শিরোনাম
◈ তিন দিনে ১৩০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, কর্মহীন সাড়ে ৭ লাখ শ্রমিক ◈ ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান, আহত ২২ ◈ ভারতের মিজোরামে অস্ত্রের গোপন মজুত, পার্বত্য চট্টগ্রামে সরবরাহের ছক ◈ ইসরায়েলের রাজনীতিতে নতুন মোড়, সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন আইজেনকোট ◈ কানাডায় নতুন পিআর পাওয়ার নতুন সুযোগ, তিন বছরে নেওয়া হবে ১১ লাখ ৪০ হাজার অভিবাসী ◈ দুবলার চরে সাগরে গোসল করতে নেমে প্রাণ গেল পর্যটকের, ৩৩ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার ◈ ক্ষতিকর উপাদান থাকায় নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম, দুবাইফেরত যাত্রীর কাছ থেকে ১ হাজার ৩০০ পিস জব্দ ◈ মিথিলার পর ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৬’-এর মুকুট উঠল সামিরা খান মাহির মাথায় ◈ লাইসেন্স ছাড়া অনলাইনে বিক্রি করা যাবে না চাঁদপুরের ইলিশ, আবেদন করতে হবে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ◈ আসামি ছিনিয়ে নেওয়া থেকে পুলিশ হত্যা, বাড়ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তাঝুঁকি

প্রকাশিত : ০৯ জুন, ২০২১, ১২:২২ দুপুর
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২১, ১২:২২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১]সাতক্ষীরায় লকডাউনের ৫ম দিনে করোনার সর্বোচ্চ শনাক্তের হার ৫৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ, উপসর্গে মৃত্য ৪

আসাদুজ্জামান: [২] সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় লকডাউনের ৫ম দিনে করোনা সংক্রমণের হার সবেংাচ্চ উর্দ্ধগতি হয়েছে। সর্বশেষ ফলাফলে গত ২৪ ঘন্টায় ১৮২ জনের শরীরে নমুনা পরীক্ষায় ১০৮ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে।

[৩] জেলায় একদিনে এটি করোনা সংক্রমণের সর্বোচ্চ হার। এনিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৯৭ জন। এদিকে, করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরো ৪ জন মারা গেছেন। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, সাতক্ষীরা শহরের রাজার বাগান এলাকার নাজির আলী মিস্ত্রী (৭০), শ্যামনগর উপজেলার নৈকাটি গ্রামের সামাদ শেখ (৫৫), একই উপজেলার জয়নগর গ্রামের এল.এম বকসো (৮০) ও সদর উপজেলার আখড়াখোলা গ্রামের মিজানুর রহমান (৫০)। এনিয়ে জেলায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন কমপক্ষে ২৩৬ জন। আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জেলায় মোট ৪৮ জন।

[৪] এমন পরিস্থিতিতে করোনার লাগাম টানতে প্রশাসনকে কিছুটা কঠোর হতে দেখা গেছে। মোড়ে মোড়ে চলছে তল্লাশী। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশি চেকপোস্ট বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে। স্বাস্থ্য বিধি মানতে চলছে মাংকিং। বন্ধ রয়েছে দুরপাল্লার বাসসহ সকল ধরনের গণপরিবহন। করোনা সংক্রমণের হার বৃিদ্ধর মধ্যেও শহর ও গ্রামাঞ্চলে অবাধে মানুষ যাতায়াত করছেন। তারা কোনো রকমেই মানতে চাচ্ছেননা স্বাস্থবিধি। ভোমরা স্থলবন্দরেও সীমিত পরিসরে চলছে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম।

[৫] তবে ভারতীয় চালক ও হেলপাররা যাতে খোলামেলা ঘুরে বেড়াতে না পারেন সে জন্য পুলিশ ও বিজিবির নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া লকডাউনের মধ্যে দোকানপাট খোলা রাখা, স্বাস্থ্যবিধি না মানাসহ বিভিন্ন অপরাধে জেলার বিভিন্ন স্থানে চলছে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ