শিরোনাম
◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে ◈ স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভূমিধসে নিহত অন্তত ১৬০, নিখোঁজ ৮ শতাধিক ◈ ১৯ বছর ধরে পালাতক ‘পিচ্চি হান্নানের’ সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’ গ্রেপ্তার ◈ নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শোক, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ◈ শ্রীলঙ্কার বিরু‌দ্ধে সিরিজ জয়ের পথে ভারত ◈ গ্রামের নিম্নবিত্তের সবজি কচু-লতি এখন রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায় ◈ ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় নতুন মোড়, গ্রেপ্তার মোজাফফরকে নিয়ে হবে তদন্ত

প্রকাশিত : ০৪ জুন, ২০২১, ০৭:১০ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২১, ০৭:১৩ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] অশ্লীলতা ছড়ানো ৫শ’ টিকটকার নজরদারিতে, সীমান্ত পার করেই ভুয়া পরিচয়ে ভারতীয়‘ আধারকার্ড’

মাসুদ আলম : [২] সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশি এক তরুণীকে ভারতে বিবস্ত্র করে যৌন নির্যাতনের ভাইরাল ভিডিওর সূত্র ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। টিকটকের ফাঁদে ফেলে নানা কৌশলে উঠতি বয়সী কিশোরী-তরুণীদের সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করে আসছে মানবপাচারকারী চক্র। ইতিমধ্যে চক্রের বেশ কয়েকজন ধরা পড়েছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ ও র‌্যাবের হাতে। তাদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আরও অনেকের নাম বেরিয়ে আসছে। এছাড়া ৫ শতাধিক টিকটকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে।

[৩] তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানায়, ভারতে টিকটক হৃদয় গ্রেপ্তার হওয়ার পর টিকটকাররা গাঁ ঢাকা দিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তার মেহেদি হাসান বাবু একাই হাজারের বেশি নারীকে ভারতে পাচার করেছে। বাবু ও টিকটক হৃদয়ের একই চক্রের সদস্য। মূলত হৃদয় প্রথমে ফেসবুকে টিকটক গ্রুপ খুলে সেখানে পোস্ট করা হতো অশ্লীল ভিডিও। সেই ভিডিওতে যেসব নারী লাইক-কমেন্ট বা শেয়ার করতেন প্রথমে তাদের টার্গেট করা হতো। পরে তাদের টিকটক মডেল বা স্টার বানানোর প্রলোভন ও প্রেমের ফাঁদে ফেলে দালালদের মাধ্যমে ভারতে পাচার করা হতো। জনপ্রতি হৃদয়কে কমিশন দেওয়া হতো। ভারতীয় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হৃদয়সহ ৫ বাংলাদেশি ও নির্যাতনের শিকার তরুণীকে দেশে ফিরে আনার আনার চেষ্টা চলছে।

[৪] তদন্ত সংশ্লিষ্টরা আরও জানায়, ভারতের নির্দিষ্ট এলাকায় নিয়ে বিভৎস যৌন ও শারীরিক নির্যাতনে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। তাদের নেশা জাতীয়দ্রব্য খাওয়ানো হতো। টার্গেট করা কিশোর ও তরুণীদের প্রথমে দেশের সীমান্ত এলাকায় নিয়ে নির্ধারিত বাড়িতে রাখা হয়। এরপর সুবিধামতো হেঁটে সীমান্ত পার হয়ে রাখা হয় ভারতের সীমান্ত এলাকার নির্ধারিত বাড়িতে। সেখানে স্থানীয় দালালের মাধ্যমে ভিন্ন পরিচয়ে বানানো হয় আধারকার্ড। যে কার্ডটি ভারতীয় নাগরিক পরিচয়পত্র হিসেবে ধরা হয়। এরপর তাদের বিনা বাধায় নিয়ে যাওয়া হয় নির্ধারিত বিভিন্ন এলাকায়। তাদের অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে দেওয়া হুমকি দেওয়া হতো।

[৫] ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের ডিসি মো. শহিদুল্লাহ বলেন, হাতিরঝিল থানায় দুই ভিকটিমের মামলায় মানবপাচাকারী চক্রের অনেকেই নাম বেরিয়ে আসছে। কুরুচিপূর্ণ ভিডিও বানিয়ে অশ্লীলতা ছড়ানোর অনেকের নাম পাওয়া গেছে। পাচারের শিকার ও পাচারকারীরা অবৈধভাবে ভারতে যায়। ভারতীয়দের সহায়তায় আধারকার্ডের ব্যবস্থা করা হয়।

  • সর্বশেষ