প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এক সপ্তাহের মধ্যে ভ্যাকসিন না আসলে, দ্বিতীয় ডোজের কার্যক্রম বন্ধ হতে পারে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

শাহীন খন্দকার: [২] ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে আনা ১ কোটি ৩ লাখ কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন প্রায়ই শেষের পথে। শিগগিরই ভ্যাকসিন আমদানি করা না গেলে ব্যাহত হবে ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম। বর্তমানে সরকারের নিকট মজুদ আছে ৪ লাখ ৬৪,৫০৭ ডোজ। এদিকে রোববার গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে দ্বিতীয়ডোজ টিকা নিয়েছে ৪৩,৩০৪ জন।

[৩] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভ্যাকসিনের পরিবহন থেকে শুরু করে প্রয়োগের বিভিন্ন ধাপে এক শতাংশ ভ্যাকসিন নষ্ট হতে পারে। সেই হিসেবে বর্তমান মজুত থেকে আরও এক লাখের মতো ভ্যাকসিন কমে যাওয়ার আশংকাও রয়েছে।

[৪] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন ৪০ লাখ ১৫ হাজার ৫২২ জন।

[৫] প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন নিয়েছেন ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৯৭১ জন। নিবন্ধন করেছেন ৭২ লাখ ৪৮হাজার ৮২৯ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, ২২ মে চুয়াডাঙ্গা, নডাইল, পাবনা, নাটোর, চাদঁপুর, খাগডাছড়ি,ও গাজীপুর জেলায় ভ্যাকসিন দেওয়া হয়নি।

[৬] উল্লেখ্য, দেশে ইতোমধ্যেই চীন থেকে পাঁচ লাখ ডোজ সিনোফার্মা ভ্যাকসিন এসেছে। ২৫ মে থেকে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

[৭] স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, এই ভ্যাকসিনগুলো বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীসহ নার্সিং ইনস্টিটিউট, নার্সিংয়ের শিক্ষার্থীদের প্রয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও পুলিশ বাহিনীর নির্ধারিত সংখ্যক সদস্য ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ব্যক্তিরাও পাবেন চীনের সিনোফার্মার ভ্যাকসিন। তবে এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাওয়া ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য আলাদাভাবে সবাইকে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সুরক্ষায় নিবন্ধন করতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত