শিরোনাম
◈ ২০২৭ সালের জুনে চালু হচ্ছে চট্টগ্রামের প্রথম স্যুয়ারেজ প্রকল্প, উপকৃত হবে ২০ লাখ মানুষ ◈ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভুলে ২০ লাখ পাঠ্যবই সংশোধনের উদ্যোগ, বাড়ছে ব্যয়ের শঙ্কা ◈ ১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য, জাপানি কনসোর্টিয়ামের ৪ শর্তে আটকে চুক্তি! ◈ এসবিআই ব্যাংকের ৩ লাখ ৮০ হাজার নথি চুরির দাবি হ্যাকারদের, গ্রাহকদের তথ্য ফাঁসের শঙ্কা ◈ তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নভেম্বরে, মোদির সঙ্গে বৈঠকে গুরুত্ব পাবে যেসব ইস্যু: ইন্ডিয়া এম্পায়ারের নিবন্ধ ◈ কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা নয়ন গ্রেপ্তার, আদাবরে আরও অপকর্মের অভিযোগ ◈ পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর পরিকল্পনা, কলকাতা যেতে সময় লাগতে পারে মাত্র ৬ ঘণ্টা ◈ হোসাইনের ঘূর্ণিতে ঘায়েল ও‌য়েস্ট ইন্ডিজ, ড্র হ‌লো প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ ◈ কক্সবাজারে আবারও হোটেলে আগুন, নিরাপদে বেরিয়ে এলেন ৩ শতাধিক পর্যটক ◈ বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি ১৫ দেশের ৪০৭ নাগরিক, সবচেয়ে বেশি ভারতীয়

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০২১, ০৭:০৬ বিকাল
আপডেট : ২৯ মে, ২০২১, ০৭:০৬ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] হাসপাতালের ক্ষতিকর বর্জ্য বাইরে বিক্রি হচ্ছে, যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে

সুজিৎ নন্দী: [২] রাজধানীতে প্রতিদিন দুই সিটি করপোরেশনের ক্ষতিকর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল বর্জ্য সাধারণ বর্জ্যে ডাস্টবিনে ফেলা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এ ধরনের বর্জ্য ইনসিনেরেটর মেশিনে পুড়িয়ে ফেলার নিয়ম থাকলেও তা পরোপুরি করা হচ্ছে না। এর একটি বড় অংশ বাজারে বিক্রি হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণভাবে ক্লিনিক্যাল বর্জ্য হেপাটাইটিস বি, সি এমনকি এইচআইভি এইডসে আক্রান্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

[৩] ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর বদরুল আমিন বলেন, ক্ষতিকর বর্জ্য পুরিয়ে ফেলার জন্য মাতুয়াইল ল্যান্ড ফিল্ডে পুড়িয়ে ফেলার জন্য প্রিজম ফাউন্ডেশন নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাদেরই এ কাজটি করার কথা। কিন্তু সাধারণ বর্জ্য সিটি করপোরেশন থেকে পরিষ্কার করা হয়।

[৪] প্রিজম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, বেশির ভাগ বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষতিকর ক্লিনিক্যাল বর্জ্য দেয় না। এরা বাইরে বিক্রি করে দেয়। একটি সংঘবদ্ধ চক্র ক্ষতিকর ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ব্যবহার করে। এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে আমার জানান নেই।

[৫] সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের বাইরের ডাস্টবিন থেকে এক শ্রেণির দরিদ্র শিশু কিশোর প্রতিদিন কোন প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নিয়ে খালি হাতে ক্লিনিক্যাল বর্জ্য কুঁড়াচ্ছে। জানা গেছে, হাসপাতালের এক শ্রেণির কর্মচারি ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য বিক্রির ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে। তারা নিজেরাই বিভিন্ন বর্জ্য গোপনে বেশি দামে বাইরে বিক্রি করে দেয়। অবশিষ্ট ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ডাস্টবিনে ফেলা হয়।

[৬] জানা গেছে, সিরিঞ্জ, স্যালাইন প্যাকেট, ক্যানোলা সেট, তরল ওষুধের শিশি, বোতলের ছিপি, রক্ত, গজ, ব্যান্ডেজ, তুলা, শল্যবিদদের ব্যবহৃত ছোট ছুরি, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বিছিন্নকৃত বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গের টুকরা ও ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন কেমিকেল রি-এজেন্ট সাধারণ বর্জ্যরে সাথে ডাস্টবিনেই ফেলা হচ্ছে। ফলে পরিবেশের মারাত্মক দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

  • সর্বশেষ