শিরোনাম
◈ শেরওয়ানির জন্য আড়াই ঘণ্টা ফ্লাইট আটকে রাখলেন বিমান কর্মকর্তা, ভোগান্তিতে শতাধিক যাত্রী ◈ এডিপিতে প্রকল্পের জট বাড়ছেই, সময় ও ব্যয় দুটোই ঊর্ধ্বমুখী ◈ বিশ্বকাপের খেলা ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার, বড় স্ক্রিনে থাকবে পুলিশের নজর ◈ বাংলাদেশ-চীন ঘনিষ্ঠতায় নজর রাখছে ভারত: জয়সওয়াল ◈ দেশের বিভিন্ন স্থানে কালেমাখচিত পতাকা মিছিল, নেপথ্যে কী? ◈ মারামারি নয়, ‌বিশ্বকা‌পের খেলা উপভোগ করুন : বাংলা‌দে‌শি ভক্ত‌দের শান্তির বার্তা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দূতের ◈ বাংলাদেশ-ইরান স্পিকারের বৈঠক, শান্তি প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত ◈ মিয়ানমারে কী ঘটছে, কেন আতঙ্কে বাংলাদেশ সীমান্ত? ◈ সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলার সাহস থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল ◈ ভারতীয় পর্যটন ভিসায় রেকর্ড আবেদন, নতুন বার্তা হাইকমিশনের

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০২১, ০৭:০৬ বিকাল
আপডেট : ২৯ মে, ২০২১, ০৭:০৬ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] হাসপাতালের ক্ষতিকর বর্জ্য বাইরে বিক্রি হচ্ছে, যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে

সুজিৎ নন্দী: [২] রাজধানীতে প্রতিদিন দুই সিটি করপোরেশনের ক্ষতিকর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল বর্জ্য সাধারণ বর্জ্যে ডাস্টবিনে ফেলা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এ ধরনের বর্জ্য ইনসিনেরেটর মেশিনে পুড়িয়ে ফেলার নিয়ম থাকলেও তা পরোপুরি করা হচ্ছে না। এর একটি বড় অংশ বাজারে বিক্রি হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণভাবে ক্লিনিক্যাল বর্জ্য হেপাটাইটিস বি, সি এমনকি এইচআইভি এইডসে আক্রান্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

[৩] ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর বদরুল আমিন বলেন, ক্ষতিকর বর্জ্য পুরিয়ে ফেলার জন্য মাতুয়াইল ল্যান্ড ফিল্ডে পুড়িয়ে ফেলার জন্য প্রিজম ফাউন্ডেশন নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাদেরই এ কাজটি করার কথা। কিন্তু সাধারণ বর্জ্য সিটি করপোরেশন থেকে পরিষ্কার করা হয়।

[৪] প্রিজম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, বেশির ভাগ বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষতিকর ক্লিনিক্যাল বর্জ্য দেয় না। এরা বাইরে বিক্রি করে দেয়। একটি সংঘবদ্ধ চক্র ক্ষতিকর ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ব্যবহার করে। এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে আমার জানান নেই।

[৫] সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের বাইরের ডাস্টবিন থেকে এক শ্রেণির দরিদ্র শিশু কিশোর প্রতিদিন কোন প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নিয়ে খালি হাতে ক্লিনিক্যাল বর্জ্য কুঁড়াচ্ছে। জানা গেছে, হাসপাতালের এক শ্রেণির কর্মচারি ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য বিক্রির ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে। তারা নিজেরাই বিভিন্ন বর্জ্য গোপনে বেশি দামে বাইরে বিক্রি করে দেয়। অবশিষ্ট ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ডাস্টবিনে ফেলা হয়।

[৬] জানা গেছে, সিরিঞ্জ, স্যালাইন প্যাকেট, ক্যানোলা সেট, তরল ওষুধের শিশি, বোতলের ছিপি, রক্ত, গজ, ব্যান্ডেজ, তুলা, শল্যবিদদের ব্যবহৃত ছোট ছুরি, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বিছিন্নকৃত বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গের টুকরা ও ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন কেমিকেল রি-এজেন্ট সাধারণ বর্জ্যরে সাথে ডাস্টবিনেই ফেলা হচ্ছে। ফলে পরিবেশের মারাত্মক দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়