শিরোনাম
◈ সাইট বন্ধ করেও থামানো যাচ্ছে না অনলাইন জুয়া, ডোমেইন বদলে সক্রিয় চক্র ◈ লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রবাসীদের সমস্যা ও প্রত্যাশা শুনলেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ◈ জিয়া থেকে তারেক: বিএনপির ৪৮ বছরের নেতৃত্বের ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ◈ সাগর-রুনি হত্যা: রোকেয়া প্রাচীর বাসা থেকে দু’টি ডিস্ক আনা হয়েছিল জিয়াউল আহসানের নির্দেশে ◈ ৪৮ বছরে বিএনপি, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি ◈ ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের’ সদরদপ্তর রিয়াদে, প্রথম মহাসচিব পাকিস্তানি ◈ বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল বিমানবাহিনীর ৩ সদস্যের ◈ আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসির ২১ বছরের যত রেকর্ড! ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন বাড়বে ৫৫ থেকে ১০০% পর্যন্ত ◈ নির্বাচনের ৭ বছর পর রাশেদ খানকে ডাকসুর জিএস ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৮ জুন, ২০২১, ১২:০৭ দুপুর
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২১, ১২:০৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তালমিছরির স্বাস্থ্যগুণ

স্বাস্থ্য ডেস্ক:  তালমিছরি হলো প্রাকৃতিকভাবে তৈরি মিষ্টি। যাকে বলে আনপ্রসেসড সুগার। তালমিছরিতে থাকে খাঁটি তালের রস। সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে রক্তস্বল্পতা- অনেক অসুখ দূরে রাখে এই তালমিছরি। পেটের নানা সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকে। তাদের জন্যও তাল মিছরি বেশ উপকারী। এটি খেতেও বেশ সুস্বাদু। বার্তা২৪

তালমিছরিতে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাস। থাকে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৬ ও বি১২। যার ফলে সর্দি-কাশি গলাব্যথা সবকিছুই উপশম করে তালমিছরি।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আদা, গোলমরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, মধু, লেবু পানি খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন তালমিছরিও খেতে হবে। যাদের ঠান্ডা লাগার ধাত রয়েছে তাদের জন্যেও খুবই ভালো তালমিছরি।

তালমিছরির স্বাস্থ্যগুণ—

১. তালমিছরি পানিতে গুলিয়ে হালকা গরম করে খেলে গলায় জমে থাকা কফ, শ্লেষ্মা দূর হয়। কাশি বেশি হলে এক টুকরো তালমিছরি মুখে রাখলে অথবা তুলসী পাতার রসের সঙ্গে তালমিছরি গুলিয়ে খেলে কাশি কমে যাবে।

২. বয়সের সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের ক্ষয় বাড়ে। সেইসঙ্গে বাড়ে হাঁটু ব্যথাও। এক্ষেত্রে তালমিছরির শরবত বেশ উপকারী। তালমিছরিতে থাকা ক্যালসিয়াম-পটাশিয়াম হাড়ের জন্য খুব ভালো।

সর্দি-কাশি গলাব্যথা সবকিছুই উপশম করে তালমিছরি। ছবি: সংগৃহীত
৩. অ্যানিমিয়ার সমস্যা রয়েছে যাদের, তারাও তালমিছরির শরবত খেতে পারেন। কারণ এর মধ্যে থাকা আয়রন শরীরে নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।

৪. তালমিছরি দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বাদাম, মৌরি, তালমিছরি, গোলমরিচ গুঁড়া করে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো হয়।

৫. তালমিছরির মধ্যে থাকা গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্সের মাত্রা ৩৫। যা রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়ায় না। বরং নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়াও এর মধ্যে থাকে ভিটামিনও খনিজ উপাদান। তবে যাদের সুগার রয়েছে তাদের তালমিছরি কিন্তু বেশি না খাওয়াই ভালো।

৬. যেসব মায়েরা শিশুকে দুধ পান করাচ্ছেন, তারা কালোজিরা ও তালমিছরি গুঁড়া করে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকারে আসে। এমনকী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

৭. শিশুকে চিনির বদলে দুধ কিংবা সুজির সঙ্গে তালমিছরি মিশিয়ে খাওয়ান। এতে শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠবে।

তবে প্রশ্ন থেকে যায়—ডায়াবেটিসের রোগীরাও কী তালমিছরি খেতে পারবেন নিশ্চিন্তে? কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের তো কোনো মিষ্টিই খাওয়া ঠিক নয়। ফলে তালমিছরি খাওয়া তাদের জন্য ক্ষতির কারণে হয়ে দাঁড়াতে পারে। এক্ষেত্রে ডায়াবেটিসে ভোগা রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াই উচিত।

  • সর্বশেষ