শিরোনাম
◈ সাইবার হামলার শঙ্কায় বন্ধ ব্যাংক-ভূমিসেবা, ওয়ারফেয়ারের জন্য কোটি টাকা ব্যয়েও প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ ◈ বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে পাওয়া ডলারের ১৫ শতাংশ রাখতে পারবে হোটেল-রেস্তোরাঁ ◈ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে অনুমোদন পেল নতুন ৪ পাঠ্যবই ◈ শাদাবের সেঞ্চুরি, শেষ উইকেটে রেকর্ড গড়ে পাকিস্তানের জয় ◈ চার দিনের সফরে জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও ঋণ কমানোর আলোচনা ◈ সংসদের উচ্চকক্ষে ১০৫ আসন বণ্টনে নতুন প্রস্তাব, ৫ সদস্য মনোনয়ন দেবেন রাষ্ট্রপতি ◈ জমির দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে কি না যাচাই করবেন যেভাবে, জেনে নিন ৫ উপায় ◈ ঘরে বসেই মোবাইলে জমির মালিকানা যাচাই করবেন যেভাবে, জেনে নিন পদ্ধতি ◈ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন নিয়ম, বাড়ছে পর্যটক সংখ্যা, তুলে নেওয়া হলো রাত্রিযাপনের নিষেধাজ্ঞা ◈ ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ পোস্ট দেওয়া সেই এসিল্যান্ডকে বদলি করেন বিভাগীয় কমিশনার

প্রকাশিত : ০৪ জুন, ২০২১, ০৭:১০ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২১, ০৭:১৩ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] অশ্লীলতা ছড়ানো ৫শ’ টিকটকার নজরদারিতে, সীমান্ত পার করেই ভুয়া পরিচয়ে ভারতীয়‘ আধারকার্ড’

মাসুদ আলম : [২] সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশি এক তরুণীকে ভারতে বিবস্ত্র করে যৌন নির্যাতনের ভাইরাল ভিডিওর সূত্র ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। টিকটকের ফাঁদে ফেলে নানা কৌশলে উঠতি বয়সী কিশোরী-তরুণীদের সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করে আসছে মানবপাচারকারী চক্র। ইতিমধ্যে চক্রের বেশ কয়েকজন ধরা পড়েছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ ও র‌্যাবের হাতে। তাদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আরও অনেকের নাম বেরিয়ে আসছে। এছাড়া ৫ শতাধিক টিকটকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে।

[৩] তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানায়, ভারতে টিকটক হৃদয় গ্রেপ্তার হওয়ার পর টিকটকাররা গাঁ ঢাকা দিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তার মেহেদি হাসান বাবু একাই হাজারের বেশি নারীকে ভারতে পাচার করেছে। বাবু ও টিকটক হৃদয়ের একই চক্রের সদস্য। মূলত হৃদয় প্রথমে ফেসবুকে টিকটক গ্রুপ খুলে সেখানে পোস্ট করা হতো অশ্লীল ভিডিও। সেই ভিডিওতে যেসব নারী লাইক-কমেন্ট বা শেয়ার করতেন প্রথমে তাদের টার্গেট করা হতো। পরে তাদের টিকটক মডেল বা স্টার বানানোর প্রলোভন ও প্রেমের ফাঁদে ফেলে দালালদের মাধ্যমে ভারতে পাচার করা হতো। জনপ্রতি হৃদয়কে কমিশন দেওয়া হতো। ভারতীয় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হৃদয়সহ ৫ বাংলাদেশি ও নির্যাতনের শিকার তরুণীকে দেশে ফিরে আনার আনার চেষ্টা চলছে।

[৪] তদন্ত সংশ্লিষ্টরা আরও জানায়, ভারতের নির্দিষ্ট এলাকায় নিয়ে বিভৎস যৌন ও শারীরিক নির্যাতনে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। তাদের নেশা জাতীয়দ্রব্য খাওয়ানো হতো। টার্গেট করা কিশোর ও তরুণীদের প্রথমে দেশের সীমান্ত এলাকায় নিয়ে নির্ধারিত বাড়িতে রাখা হয়। এরপর সুবিধামতো হেঁটে সীমান্ত পার হয়ে রাখা হয় ভারতের সীমান্ত এলাকার নির্ধারিত বাড়িতে। সেখানে স্থানীয় দালালের মাধ্যমে ভিন্ন পরিচয়ে বানানো হয় আধারকার্ড। যে কার্ডটি ভারতীয় নাগরিক পরিচয়পত্র হিসেবে ধরা হয়। এরপর তাদের বিনা বাধায় নিয়ে যাওয়া হয় নির্ধারিত বিভিন্ন এলাকায়। তাদের অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে দেওয়া হুমকি দেওয়া হতো।

[৫] ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের ডিসি মো. শহিদুল্লাহ বলেন, হাতিরঝিল থানায় দুই ভিকটিমের মামলায় মানবপাচাকারী চক্রের অনেকেই নাম বেরিয়ে আসছে। কুরুচিপূর্ণ ভিডিও বানিয়ে অশ্লীলতা ছড়ানোর অনেকের নাম পাওয়া গেছে। পাচারের শিকার ও পাচারকারীরা অবৈধভাবে ভারতে যায়। ভারতীয়দের সহায়তায় আধারকার্ডের ব্যবস্থা করা হয়।

  • সর্বশেষ