শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ভারতের স্পিকার ◈ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ উপদেষ্টা নিয়োগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে ◈ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন ড. খলিলুর রহমান ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ড. ইউনূসের শুভেচ্ছা বিনিময় ◈ বুধবার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ কানাডাকে হা‌রি‌য়ে বিশ্বকা‌পের সুপার এইটে নিউজিল্যান্ড  ◈ ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় জামায়াতের জয় পশ্চিমবঙ্গে কীভাবে দেখা হচ্ছে? ◈ অন্তর্বর্তী অধ্যায়ের অবসান, দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকার পেল দেশ ◈ নতুন সরকারের পর ড. ইউনূসের গন্তব্য কোথায়—বঙ্গভবন নাকি প্যারিস?

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৩২ সকাল
আপডেট : ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৩২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাহবুব মোর্শেদ: দেশে ডাবল মিউট্যান্ট ভাইরাস এলে তা সামাল দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের থাকবে না

মাহবুব মোর্শেদ: ২৮ তারিখের পর লকডাউন হয়তো উঠে যাবে। তার আগে ২৫ তারিখে দোকানপাট খুলবে। ২৫ থেকে ২৮ এই সময়ে গাড়িতে করে কেনাকাটা করতে যাবে মানুষেরা। তারপর গণপরিবহন খুলবে। আন্তঃজেলা যোগাযোগ চালু হবে। মার্কেটে মানুষেরা হুমড়ি খেয়ে পড়বে ঈদের কেনাকাটা করার জন্য। ঈদ করার জন্য বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হবে হাজার হাজার মানুষ। অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। সেটা হয়তো দরকারও।

কিন্তু আজকের ভারতের পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আমাদের একটু সাবধান হওয়া দরকার। এরইমধ্যে খবর এসেছে আমাদের দেশেও সাউথ আফ্রিকান ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে গেছে। ভ্যাকসিনের সংগ্রহ শেষের দিকে। হাসপাতলে জায়গা নেই। আই সি ইউ খালি নেই। আমাদের অল্প সংক্রমণেই এই অবস্থা। ভারতের মতো পরিস্থিতি হলে সেটা সামাল দেওয়ার মতো সামর্থ্য আমাদের নেই। ভারতের চিকিৎসা ব্যবস্থা আমাদের থেকে অনেক ভালো। তবু তাদের নাজুক একটা পরিস্থিতি ফেস করতে হচ্ছে। আমাদের দেশে ডাবল মিউট্যান্ট ভাইরাস এলে তা সামাল দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের থাকবে না। এ অবস্থায় জীবন ও জীবিকা দুটো চালানোর জন্য আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। দেশের লোকদের বাঁচাতে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত অমানবিক হলেও বন্ধ করে দিতে হবে। অফিস-আদালত অর্ধেক লোক দিয়ে চালাতে হবে, যাতে সামাজিক দূরত্ব মেনটেন করা যায়। সরকারিভাবে নির্দেশনা দিতে হবে যেন অফিসগুলোতে কর্মীদের রোটেশন অনুযায়ী একদিন পরপর অফিস করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। বড় মার্কেটগুলোতে ধারণক্ষমতার অর্ধেক মানুষের বেশি ঢুকতে দেওয়া যাবে না।

এক্ষেত্রে নাগরিকদের সতর্ক হতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না। গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন নিশ্চিত করতে হবে। আন্তঃজেলা যোগাযোগের ক্ষেত্রেও অর্ধেক যাত্রী নীতি বহাল রাখতে হবে। ভারতের মতো জরুরি প্রয়োজন হলে অক্সিজেন ও আই সি ইউ ব্যবস্থাপনা কী হবে তা নিয়ে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। লকডাউন তুলে নেওয়া ছাড়া আমাদের সামনে হয়তো আর কোনো অপশন নেই। কিন্তু এরপর যদি সবকিছু আগের মতো চলতে থাকে তবে তার থেকে ভয়াবহ আর কিছছু হবে না। এখন দায়িত্বটা নাগরিকদের ওপর বেশি পড়বে। সতর্ক না থাকলে বড় বিপদ আসবেই। ফেসবুক থেকে শাহিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়