প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনার কারনে বিশ্বের অনেক বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হলেও চট্টগ্রাম বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালু ছিল

রিয়াজুর রহমান রিয়াজ: [২] : চট্টগ্রাম বন্দর এর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, করোনার কারণে উন্নত বিশ্বের অনেক বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হলেও চট্টগ্রাম বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালু ছিল। কোভিডের প্রথম ঢেউয়ের সময় পণ্য খালাস প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। কিন্তু অল্প সময়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছিল। গত বছরের অভিজ্ঞতা কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা এবং বন্দরের অপারেশন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করছে। চলতি লকডাউনের মধ্যে খালাস স্বাভাবিক রয়েছে। কোন ধরনের জট নেই বন্দরে।

[৩] এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের আমদানি ও রফতানির ৯২ শতাংশেরও বেশি পণ্য ও ৯৮ শতাংশ কনটেইনারজাত পণ্য হ্যান্ডলিং করে থাকে।

[৪] রোববার (২৫ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম. শাহজাহান এসব কথা বলেন।

[৫] এর আগে শনিবার (২৪ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বন্দর ব্যবহারকারী, কর্মকর্তা-কর্মচারী- শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান।

[৬] বিবৃতিতে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, ২০২০ সনে বিশ্বব্যাপী কোভিড পরিস্থিতিতেও এই বন্দর ২৮ লক্ষাধিক কন্টেইনার হ্যান্ডেল করেছে। ২০০৯ সালে প্রথম বারের মত চট্টগ্রাম বন্দর ১০০টি কন্টেইনার পোর্টের তালিকায় ৯৮তম অবস্থান নিয়ে নিজের স্বীকৃতি অর্জণ করে। মাত্র ১১ বছরে ৪০ ধাপ এগিয়ে ২০২০ সাথে চট্টগ্রাম বন্দর ৫৮তম অবস্থানে উন্নীত হয়। চট্টগ্রাম বন্দরের এই অর্জন বর্তমান সরকারের চলমান অর্থনৈতিক উন্নয়নেরই প্রতিফলন। জাতীয় অর্থনীতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ এবং রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম বন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

[৭] তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্ম শতবর্ষে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন স্বল্প-মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রকল্প বাস্তবায়নে বন্দর কর্তৃপক্ষ বদ্ধপরিকর। তাছাড়া একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বন্দরের আধুনিকায়ন, যন্ত্রপাতি সংযোজন এবং সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বে-টার্মিনাল, পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল, মাতারবাড়ী বন্দর নির্মান ও নিউমুরিং ওভার ফ্লো ইয়ার্ড নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প চলমান আছে। ইতিমধ্যে পতেঙ্গাস্থ লালদিয়াচর এলাকায় বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ৫২ একর ভূমি উদ্বার করা হয়েছে। উক্ত এলাকায় বন্দর সুবিধাদি বৃদ্ধির বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নেয়া হচ্ছে।

[৮] চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, গত বছর করোনার সংক্রমণ শুরুর পর চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি-রফতানি উভয় জাহাজ হ্যান্ডলিংই প্রায় একমাস বন্ধ ছিল। এরপর থেকে চলতি বছর পর্যন্ত, এমনকি করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত