শিরোনাম
◈ সাজেকে ১৪ দিনের অবরোধে চরম খাদ্যসংকট, পর্যটন ও পরিবহন খাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা: সমাধান করবে কে? ◈ শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ জিগাতলায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ ◈ গাছতলায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ৯৫ বছরের বাবাকে বাড়িতে নিলেন বড় ছেলে ◈ কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত ◈ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক, ছাড়পত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা ◈ ৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পায়ে হেঁটে মানিকমিয়া এভিনিউ পর্যন্ত যাবেন ◈ জানুয়া‌রি‌তে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ? ◈ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি ◈ ভারত থেকে সার্ভারে প্রবেশের অভিযোগ, ডিজিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থা

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই, ২০২১, ০৪:৪২ সকাল
আপডেট : ১৪ জুলাই, ২০২১, ০৪:৪২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দিপু তৌহিদুল: আই লাভ ইউ ‘মিস মাস্ক’!

দিপু তৌহিদুল: মাস্ক কেনাটা নেশার মতন হয়ে গেছে। মুশকিল খোলা বাজারের মাস্কই বলেন আর কোম্পানির মাস্কÑকোনোটাই মানের কারণে সুখী করে না। মাস্কটাকে ফ্যাশন হিসেবেও নিয়েছি, সে কারণে হরেক রকমের মাস্ক সংগ্রহে চাই। আমার কাছে কাপড়ের কমপক্ষে থ্রি প্লাই কটন মাস্ক পথম পছন্দ, ওপরে টু প্লাই কটন ভেতরে গেঞ্জি কাপড়ে কোনো আপত্তি নেই। মুশকিল দেশের বাজারে প্রাপ্ত মাস্কগুলোর সাইজ নিয়ে অনেক গড়বর আছে। সে কারণেই পথে ঘাটে চলার পথে মাস্কের ভ্রাম্যমান শপগুলোকে লক্ষ্য করি, যদি পছন্দ হয় কিনে ফেলি।

মাস্ক মুখে পুরো ফিট হতে হবে, নিঃশ্বাস নিতে ও ফেলতে কিছুটা কষ্ট হতেই হবে, টি-শার্টের সঙ্গেও মানানসই হতে হবে। এলার্জি হয় বলে সারজিকাল মাস্ক পরতে পারি না বলেই উপরে কটন কাপড় ও নিচে গেঞ্জি কাপড় দেয়া মাস্ককে প্রাধান্য দিচ্ছি। মাস্ক ইউজ করলেও সঙ্গে সব সময় সেনিটাইজারের মিনি বটল স্প্রে রাখি। মাঝেমধ্যে কোনো নিরাপদ খোলা স্পেস পেলেই সুযোগ মতন মাস্কটা খুলে শ্বাস টেনে, পুনরায় স্প্রে করে মাস্ক অন করি।

বাসা থেকে বের হবার সময় পুরো দেহে এক দফা ডক্টর রাজেশ স্প্রে করে বের হই, ফেরার পর আরেক দফা মেরে নেই। হেক্সিসোল স্প্রেটা সঙ্গেই থাকে। ডক্টর রাজেশ টাইপ স্প্রের খরচ বেশি তারপরেও মেনে নেই।

কোনো বাজার নিয়ে আসলে মেইন ডোরের বাইরে স্প্রে করে ঘণ্টা খানেক রেখে পরে ঢুকাই এবং বাথরুমে নিয়ে ধুয়ে ফেলি, সেই বাথরুম ভিন্ন কোনো কাজে আর ব্যবহার করি না। করোনা স্বাস্থ্যবিধিটা মানতে গিয়ে হিসেব করে দেখছি বাড়তি হাজার দেড়েক টাকা প্রতিমাসে পানি হয়ে ঝরে যাচ্ছে। গায়ে খুব লাগে কিন্তু উপায় নেই। করোনা যতদিন না নিয়ন্ত্রণে আসছে, ততদিন এই প্যারা নিতেই হবে। আরেকটা কথা না বললেই খুব অন্যায় হবে, আমার প্রচণ্ড ডাস্ট এলার্জি রয়েছে। এটার জন্য অতীতে ডাক্তাররা মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন, কিন্তু সেটি কখনোই বান্দা কানে তুলিনি। করোনা আসার পর থেকেই বাধ্য হয়ে মাস্ক ব্যবহার করতে করতে এখন পুরো অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি। আশা করি করোনা যদি কখনো নিয়ন্ত্রণেও আসে, মাস্ক পরার প্রেমটাকে ছাড়বোই না। ডাস্ট এলার্জিতে কতোটা ভুগতাম সেটা একমাত্র নিজেই জানি, আর এর জন্যই কখনো কখনো কাশতে কাশতে বমি পর্যন্ত করে ফেলেছি। বিব্রত হবার দিন শেষ হয়েছে, আই লাভ ইউ মিস মাস্ক।

  • সর্বশেষ