শিরোনাম
◈ জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ মেয়ের বিয়ের বাজারের টাকা হারিয়ে ফেললেন বাবা, পেয়ে ফিরিয়ে দিলেন পুলিশ ◈ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি ◈ বিবাহিত দম্পতির ফ্ল্যাটে ‘লিভ ইন সন্দেহে’ বিশ্ববিদ্যালয় ৪ ছাত্রের হামলাচেষ্টা ◈ ছয় মাসে কূটনৈতিক মোড় ঘুরিয়েছে সরকার: মাহদী আমিন ◈ পে-স্কেল নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত শিগগিরই, বাস্তবায়ন এ বছরেই: অর্থমন্ত্রী ◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে হোটেলে আগুন, নিহত ৬ ◈ সৌরবিদ্যুতে চার্জ না দিলে ব্যাটারিচালিত রিকশার রেজিস্ট্রেশন নয়: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ পিএসজি পার‌লো না, দাপু‌টে খে‌লে ফরাসি সুপার কাপ জিতলো দে লাঁস  ◈ টান টান উত্তেনার ফাইনা‌লে দ্য হান্ড্রেডে প্রথম শিরোপা জিতলো ম্যানচেস্টার সুপার

প্রকাশিত : ১৪ মে, ২০২১, ০৪:২৫ দুপুর
আপডেট : ১৪ মে, ২০২১, ০৪:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাংলাদেশি নাগরিকদের শরীরে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে: আইইডিসিআর

শাহীন খন্দকার: [২] করোনাভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তিরা ভ্যাকসিন নেওয়ার পর তাদের শরীরে ভ্যাকসিনগ্রহীতা অন্যদের তুলনায় চার গুণ বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

[৩]বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ভ্যাকসিন নেওয়ার একমাস পরই গ্রহীতাদের ৯২ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। আইইডিসিআর জানায়, গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১২০ জন কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহীতার মধ্যে ভ্যাকসিন নেওয়ার একমাস পর ৯২ শতাংশ ও দুই মাস পর ৯৭ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

[৪] এ ছাড়া সব বয়সের ভ্যাকসিন গ্রহীতার শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। অন্যান্য অসুস্থতা (কো-মরবিডিটি) থাকার বা না থাকার সঙ্গে অ্যান্টিবডির উপস্থিতির তেমন কোনো পার্থক্য দেখা যায়নি। গবেষকরা জানান, বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে কোডিশিল্ড ভ্যাকসিন গ্রহণের পর শরীরে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে।

[৫] চলমান গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই ভ্যাকসিন গ্রহণকারীদের শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে। গবেষণা পরিচালনা প্রসঙ্গে আইইডিসিআর জানায়, বাংলাদেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন (কোভিশিল্ড) দেওয়া শুরু হয়। এরপর থেকে আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআর,বি যৌথভাবে ভ্যাকসিনগ্রহীতাদের রক্তে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে।

[৬] এই গবেষণায় দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৬ হাজার ৩০০ জন ভ্যাকসিন গ্রহণকারীর মধ্যে ভ্যাকসিন গ্রহণের পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে রক্তে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।

[৭] উল্লেখ্য,বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় তৈরি ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হচ্ছে। সারাদেশে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রয়োগ শুরু করা এই ভ্যাকসিন উৎপাদন করেছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট।সম্পাদনা: রাশিদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়