প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনার ভারতীয় স্ট্রেইন বাংলাদেশে এসেছে কি না জানতে জিনোম সিকোয়েন্স চলছে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

শিমুল মাহমুদ: [২] সোমবার অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘যারা ভারত থেকে করোনা আক্রান্ত হয়ে আসছেন তাদের নমুনার সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সের জন্য পাঠানো হচ্ছে। জিনোম সিকোয়েন্স করতে কিছু দিন সময় লাগে। এ বিষয়ে রিপোর্ট পাওয়া মাত্রই জানানো হবে।

[৩] এরআগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম জানান, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত যোগাযোগ বন্ধ করা হয়েছে। এটি হয়তো আরও বাড়ানো হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘সীমান্ত বন্ধ থাকার পরও যদি কেউ করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশে আসেন, তাদের শরীরে ভারতের ভ্যারিয়েন্ট আছে কি না সেটা পরীক্ষা করা হবে। সে জন্য নমুনা আইসিডিডিআর বি’তে পাঠানোর জন্য নির্দেশনা দেয়া আছে।

[৪] নাজমুল ইসলাম বলেন, আমাদের টিকার কিছু সংকট রয়েছে। সেই সংকট নিরসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। যদি আমরা সিরামের টিকা না পাই তাহলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শে পরবর্তীতে আমার সিদ্ধান্ত নেব।’ তবে টিকার সংকট দেখা দেয়ার আগেই সিরামের টিকা পাওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

[৫] গণটিকা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে এরই মধ্যে সরকার চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। চলতি মাসের মধ্যে চীন থেকে ৫ লাখ টিকা আসবে। এ সময়ের মধ্যেই রাশিয়া থেকেও ৪০ লাখ টিকা আসবে। যারা প্রথম ডোজ এখন পাননি তাদের টিকা আসার পর টিকা প্রথম ডোজ দেয়া হবে বলে বুলেটিনে জানান নাজমুল ইসলাম।

[৬] সিরাম উৎপাদিত অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম ডোজ ও দ্বিতীয় ডোজের মধ্যে আট সপ্তাহের ব্যবধান থাকলে সেটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। তবে ১২ সপ্তাহ পরেও দেয়া যায় এই টিকা।

[৭] টিকার মজুত সীমিত জানিয়ে নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথম ডোজ নিয়েছে ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৭০৯ জন। গতকাল পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছে ২৯ লাখ ৪০ হাজার ২৪১ জন। সে হিসাবে দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার জন্য আমাদের কাছে খুব কম টিকা আছে।’

[৮] চীন ও রাশিয়ার কাছে থেকে কবে টিকা পাওয়া যাবে সে সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি সরকার। চূড়ান্ত চুক্তিও হয়নি এখনও। এই টিকা দেশে এলে আগে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা হবে। এরপর শুরু হবে গণটিকা।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত