শিরোনাম
◈ মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তৈরি হবে বাংলাদেশেই : প্রধানমন্ত্রী ◈ কিশোর–কিশোরীদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ◈ ‘যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাজি ধরলে পস্তাতে হবে না’ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনার ভেন্যুর শহরে বন্যা, সতর্কতা জারি ◈ দেশের স্বার্থেই কূটনৈতিক সফর, কারও মন জোগাতে নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ দুবাইয়ে আটক বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইতে পাঠানো হয়েছে প্রত্যর্পণ আবেদন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ২১ জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: কূটনীতি ও অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা ◈ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: প্রতিদ্বন্দ্বিতা, কৌশল আর উৎসবের আমেজে জমজমাট এফডিসি ◈ ১৮ ঘণ্টার অভিযানে বাথরুমের ফলস সিলিং থেকে গ্রেপ্তার নায়িকা ববির কথিত স্বামী ◈ নারায়ণগঞ্জে রিসোর্টকাণ্ডের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন মাওলানা মামুনুল হক

প্রকাশিত : ১৪ মে, ২০২১, ০৪:২৫ দুপুর
আপডেট : ১৪ মে, ২০২১, ০৪:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাংলাদেশি নাগরিকদের শরীরে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে: আইইডিসিআর

শাহীন খন্দকার: [২] করোনাভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তিরা ভ্যাকসিন নেওয়ার পর তাদের শরীরে ভ্যাকসিনগ্রহীতা অন্যদের তুলনায় চার গুণ বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

[৩]বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ভ্যাকসিন নেওয়ার একমাস পরই গ্রহীতাদের ৯২ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। আইইডিসিআর জানায়, গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১২০ জন কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহীতার মধ্যে ভ্যাকসিন নেওয়ার একমাস পর ৯২ শতাংশ ও দুই মাস পর ৯৭ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

[৪] এ ছাড়া সব বয়সের ভ্যাকসিন গ্রহীতার শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। অন্যান্য অসুস্থতা (কো-মরবিডিটি) থাকার বা না থাকার সঙ্গে অ্যান্টিবডির উপস্থিতির তেমন কোনো পার্থক্য দেখা যায়নি। গবেষকরা জানান, বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে কোডিশিল্ড ভ্যাকসিন গ্রহণের পর শরীরে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে।

[৫] চলমান গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই ভ্যাকসিন গ্রহণকারীদের শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে। গবেষণা পরিচালনা প্রসঙ্গে আইইডিসিআর জানায়, বাংলাদেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন (কোভিশিল্ড) দেওয়া শুরু হয়। এরপর থেকে আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআর,বি যৌথভাবে ভ্যাকসিনগ্রহীতাদের রক্তে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে।

[৬] এই গবেষণায় দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৬ হাজার ৩০০ জন ভ্যাকসিন গ্রহণকারীর মধ্যে ভ্যাকসিন গ্রহণের পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে রক্তে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।

[৭] উল্লেখ্য,বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় তৈরি ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হচ্ছে। সারাদেশে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রয়োগ শুরু করা এই ভ্যাকসিন উৎপাদন করেছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট।সম্পাদনা: রাশিদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়