শিরোনাম
◈ মির্জা আব্বাস ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন ◈ পরমাণু সমঝোতা ছাড়া হরমুজে অবরোধ তুলবে না যুক্তরাষ্ট্র, ইরানের প্রস্তাব নাকচ ট্রাম্পের ◈ ১.৯ বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন: বাজেট সহায়তায় জোর, বাড়ছে অনমনীয় ঋণের চাপ ◈ সমঝোতার নামে ডেকে নেয় পিচ্চি হেলাল, কিলিং মিশনে ‘কিলার বাদল’ ও ‘ডাগারি রনি’: বেরিয়ে আসছে আন্ডারওয়ার্ল্ড চক্র ◈ অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনে অভিযুক্ত ২৩১১ সার ডিলার: কৃষিমন্ত্রী ◈ বর্তমান সংসদ অতীতের ১২টি সংসদের তুলনায় বেশি বৈচিত্র্যময়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ◈ বজ্রপাতে মৃত্যু থামছেই না, আবারও ১৩ প্রাণহানি ◈ মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ: বাংলাদেশের জন্য নতুন ‘মরণফাঁদ’ ◈ বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কে নতুন গতি: বিনিয়োগ ও জনশক্তি রফতানিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর ◈ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কোন দেশ কবে উৎপাদন শুরু করে

প্রকাশিত : ১৪ মে, ২০২১, ০৪:২৫ দুপুর
আপডেট : ১৪ মে, ২০২১, ০৪:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাংলাদেশি নাগরিকদের শরীরে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে: আইইডিসিআর

শাহীন খন্দকার: [২] করোনাভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তিরা ভ্যাকসিন নেওয়ার পর তাদের শরীরে ভ্যাকসিনগ্রহীতা অন্যদের তুলনায় চার গুণ বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

[৩]বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ভ্যাকসিন নেওয়ার একমাস পরই গ্রহীতাদের ৯২ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। আইইডিসিআর জানায়, গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১২০ জন কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহীতার মধ্যে ভ্যাকসিন নেওয়ার একমাস পর ৯২ শতাংশ ও দুই মাস পর ৯৭ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

[৪] এ ছাড়া সব বয়সের ভ্যাকসিন গ্রহীতার শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। অন্যান্য অসুস্থতা (কো-মরবিডিটি) থাকার বা না থাকার সঙ্গে অ্যান্টিবডির উপস্থিতির তেমন কোনো পার্থক্য দেখা যায়নি। গবেষকরা জানান, বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে কোডিশিল্ড ভ্যাকসিন গ্রহণের পর শরীরে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে।

[৫] চলমান গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই ভ্যাকসিন গ্রহণকারীদের শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে। গবেষণা পরিচালনা প্রসঙ্গে আইইডিসিআর জানায়, বাংলাদেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন (কোভিশিল্ড) দেওয়া শুরু হয়। এরপর থেকে আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআর,বি যৌথভাবে ভ্যাকসিনগ্রহীতাদের রক্তে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে।

[৬] এই গবেষণায় দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৬ হাজার ৩০০ জন ভ্যাকসিন গ্রহণকারীর মধ্যে ভ্যাকসিন গ্রহণের পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে রক্তে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।

[৭] উল্লেখ্য,বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় তৈরি ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হচ্ছে। সারাদেশে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রয়োগ শুরু করা এই ভ্যাকসিন উৎপাদন করেছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট।সম্পাদনা: রাশিদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়