শিরোনাম
◈ খোলাবাজার থেকে ব্যাংক—সবখানেই বাড়ছে ডলারের দাম ◈ আম-কাঁঠাল থেকে কোটি টাকার সম্ভাবনা: ফুড প্রসেসিংয়ে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র, বাড়ছে উদ্যোক্তা ও রপ্তানির সম্ভাবনা ◈ ব্যানার বিতর্কে বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, তিন ঘণ্টা উত্তপ্ত ক্যাম্পাস (ভিডিও) ◈ দেশে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ◈ চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিদের নতুন সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ◈ ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’ ◈ সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট, তবু লোডশেডিংয়ে নাকাল দেশ ◈ দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বাহিনীর ৯০০ কেজি ওজনের শক্তিশালী বোমা হামলা: নিউইয়র্ক টাইমস

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০২১, ০৭:০৬ বিকাল
আপডেট : ২৯ মে, ২০২১, ০৭:০৬ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] হাসপাতালের ক্ষতিকর বর্জ্য বাইরে বিক্রি হচ্ছে, যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে

সুজিৎ নন্দী: [২] রাজধানীতে প্রতিদিন দুই সিটি করপোরেশনের ক্ষতিকর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল বর্জ্য সাধারণ বর্জ্যে ডাস্টবিনে ফেলা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এ ধরনের বর্জ্য ইনসিনেরেটর মেশিনে পুড়িয়ে ফেলার নিয়ম থাকলেও তা পরোপুরি করা হচ্ছে না। এর একটি বড় অংশ বাজারে বিক্রি হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণভাবে ক্লিনিক্যাল বর্জ্য হেপাটাইটিস বি, সি এমনকি এইচআইভি এইডসে আক্রান্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

[৩] ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর বদরুল আমিন বলেন, ক্ষতিকর বর্জ্য পুরিয়ে ফেলার জন্য মাতুয়াইল ল্যান্ড ফিল্ডে পুড়িয়ে ফেলার জন্য প্রিজম ফাউন্ডেশন নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাদেরই এ কাজটি করার কথা। কিন্তু সাধারণ বর্জ্য সিটি করপোরেশন থেকে পরিষ্কার করা হয়।

[৪] প্রিজম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, বেশির ভাগ বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষতিকর ক্লিনিক্যাল বর্জ্য দেয় না। এরা বাইরে বিক্রি করে দেয়। একটি সংঘবদ্ধ চক্র ক্ষতিকর ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ব্যবহার করে। এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে আমার জানান নেই।

[৫] সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের বাইরের ডাস্টবিন থেকে এক শ্রেণির দরিদ্র শিশু কিশোর প্রতিদিন কোন প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নিয়ে খালি হাতে ক্লিনিক্যাল বর্জ্য কুঁড়াচ্ছে। জানা গেছে, হাসপাতালের এক শ্রেণির কর্মচারি ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য বিক্রির ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে। তারা নিজেরাই বিভিন্ন বর্জ্য গোপনে বেশি দামে বাইরে বিক্রি করে দেয়। অবশিষ্ট ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ডাস্টবিনে ফেলা হয়।

[৬] জানা গেছে, সিরিঞ্জ, স্যালাইন প্যাকেট, ক্যানোলা সেট, তরল ওষুধের শিশি, বোতলের ছিপি, রক্ত, গজ, ব্যান্ডেজ, তুলা, শল্যবিদদের ব্যবহৃত ছোট ছুরি, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বিছিন্নকৃত বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গের টুকরা ও ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন কেমিকেল রি-এজেন্ট সাধারণ বর্জ্যরে সাথে ডাস্টবিনেই ফেলা হচ্ছে। ফলে পরিবেশের মারাত্মক দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়