর্থাৎ মোট ১৮০ টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছিলো। বসবাসের উপযোগী না থাকায় আবাসন ঘরে বর্তমানে বসবাস করছে মাত্র ৪০টি পরিবার।

[৫] আবাসনের বাসিন্দা চা বিক্রেতা নার্গিস থাকেন ২০/৫ নম্বর ঘরে। তিনি বলেন, বছর বছর চালার টিন বদল করা না হলে বর্ষা মৌসুমে কষ্টের শেষ থাকে না।

[৬] আবাসন প্রকল্প-২ এর সভাপতি ওহাব মিয়া বাসিন্দাদের দুর্দশা নিয়ে বলেন, আবাসনের এসব সমস্যার কথা কর্তৃপক্ষকে জানালেও তারা কোনও ব্যবস্থা নেননি। অনেক সময় বিভিন্ন কর্মকর্তা এখানে পরিদর্শনে এসে সংস্কারের কথা বলে চলে যান। এখানে বসবাসরত পরিবারের কোনও সদস্য মারা গেলে দাফনের জন্য নিয়ে যেতে হয় দূরে অন্য কোন গোরস্থানে।

[৭] কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিতান কুমার মন্ডল জানান, যতো দ্রুত সম্ভব আবাসনের ঘর গুলোর মেরামতের ব্যাবস্থা করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত