শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ১৪ মে, ২০২১, ০৪:২৫ দুপুর
আপডেট : ১৪ মে, ২০২১, ০৪:২৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাংলাদেশি নাগরিকদের শরীরে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে: আইইডিসিআর

শাহীন খন্দকার: [২] করোনাভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তিরা ভ্যাকসিন নেওয়ার পর তাদের শরীরে ভ্যাকসিনগ্রহীতা অন্যদের তুলনায় চার গুণ বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

[৩]বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ভ্যাকসিন নেওয়ার একমাস পরই গ্রহীতাদের ৯২ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। আইইডিসিআর জানায়, গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১২০ জন কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহীতার মধ্যে ভ্যাকসিন নেওয়ার একমাস পর ৯২ শতাংশ ও দুই মাস পর ৯৭ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

[৪] এ ছাড়া সব বয়সের ভ্যাকসিন গ্রহীতার শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। অন্যান্য অসুস্থতা (কো-মরবিডিটি) থাকার বা না থাকার সঙ্গে অ্যান্টিবডির উপস্থিতির তেমন কোনো পার্থক্য দেখা যায়নি। গবেষকরা জানান, বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে কোডিশিল্ড ভ্যাকসিন গ্রহণের পর শরীরে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে।

[৫] চলমান গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই ভ্যাকসিন গ্রহণকারীদের শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে। গবেষণা পরিচালনা প্রসঙ্গে আইইডিসিআর জানায়, বাংলাদেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন (কোভিশিল্ড) দেওয়া শুরু হয়। এরপর থেকে আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআর,বি যৌথভাবে ভ্যাকসিনগ্রহীতাদের রক্তে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে।

[৬] এই গবেষণায় দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৬ হাজার ৩০০ জন ভ্যাকসিন গ্রহণকারীর মধ্যে ভ্যাকসিন গ্রহণের পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে রক্তে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।

[৭] উল্লেখ্য,বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় তৈরি ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হচ্ছে। সারাদেশে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রয়োগ শুরু করা এই ভ্যাকসিন উৎপাদন করেছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট।সম্পাদনা: রাশিদ

  • সর্বশেষ