শিরোনাম
◈ জাতি কখনো দিশেহারা হলে জুলাই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে: প্রধান উপদেষ্টা  ◈ যে দুই দেশ ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল ◈ থাইল্যান্ড যাওয়ার অনুমতি মেলেনি আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেমের ◈ আমরা যদি একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকি সকলের মিলে সমস্যার সমাধান করতে পারবো : তারেক রহমান ◈ জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা র‍্যাব ডিজির (ভিডিও) ◈ সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি জানাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন ◈ ঢাকার ১৩টি আসনে দুপুর পর্যন্ত ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত‍্যাহার ◈ ভোটকেন্দ্র নজরদারিতে সিসিটিভি: ৭২ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ ◈ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রাতে লড়াই‌য়ে নামছে আর্সেনাল, রিয়াল মাদ্রিদ, পিএসজি ও ইন্টার মিলান ◈ চাপ সৃষ্টি করে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে বাংলা‌দেশ‌কে বাধ্য করা যাবে না: ক্রীড়া উপ‌দেষ্টা

প্রকাশিত : ১৩ জুন, ২০২১, ০৫:১০ বিকাল
আপডেট : ১৩ জুন, ২০২১, ০৫:১০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পাবনা গণপূর্ত অফিসে আওয়ামী ঠিকাদারদের অস্ত্রের মহড়া, ভিডিও ভাইরাল

কালাম আজাদ : [২] গত ৬ জুন পাবনা গণপূর্ত অধিদপ্তরে পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা হাজী ফারুক ও পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ আর খান মামুনের নেতৃত্বে সশস্ত্র মহড়ার সিসিটিভির ফুটেজ সারাদেশে ভাইরাল হয়েছে। সরকার দলীয় ঠিকাদারদের এরকম মহড়ায় নিন্দার ঝড় বইছে। প্রদর্শিত অস্ত্র থানায় জমা দিয়েছে।

[৩] সশস্ত্র মহড়ার সত্যতা নিশ্চিত করে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার আজিম জানান, ওইদিন তিনি অফিসের কাজে বাইরে ছিলেন। তার সাথে তাদের দেখা হয় নাই। সিসিটিভি ফুটেজে যারা অফিসে সশস্ত্র অবস্থায় ঢুকেছিল তারা অফিসেরই ঠিকাদার। তবে তারা অফিসের কারো সাথে কোন প্রকার অশ্øীল বা খারাপ ব্যবহার এবং কোন কথা বলেনি। জানি না কি জন্য তারা এসেছিল। যতদূর শুনেছি ওই ঠিকাদাররা কিছু টাকা নিয়ে ঈশ্বরদীর সাইডে যাচ্ছিলেন। তাদের নিরাপত্তার জন্যই নিজস্ব লাইসেন্সকৃত অস্ত্র সাথে এনেছিল। তারপরও তিনি বিষয়টি পাবনার জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবগত করেছেন।

[৪] এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সশস্ত্র ঠিকাদার ও পাবনা পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এর আর খান মামুন বলেন, ৬ জুন রোববার দুপুরে পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাজী ফারুক, জেলা যুব লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালু একটি কারযোগে পাবনা থেকে ঈশ্বরদী সাইড ও ইটের ভাঁটায় টাকা দিতে যাচ্ছিলাম। শুধুমাত্র নিজেদের নিরাপত্তাজনিত কারনে তার এবং লালুর লাইসেন্সকৃত দুটি অস্ত্র সাথে নিয়ে যাই। যাওয়ার পথে সামান্য কাজের জন্য তারা পাবনা গণপূর্ত অফিসের নির্বাহী স্যারের সাথে দেখা করতে যান। কিন্তু তার দেখা না পেয়ে আবার ফিরে আসেন। কারও সাথে একটি কু কথাও হয়নি তাদের। এরপরও তারা আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাদের অস্ত্র দুটি পাবনা সদর থানায় জমা দিয়েছি।

[৫] পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি স্নিগ্ধ আখতার জানান, বিষয়টি তারা শুনেছেন। কেউ অফিসিয়ালি অভিযোগ করেননি। তবে অস্ত্র দুটি তারা সদর থানায় জমা দিয়ে ভুল স্বীকার করেছেন বলে সদর থানার ওসি তাকে জানিয়েছেন।

[৬] পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল আহাদ বাবু জানান, বিষয়টি জানার পরপরই তারা জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে তাদের ডেকে জিজ্ঞাসা করেছেন। তারা তাদের জানিয়েছেন নিজস্ব নিরাপত্তার কারনেই সাথে অস্ত্র নিয়েছিলেন। কোন মহড়া বা হুমকির জন্য নয়। তারপরও আইন শৃংখলা বাহিনী তদন্ত করে দোষ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন। এতে তাদের কোন াাপত্তি থাকবে না।

[৭] সরকারী দলের পোষ্টধারী নেতাদের এমন অস্ত্র নিয়ে সরকারী অফিসে মহড়া দৌযার বিষয়টি ভালো চোখে দেখছেন না পাবনার সচেতন মহল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, এটা ভালো লক্ষণ বহন করে না। অভিযুক্ত হাজী ফারুকের বিরুদ্ধে এর আগেও ট্রেজারী অফিসে গিয়ে অনৈতিক আচরন ও কর্মকর্তাদের মারধরের অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি শক্ত হাতে দেখার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান তারা। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়