শিরোনাম
◈ চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে বড় অবনতি, চাপে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ◈ প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ◈ ২০২৭ সালে গোল্ডেন ভিসার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করবে পর্তুগাল সরকার ◈ আমন মৌসুমে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কিনবে সরকার, ধানের দাম ৩৫ টাকা কেজি ◈ দুর্নীতির কারণে কার্যকারিতা হারিয়েছে অনেক সমবায় সমিতি, স্বচ্ছতা নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির ◈ সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ◈ উৎপাদন এলাকায় কম, ঢাকায় কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শীতের সবজি ◈ লিও‌নেল মে‌সি আবারও গোল্ডেন বুট জিতলেন ◈ এমবাপ্পের টানা সপ্তম ম্যাচে গোল, ভ্যালেন্সিয়াকে উড়িয়ে দিলো রিয়াল মা‌দ্রিদ ◈ ফরেস্টের কাছে হেরে হ্যাটট্রিক হারের লজ্জায় ম‌্যান‌চেস্টার সিটি

প্রকাশিত : ০৯ জুলাই, ২০২১, ০২:৫২ রাত
আপডেট : ০৯ জুলাই, ২০২১, ০২:৫২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কঠোর লকডাউনে ভোগান্তিতে পোশাক শ্রমিকরা

নিউজ ডেস্ক : করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে সারাদেশে চলমান কঠোর লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও পোশাক কারখানা খোলা রয়েছে। এতে পোশাক শ্রমিকরা কারখানায় যেতে যানবাহন সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

সরেজমিন গাজীপুর, টঙ্গী, কামারপাড়া ও সাইনবোর্ড এলাকায় ঘরে দেখা গেছে, কঠোর লকডাউনে অধিকাংশ কারখানায় নিজস্ব পরিবহন না থাকায় হেঁটে যাচ্ছেন পোশাক শ্রমিকরা। স্বল্প বেতনে সাশ্রয়ী বাসা পেতে তারা কারখানা থেকে দূরে থাকেন। দূর থেকে হেঁটে আসতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। করোনা মহামারির এই সময়েও কারখানায় দু-এক মিনিট দেরি হলেই শ্রমিকদের বেতন কাটা হচ্ছে।

করোনা মহামারির সময়ে বিভিন্ন সেক্টরে মন্দাভাব থাকলেও পোশাক শিল্প ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সরকারি সহযোগিতা আর ক্রেতাদের নতুন করে পণ্যের অর্ডারে ঘুরে দাঁড়ায় পোশাক শিল্প। তাতে উদ্যোক্তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশে চলমান লকডাউনের মধ্যেও উৎপাদন অব্যাহত রাখেন। কারখানাগুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে শতভাগ মাস্ক পরা নিশ্চিত করায়। একই সঙ্গে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া ও শারীরিক দূরত্বও গুরুত্ব পাচ্ছে কারখানায়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ওএসকে গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত বলেন, কারখানার আশেপাশে বাড়ি ভাড়া বেশি হওয়ায় স্বল্প বেতনে সাশ্রয়ী বাড়িতে ভাড়া থাকতে বেশিরভাগ পোশাক শ্রমিক কারখানা থেকে দূরে থাকেন।

তিনি বলেন, কারখানা থেকে দূরে থাকা শ্রমিকরা গণপরিবহনে চলাচল করেন। কিন্তু এখন তা বন্ধ হওয়ায় শ্রমিকদের আসা-যাওয়ায় বড় ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। অনেকে ভাড়া বাঁচাতে একসঙ্গে ছোট গাড়ি-রিকশায় আসছেন। এতে আরও স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। পরিবহন ব্যবস্থার অভাবে কোনো শ্রমিক কারখানায় উপস্থিত হতে না পারলে তাকে চাকরিচ্যুতির হুমকি দিচ্ছে, বেতন কাটা হচ্ছে।

বিজিএমইএ’র পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, পোশাক শ্রমিকদের টিকা চেয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সোমবার (০৫ জুলাই) চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তৈরি পোশাক শিল্প উদ্যোক্তা এবং বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, পোশাক শ্রমিকদের করোনা সংক্রমণরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পোশাক কারখানায় কাজ করানো হচ্ছে। নিজস্ব পরিবহনে শ্রমিকদের কারখানায় আনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

  • সর্বশেষ