প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শিক্ষাক্ষেত্রে ভালো করলেও কর্মক্ষেত্রে শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশিসহ দ্বিতীয় প্রজন্মের জাতিগত সংখ্যালঘুরা

লিহান লিমা: [২]মঙ্গলবার প্রকাশিত নতুন এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যে শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় জাতিগত সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় প্রজন্ম উচ্চপদগুলোতে কম নিয়োগ পান। এই প্রতিবেদনে বিশেষভাবে বাংলাদেশী ও পাকিস্তানি নারীদের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, শ্বেতাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিযোগীর তুলনায় তারা ব্যবস্থাপনা পদে কম নিয়োগ পান।ইস্টার্ন আই

[৩] ইনস্টিটিউট অব ফিসক্যার স্ট্যাডিজ এর প্রতিবেদনে বলা হয়, দ্বিতীয় প্রজন্মের এই সংখ্যালঘু প্রাপ্তবয়স্ক, যারা নিজেদের অভিবাসী বাবা-মায়ের দ্বারা ব্রিটেনেই জন্ম নিয়েছেন ও বড় হয়েছেন তারা শ্বেতাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠের তুলনায় শিক্ষাখাতে ইর্ষন্বীয় সাফল্য দেখাচ্ছেন। যদিও শিক্ষাজীবনে তাদের সফলতার প্রভাব পেশাগত জীবনে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিফলিত হতে দেখা যায় না।

[৪] গত ৪০ বছরের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে করা এই সমীক্ষায় দ্বিতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি, ভারতীয়, পাকিস্তানি ও কৃষ্ণাঙ্গ ক্যারিবিয়ান জাতীগত সংখ্যালঘুদের সঙ্গে দেশের দ্বিতীয় প্রজন্মের শ্বেতাঙ্গদের তুলনা করা হয়।

[৫] প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্বেতাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠের তুলনায় এই সংখ্যালঘুরা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠির তালিকায় অনেক বেশি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মাত্র ১৬ শতাংশ ভারতীয়, ৭ শতাংশ পাকিস্তানি, ৫ শতাংশ বাংলাদেশী ও ১৪ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ ক্যারিবিয়ান শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশ ২৯ শতাংশের বিপরীতে সুবিধাপ্রাপ্ত সামাজিক সম্প্রদায় হিসেবে তালিকাভূক্ত হয়েছেন।

[৬] তবে শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কম সুযোগ-সুবিধা পেলেও দ্বিতীয় প্রজন্মের এই সংখ্যালঘুরা শিক্ষাগত যোগ্যতার শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। ২৬ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠের তুলনায় ৫০ শ তাংশ ভারতীয়, ৩৫ শতাংশ বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শিক্ষাজীবনের তিনটি ধাপ অর্জন করেছেন।

[৭] তবে উচ্চশিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও তারা কম নিয়োগ পাচ্ছেন, কিংবা পেলেও উচ্চপদ ও পেশাগত ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছেন। প্রতিবেদনের লেখক ও লন্ডন স্কুল অব ইকনমিক্সের অধ্যাপক লুচিন্দা প্ল্যাট বলেন, ‘শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের সাফল্য উদযাপন করার মতো হলেও কেনো কর্মক্ষেত্রে এই সমতার প্রকাশ ঘটনা না এই প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত