প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বোয়ালমারীতে দুই শত বছরের ঐতিহ্যবাহী সাপ্তাহিক হাট বিলুপ্তির পথে

সনত চক্র:[২] ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ময়না হাটটি আজ দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে স্থানীয়রা বলছেন, মোড়ে মোড়ে ও বিভিন্ন জায়গায় দৈনিক সকাল বিকাল হাট মেলায় কারনে আজ দীর্ঘ ২০০ বছরের ময়না ঐতিহ্য পুরনো হাটটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। বিভিন্ন জায়গায় হাট হওয়ার কারণে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

[৩] জানা যায় গ্রামের কানাই রায় ও চন্দ্র বংশের মাতবর এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ৪৫ শতাংশ ভূমির উপর ময়না হাট প্রতিষ্ঠা করা হয়।তখন থেকে প্রতি সোমবার এবং শুক্রবার সপ্তাহে দুদিন বিকালে হাট বসে থাকে। বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়ন ও গুনবাহ ইউনিয়নের ইউনিয়নের প্রায় ২৫টি গ্রামের সাধারণ মানুষ ওই হাটে হরেক রকমের দ্রব্য বেঁচাকেনা করতো।

[৪] কিন্তু বর্তমান সময়ে কেওয়ার গ্রামের মোড়ে( মান্দার তলা) মধুর বাজার, বর্নি বাজার, চন্দনি বাজার, সৈয়দপুর বাজার,খরসুতি বাজার, ঠাকুরপুর বাজার। এর মধ্যে ঠাকুরপুর বাজার সরকারি ইজারা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই সব বাজারের বিক্রেতারা সাধারণ রাস্তায় দুই পাশে বসে পন্য বিক্রি করে থাকে এতে যানযট তৈরি হয়, এবং মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

[৫] বর্তমানে ময়না হাটে কোন স্থায়ী দোকান নাই । হাটের দিনে দোকানদাররা হাটের মাঝে বা পাশে মালামাল নিয়ে বসে। তেমন কোন ক্রেতা দেখা যায় না। এক সময় এই ময়না হাটে ৪থেকে ৫ হাজার লোকের সমাগম হতো। এখন ২থেকে ৩শত লোক হয়।

[৬] ময়না গ্রামের মুদি ব্যবসায়ী আকবর পরামানিক বলেন, ময়না হাটটি বহু পুরাতন,ছোট বেলায় বহু গ্রামের মানুষ বিভিন্ন পন্য নিয়ে বিক্রি করতে দেখা গেছে। কিন্তু আজ দৈনিক সকাল বিকাল বাজার মেলাতে আজ এই বাজার হারিয়ে যাবার পথে।

[৭] ময়না গ্রামের মিঠুন রাজবংশী বলেন, দৈনিক সকাল -বিকাল বাজার মেলাতে সাধারণ মানুষ যেমন উপকৃত হচ্ছে, তেমনি বাজার সরকারি রাজস্ব আওতায় না আনতে পারলে বড় ধরনের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে,অন্যদিকে ময়না ঐতিহ্যবাহী হাট হারাচ্ছে তার কোলাহল।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত