শিরোনাম
◈ ক্যান্টনমেন্টে ব্যক্তিগত অস্ত্র বা গানম্যান নেওয়ার বিধান কী? ◈ মধ্যরাতে তিন গ্রামের সংঘর্ষ, আহত পুলিশসহ ১৫ ◈ চট্টগ্রাম বন্দর বন্ধে রপ্তানি সংকট: কর্মবিরতিতে আটকা ১৩ হাজার কনটেইনার, ঝুঁকিতে ৬৬ কোটি ডলারের বাণিজ্য ◈ আওয়ামী লীগ দুর্গের ২৮ আসন এবার বিএনপির জয়ের পাল্লা ভারী ◈ নিউক্যাসলকে হারিয়ে ম্যানচেস্টার সিটি লিগ কা‌পের ফাইনালে ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ান প‌্যাট কা‌মিন্স বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার আশায় ◈ ‘খেলার মাঠে রাজনীতি নয়’: বাংলাদেশের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করেছি : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ◈ নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের তাণ্ডব: এক গ্রামেই ১৬২ জনকে হত্যা, পুড়িয়ে দেওয়া হলো রাজপ্রাসাদ ◈ জরিপ: আওয়ামী লীগের ৪৮ শতাংশ ভোটার এবার বিএনপির পক্ষে, ৯০ শতাংশের ভোট দেওয়ার আগ্রহ ◈ কেন দেশে ফিরছেন না আ.লীগ নেতারা জানালেন সাদ্দাম

প্রকাশিত : ১১ জুলাই, ২০২১, ১০:১৬ রাত
আপডেট : ১২ জুলাই, ২০২১, ১২:৪৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সেনাসদস্যের বিধবা স্ত্রী-সন্তানের পাশে দাড়ালো পুলিশ

সুজন কৈরী: [২] চাকরিরত অবস্থায় মারা যান সেনাবাহিনীর এক সদস্য। মৃত্যুর আগে চাকরিসূত্রে পাওয়া সুবিধাদি ও সামান্য সঞ্চয় দিয়ে জমি কিনেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থানা এলাকায়। ছোট ওই জমিতে একটি ঘর তুলে দুই সন্তানকে নিয়ে থাকেন সেনা সদস্যের বিধবা স্ত্রী। কিন্তু জমিটি দখলের পাঁয়তারা শুরু করে প্রভাবশালী একটি মহল। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ক্ষমতায় আশপাশের লোকজনকে বলেও এ বিষয়ে বিধবা নারী প্রতিকার পাননি। দুই সন্তানকে নিয়ে ভয়ের মধ্যে থাকতেন সবসময়।

[৩] কোনো পথ না পেয়ে পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংয়ের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানান ওই নারী। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তার পাশে দাঁড়ায়। পুলিশের হস্তক্ষেপে সেনা সদস্যদের বিধবা স্ত্রী ও তার দুই সন্তান ওই প্রভাবশালী মহলের হাত থেকে রক্ষা পায়।

[৪] রোববার বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. সোহেল রানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওই নারীর অভিযোগ পাওয়ার পর ঘোড়াঘাট থানার ওসি আজিম উদ্দিনকে বিষয়টি জানানো হয়। থানা পুলিশ স্থানীয় চেয়ারম্যান, অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে অভিযুক্ত প্রভাবশালীদের সঙ্গে বসে।

[৫] এ সময় প্রভাবশালীরা জমির মালিকানা দাবি করলেও তার স্বপক্ষে গ্রহণযোগ্য কোনো দালিলিক প্রমাণ দেখাতে পারেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই নারীকে কোনো ধরনের হয়রানি না করতে অভিযুক্তদের নির্দেশ দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে ভুক্তভোগীদের কোনো প্রকার হয়রানি বা তাদের কোনো ক্ষতি করার চেষ্টা করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মুচলেকা নিয়ে অভিযুক্তকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির জিম্মায় দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে বিধবা নারী ও তার দুই সন্তান।

[৬] বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পু‌লিশ জ‌মির মা‌লিকানা নির্ধার‌ণের কাজ ক‌রে না। ত‌বে এ সংক্রান্ত‌ ফৌজদারি বিষয়া‌দির ক্ষে‌ত্রে আই‌নগত ব্যবস্থা গ্রহণ ক‌রে থা‌কে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়