প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রপ্তানিতে নীতি সহায়তার মেয়াদ আরও বাড়ল

নিউজ ডেস্ক: বাড়তি রপ্তানি ঋণ পাওয়া, মূল্য দেশে আনা ও বিদেশি ব্যাংকে থাকা বৈদেশিক মুদ্রায় দেশের ব্যাক টু ব্যাক এলসির দেনা শোধ করা যাবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

করোনার নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় রপ্তানি খাতে নীতি সহায়তার মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে রপ্তানির ক্ষেত্রে দেওয়া নীতি সহায়তাগুলো আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভোগ করতে পারবেন রপ্তানিকারকরা। এর মধ্যে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল থেকে বাড়তি ঋণ সুবিধা, ব্যাংকগুলো বিদেশি ব্যাংকের হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে স্থানীয় ব্যাক টু ব্যাক এলসির দেনা পরিশোধ, রপ্তানির মূল্য দেশে আনা এবং রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের ঋণ শোধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে এ বিষয়গুলো ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব সুবিধার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে উদ্যোক্তাদের ঋণ নেওয়ার সীমা বাড়িয়ে বস্ত্র ও গার্মেন্ট খাতের প্রতি ব্যাক টু ব্যাক এলসির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ কোটি ডলার করা হয়েছে। এর মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়েছে। আগে তারা প্রতি এলসিতে ঋণ নিতে পারতেন ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

পণ্য রপ্তানির পর সেগুলোর মূল্য দেশে আনার জন্য রপ্তানিকারকরা ৩ থেকে ৪ মাস সময় পান। এর মধ্যে মূল্য দেশে না এলে সেগুলোকে বকেয়া হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু করোনায় বিশ্বব্যাপী ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা কাটেনি। এ কারণে রপ্তানি মূল্য দেশে আনার মেয়াদ বাড়ানো হলো।

রপ্তানির জন্য দেশীয় কোনো কোম্পানি থেকে কাঁচামাল আমদানিতে যে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলা হয় তাকে ইনল্যান্ড বা দেশের ভেতরের ব্যাক টু ব্যাক এলসি বলা হয়। এ ধরনের এলসির বিল ব্যাংকগুলোর দেশের ভেতরে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা থেকেই মেটানোর নিয়ম। করোনায় ব্যাংকগুলোর স্থানীয় হিসাবে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ কমার কারণে বিদেশে থাকা বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব (নষ্ট্রো) থেকে বৈদেশিক মুদ্রা এনে স্থানীয় ব্যাক টু ব্যাক এলসির দেনা শোধের সময়ও ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যা ৩০ জুন শেষ হওয়ার কথা ছিল।

এদিকে রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদেশি সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট বা বায়ার্স ক্রেডিট থেকে ঋণ নিয়ে ব্যাক টু ব্যাক এলসির দেনা রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল থেকে ঋণ নিয়ে মেটানোর সময়সীমাও ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল থেকে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধের মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে। তবে সুবিধা প্রতিটি এলসির ক্ষেত্রে নির্ধারিত মেয়াদের বেশি পাওয়া যাবে না। নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে থেকে ওই সময় পর্যন্ত এ সুবিধা ভোগ করা যাবে। করোনার প্রভাব মোকাবিলায় রপ্তানিকারকদের ঋণ সুবিধা দিতে ইডিএফের আকার ৩৫০ কোটি ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এর সুদের হার কমিয়ে ১ দশমকি ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত