প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] যশোরে ঘাস কাটা নিয়ে বিরোধে মারপিটে আহত ৫, আটক ৫

জাহিদুল কবির: [২] যশোরে রোপনকৃত ঘাস কাটা নিয়ে বিরোধে হামলা পাল্টা হামলায় ৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে জুয়েল নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেছে চিকিৎসক। আহত অন্যরা যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

[৩] শুক্রবার ১৩ আগস্ট বিকেলে সদর উপজেলার বানিয়ারগাতি গ্রামের মান্দারের বিলে এই ঘটনায় ঘটে। এই ব্যাপারে আহত মিজানুর রহমানের ভাই রেজাউল ইসলাম ১৪ আগস্ট সকালে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মামলা করেছেন। এই ঘটনার পাল্টা মামলা করেছেন প্রতিপক্ষের আব্দুল গফুর মোল্লা। পুলিশ এই দুই মামলায় এক কিশোরসহ ৫জনকে আটক করেছে।

[৪] রেজাউল ইসলামের দায়ের করা মামলার আসামিরা হলো, পদ্মবিলা গ্রামের আব্দুল গফুর মোল্লা, ভাই মজিদ মোল্লা, ছেলে হানিফ, মজিদের ছেলে সোহাগ এবং মৃত কাদের মোল্লার ছেলে রমজান আলী।

[৫] মামলায় উল্লেখ করেছেন, তার ভাই মিজানুর রহমানের বানিয়ারগাতি গ্রামের মান্দারের বিলে জমি আছে। ওই জমিতে মিজানুর রহমান ঘাসের চাষ করেছেন। আসামিরা মিজানুর রহমানের জমি থেকে রোপনকৃত ঘাস চুরি করে কেটে নিয়ে যায়। এই বিষয়ে তাদের একাধিকবার নিষেধ করা হয়েছে। এতে তারা মিজানুর রহমানকে হত্যার হুমকি দেয়। সর্বশেষ গত শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে মিজানুর রহমান জমিতে অবস্থানকালে আসামিরা বিভিন্ন ধরনের দেশিয় অস্ত্রশস্ত্রসহ সেখানে আসে। এসময় তারা প্রথমে মিজানুর রহমানকে মারপিট করে। মিজানুর রহমানের চিৎকারে তার ছেলে ফিরোজ, প্রতিবেশি জুয়েল এবং হাফিজুর রহমান এগিয়ে যায়। এরপর আসামিরা মিজানুর রহমানসহ ওই তিনজনকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে এবং পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে। আহত ফিরোজের কাছে থাকা একটি সাড়ে ১২ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল ফোনসেট ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয়রা আহত মিজানুর রহমান, ফিরোজ, জুয়েল এবং হাফিজুর রহমানকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু আটক জুয়েলের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এই ঘটনায় আহত মিজানুরের ভাই রেজাউল ইসলামের দায়ের করা মামলায় আসামি রমজান, সোহাগ ও বিল্লাল হোসেনকে আটক করেছে।

[৬] অপরদিকে পদ্মবিলা গ্রামের আব্দুল গফুর মোল্লার দায়েরকরা মামলার আসামিরা হলো, বানিয়ারগাতি গ্রামের মিজানুর রহমান, তার ছেলে ফিরোজ হোসেন, আলামিন এবং কিশোর আরিফ হোসেন।

[৭] আব্দুল গফুরের মামলায় উল্লেখ করেছেন, ১৩ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার ছেলে আবু হানিফ পদ্মবিলা শুকত ও টুলুর ঘেরে ঘাস কাটতে যায়। এসময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা সেখানে এসে আবু হানিফকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। এতে সে মারাত্মক আহত হয়। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা চলে যায়। এই ঘটনায়ও থানায় মামলা হয়েছে। এই মামলায় আলামিন নামে এক আসামি এবং আরিফ নামে আরেক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত