শিরোনাম
◈ ফুটপাতে গাড়িচাপায় নির্মাণ শ্রমিক নিহত: মেহেদীর পরিবারকে টাকা দিয়ে মীমাংসা ◈ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সন্দেহে আটক: থানার কক্ষ ‘ভাঙচুর করে পালিয়েছে’ ১৭ জন, পুলিশ যা বলছে ◈ হাম উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৮৩ ◈ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, শুক্রবার পর্যন্ত থাকবে বৃষ্টি ◈ আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, নভেম্বরে তফসিল: ইসি ◈ গঙ্গার পানি বণ্টনে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ, থাকবে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’: পানিসম্পদমন্ত্রী ◈ এশিয়ান গেমস পুরুষ হ‌কি‌তে শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে ঘুরে দাঁড়ালো বাংলাদেশ ◈ মা-বাবার ধারাবাহিকতায় বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাস: জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ অপ্রচলিত বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড, আগস্টে আয় ৬৪৩ মিলিয়ন ডলার ◈ বাণিজ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৪ জুন, ২০২১, ০১:০৮ রাত
আপডেট : ২৪ জুন, ২০২১, ০১:৩৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পানির নিচে মিলল ৯৫ বছর আগের চিঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জেনিফার ডোকার যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের এক প্রমোদতরীর কাপ্টেন। পুরো গরমকাল জুড়ে তিনি চেবোগান নদীতে পর্যটক নিয়ে এতো ঘোরাঘুরি করেন যে সেখানকার পানির নিচ অবধি তার চেনা! তবে পানির নিচ থেকে পাওয়া এক বোতলে ১৯২৬ সালে লেখা এক চিঠি পেয়ে বিস্মিত হয়েছেন জেনিফার। যুগান্তর

সিএনএন বুধবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত শুক্রবার জেনিফার তার জাহাজের তলার দিককার জানালা পরিষ্কার করছিলেন। এসময় তার পানির নিচে পড়ে থাকা একটি বোতল চোখে পড়ে।

জেনিফারের আবার বোতল সংগ্রহের বাতিক আছে। তাই পুরোনো আমলের সবুজ রংয়ের বোতলটি তার নজর কাড়ে। প্রায় ১০ ফুট পানির নিচে বোতলটি পড়ে ছিল বলে সিএনএনকে জানান তিনি।

প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন এটা আর দশটা বোতলের মতো সাধারণ একটা বোতল। কিন্তু যখন তিনি বোতলটি তুলে নিয়ে আসেন তখন বোতলের মধ্যে থাকা বার্তাটি দেখতে পান।

মুখ ছিপি দিয়ে আটকানো থাকলেও বোতলটিতে ফাটল থাকায় দুই-তৃতীয়াংশ পানিতে ভর্তি ছিল। তারপরও জেনিফার বোতলে মধ্যে থাকা কাগজটা বের করে লেখা পড়তে সক্ষম হয়।১৯২৬ সালের নভেম্বরে ওই চিঠি লেখা হয়েছিল। সেখানে লেখা ছিল : যদি কেউ এই কাগজটি পেয়ে থাকেন তাহলে মিশিগানের চেবোগানের বাসিন্দা জর্জ মোরের কাছে কাগজটি ফেরত দিয়ে বলবেন কোথায় এটা পাওয়া গেছে।

চেবোগান মিশিগানের একটা ছোট শহর। সেখানে বাস করে এমন কয়েকজন মোর পরিবারকে তিনি চেনেন। তাই তিনি তার কোম্পানির ফেসবুক পেজে বোতলের ছবি পোস্ট করেছিলেন।

জেনিফারের ওই পোস্ট অল্প সময়েই ভাইরাল হয়ে যায়। এক লাখেরও বেশিবার তা শেয়ার করা হয়। অন্তত ছয় হাজার জন ওই পোস্টে মন্তব্য করেছেন।

অবশেষে জেনিফার ওই পোস্টের মাধ্যমেই খোঁজ পান জর্জ মোরের মেয়ে মিশেল প্রিমাউয়ের।

৭৫ বছর বয়সী মিশেল সিএনএনকে জানান, তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই। তবে সম্পূর্ণ অচেনা এক ব্যক্তি জেনিফারের পোস্ট দেখে চিঠির আসল মালিককে খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নেন।

মিশেলের বাবা জর্জ নিজের জন্মদিনে ওই চিঠি লিখে মিশিগান থেকেই তা নদীতে ফেলে দেয়। মিশেল ওই চিঠির ছবি দেখেই বাবার হাতের লেখা চিনতে পেরেছেন। মিশেলের জন্মের প্রায় ২০ বছর আগে চিঠিটি লেখা হয়েছিল।

১৯৯৫ সালে জর্জ মারা গেছেন। এতোদিন পর বাবার লেখা দেখে ভীষণ আপ্লুত হয়ে যান মিশেল।

জেনিফার বোতল আর চিঠিটা তার জাহাজেই রেখে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে জেনিফারের জাহাজে গিয়ে চিঠিটা দেখে আসবেন মিশেল। মিশেলকে তার জাহাজে আজীবন বিনামূল্যে ভ্রমণের টিকেট দিয়েছেন জেনিফার।

  • সর্বশেষ