শিরোনাম
◈ দেশের সব মেডিকেল কলেজের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ◈ হাদির হত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে ইরান যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প ◈ ঢাকা ওয়াসার এমডির দায়িত্বে অতিরিক্ত সচিব মনিরুজ্জামান ◈ সাড়ে ১২ কেজির এলপি গ্যাসের দাম ৪১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ নৌ-পুলিশের প্রধানসহ ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে ◈ মধ্যরাতে ঢাবি ভিসি চত্বরের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে ছাত্রলীগ করার অভিযোগে শিক্ষার্থীকে মারধর, হাসপাতালে ভর্তি ◈ যুক্তরাষ্ট্রের ২৪৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ নিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক ◈ বাঘায় সিএনজি-ভটভটির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ ◈ মধ‌্যপ্রা‌চ্যে যুদ্ধের ম‌ধ্যেই  সৌদি আরব, কাতার ও পা‌কিস্তান থে‌কে অস্ত্র কিনছে ভারত

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৩২ সকাল
আপডেট : ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৩২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাহবুব মোর্শেদ: দেশে ডাবল মিউট্যান্ট ভাইরাস এলে তা সামাল দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের থাকবে না

মাহবুব মোর্শেদ: ২৮ তারিখের পর লকডাউন হয়তো উঠে যাবে। তার আগে ২৫ তারিখে দোকানপাট খুলবে। ২৫ থেকে ২৮ এই সময়ে গাড়িতে করে কেনাকাটা করতে যাবে মানুষেরা। তারপর গণপরিবহন খুলবে। আন্তঃজেলা যোগাযোগ চালু হবে। মার্কেটে মানুষেরা হুমড়ি খেয়ে পড়বে ঈদের কেনাকাটা করার জন্য। ঈদ করার জন্য বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হবে হাজার হাজার মানুষ। অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। সেটা হয়তো দরকারও।

কিন্তু আজকের ভারতের পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আমাদের একটু সাবধান হওয়া দরকার। এরইমধ্যে খবর এসেছে আমাদের দেশেও সাউথ আফ্রিকান ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে গেছে। ভ্যাকসিনের সংগ্রহ শেষের দিকে। হাসপাতলে জায়গা নেই। আই সি ইউ খালি নেই। আমাদের অল্প সংক্রমণেই এই অবস্থা। ভারতের মতো পরিস্থিতি হলে সেটা সামাল দেওয়ার মতো সামর্থ্য আমাদের নেই। ভারতের চিকিৎসা ব্যবস্থা আমাদের থেকে অনেক ভালো। তবু তাদের নাজুক একটা পরিস্থিতি ফেস করতে হচ্ছে। আমাদের দেশে ডাবল মিউট্যান্ট ভাইরাস এলে তা সামাল দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের থাকবে না। এ অবস্থায় জীবন ও জীবিকা দুটো চালানোর জন্য আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। দেশের লোকদের বাঁচাতে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত অমানবিক হলেও বন্ধ করে দিতে হবে। অফিস-আদালত অর্ধেক লোক দিয়ে চালাতে হবে, যাতে সামাজিক দূরত্ব মেনটেন করা যায়। সরকারিভাবে নির্দেশনা দিতে হবে যেন অফিসগুলোতে কর্মীদের রোটেশন অনুযায়ী একদিন পরপর অফিস করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। বড় মার্কেটগুলোতে ধারণক্ষমতার অর্ধেক মানুষের বেশি ঢুকতে দেওয়া যাবে না।

এক্ষেত্রে নাগরিকদের সতর্ক হতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না। গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন নিশ্চিত করতে হবে। আন্তঃজেলা যোগাযোগের ক্ষেত্রেও অর্ধেক যাত্রী নীতি বহাল রাখতে হবে। ভারতের মতো জরুরি প্রয়োজন হলে অক্সিজেন ও আই সি ইউ ব্যবস্থাপনা কী হবে তা নিয়ে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। লকডাউন তুলে নেওয়া ছাড়া আমাদের সামনে হয়তো আর কোনো অপশন নেই। কিন্তু এরপর যদি সবকিছু আগের মতো চলতে থাকে তবে তার থেকে ভয়াবহ আর কিছছু হবে না। এখন দায়িত্বটা নাগরিকদের ওপর বেশি পড়বে। সতর্ক না থাকলে বড় বিপদ আসবেই। ফেসবুক থেকে শাহিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়