শিরোনাম
◈ এক বছরে প্রায় দ্বিগুণ, টাকা ছাপাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের খরচ ৪৫৯ কোটি টাকা ◈ চী‌নের ঝেং ‌কিনও‌য়েন অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ইউএস ও‌পে‌নের কোয়ার্টার ফাইনা‌লে ◈ আইসি‌সির প‌রিকল্পনা : বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের বাইরেও মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান!  ◈ উয়েফার বিশেষ উদ্যোগ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রতি‌টি দল নেপালের ভূমিধসে দুর্গতদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন কর‌বে  ◈ বড়পুকুরিয়ার কয়লা দিয়ে ৬০০ মেগাওয়াটের নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ইতালিতে আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল ◈ শাহজালালে স্বর্ণ চোরাচালান: বিদেশে বসে নিয়ন্ত্রণ ৫০ জনের, দেশে ২০০ চোরাকারবারি ◈ বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের ◈ কোনোভাবেই সৌর বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা হতে পারে না ◈ নারী এশিয়া কা‌পের ম‌্যা‌চে ভারতীয় ব্যাটারকে প্যাভিলিয়নে যাওয়ার ইঙ্গিত করায় শাস্তি পেলেন পাকিস্তান অধিনায়ক

প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২১, ১০:১২ দুপুর
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০২১, ১০:১৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চালের দাম নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন-চাহিদার সঠিক হিসাব বের করতে হবে: ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ

আমিরুল ইসলাম: ইন্দোনেশিয়াকে টপকে বিশ্বের তৃতীয় চাল উৎপাদনকারী দেশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু গত বছরের একই সময়ের চেয়ে এবার চালের দাম বেড়েছে গড়ে ১২ শতাংশ। রেকর্ড উৎপাদনের বছরে চালের সর্বোচ্চ দামের বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন এবং চালের দাম নিয়ন্ত্রণে করণীয় কী জানতে চাইলে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, সরকারের ধান-চাল ক্রয়, বিক্রয় ও রপ্তানির জন্য যে কমিটি আছে, সে কমিটির এই বিষয়টিকে ভালো করে দেখা উচিত। এ বছর ধান উৎপাদন খুব ভালো হয়েছে। কিন্তু আমাদের প্রয়োজনের তুলনায় এটা যথেষ্ট কিনা সেটা খুঁজে বের করতে হবে।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমরা সঠিকভাবে বলতে পারি না, আমাদের প্রয়োজন কতোটুকু। আমাদের কতোটুকু প্রয়োজন এর হিসাবের মধ্যে ত্রæটি আছে। দেশে চাল আমদানি করা হচ্ছে। আবার আরেকদিকে প্রচার করা হচ্ছে, চাল উৎপাদন বেশি হওয়ায় আমরা রপ্তানিও করবো। পুরো হিসাবটা ভালো করে বের করলেই বোঝা যাবে, প্রকৃতপক্ষে আমাদের সঙ্কট আছে কিনা। চালের উৎপাদন আমাদের চাহিদার সঙ্গে মিলছে কিনা সেটা বের করত পারলে দাম বৃদ্ধির সঙ্কট দূর হবে। তথ্যের বা হিসাবেব গড়মিল থাকলে একপক্ষ আছে যারা শুধু আমদানির দিকে আগ্রহ দেখাবে। কিন্তু আমাদের দেশের মজুদ কতোটুকু আছে সেটা তারা দেখবে না। সঠিক হিসেব নেই বলে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। মিলারারা সঠিক তথ্য দিচ্ছে না। যার ফলে চালের দাম ক্রমশই বাড়ছে। আর বাইরেও একটা ধারণা হচ্ছে যে চালের উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়া সত্তে¡ও দাম কমছে না। এই মেকানিজমটা আসলেই জটিল। তাই এদিকে নজর দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে।

তিনি বলেন, চালের দাম বাড়তেই পারে যদি উৎপাদন খরচ বেশি হয়ে থাকে। যদি বিদেশ থেেেক অধিক পরিমাণে চাল আমদানি করতে হয়। মোট উৎপাদন ও চাহিদার পার্থক্য বের করে সেই পরিমাণ চাল আমদানি করতে হবে। উৎপাদন ভালো হলো, চাহিদা না থাকলেও আমদানি করতে থাকলে দাম বাড়তেই থাকে। অভ্যন্তরীণ ভাবে কতো দামে কৃষকের কাছে ক্রয় করছি, সেটা কোথায় রাখছি? মিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে কিনা। ম্যানেজমেন্টকে এটা দেখতে হবে। করোনাকালে মানুষ সঠিকভাবে খাদ্য না পেলে অস্থিতিশীল পরিবেশের সৃষ্টি হবে। তাই অন্যান্য সময় থেকে এখন চালের দাম বৃদ্ধির বিষয়টিকে আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

  • সর্বশেষ