শিরোনাম
◈ এবারের ঈদে চাঁদাবাজি কমেছে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ◈ ঈদের নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনায়’ জনস্রোত ◈ যেভাবে সঠিক নিয়মে পড়বেন ঈদের নামাজ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র রপ্তানি স্থগিত করল সুইজারল্যান্ড ◈ ইরানবিরোধী অভিযানে মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল যুক্তরাজ্য ◈ তুরস্ক বা ওমানে কোনো হামলা চালায়নি ইরান, এগুলো শত্রুদের সাজানো ঘটনা: মোজতবা খামেনি ◈ পবিত্র আল-আকসায় ঈদের নামাজে আসা মুসল্লিদের ওপর ইসরাইলের হামলা ◈ জ্বালানি তেল ও এলএনজি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলারের নতুন তহবিলে নজর বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৩২ সকাল
আপডেট : ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৩২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাহবুব মোর্শেদ: দেশে ডাবল মিউট্যান্ট ভাইরাস এলে তা সামাল দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের থাকবে না

মাহবুব মোর্শেদ: ২৮ তারিখের পর লকডাউন হয়তো উঠে যাবে। তার আগে ২৫ তারিখে দোকানপাট খুলবে। ২৫ থেকে ২৮ এই সময়ে গাড়িতে করে কেনাকাটা করতে যাবে মানুষেরা। তারপর গণপরিবহন খুলবে। আন্তঃজেলা যোগাযোগ চালু হবে। মার্কেটে মানুষেরা হুমড়ি খেয়ে পড়বে ঈদের কেনাকাটা করার জন্য। ঈদ করার জন্য বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হবে হাজার হাজার মানুষ। অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। সেটা হয়তো দরকারও।

কিন্তু আজকের ভারতের পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আমাদের একটু সাবধান হওয়া দরকার। এরইমধ্যে খবর এসেছে আমাদের দেশেও সাউথ আফ্রিকান ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে গেছে। ভ্যাকসিনের সংগ্রহ শেষের দিকে। হাসপাতলে জায়গা নেই। আই সি ইউ খালি নেই। আমাদের অল্প সংক্রমণেই এই অবস্থা। ভারতের মতো পরিস্থিতি হলে সেটা সামাল দেওয়ার মতো সামর্থ্য আমাদের নেই। ভারতের চিকিৎসা ব্যবস্থা আমাদের থেকে অনেক ভালো। তবু তাদের নাজুক একটা পরিস্থিতি ফেস করতে হচ্ছে। আমাদের দেশে ডাবল মিউট্যান্ট ভাইরাস এলে তা সামাল দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের থাকবে না। এ অবস্থায় জীবন ও জীবিকা দুটো চালানোর জন্য আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। দেশের লোকদের বাঁচাতে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত অমানবিক হলেও বন্ধ করে দিতে হবে। অফিস-আদালত অর্ধেক লোক দিয়ে চালাতে হবে, যাতে সামাজিক দূরত্ব মেনটেন করা যায়। সরকারিভাবে নির্দেশনা দিতে হবে যেন অফিসগুলোতে কর্মীদের রোটেশন অনুযায়ী একদিন পরপর অফিস করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। বড় মার্কেটগুলোতে ধারণক্ষমতার অর্ধেক মানুষের বেশি ঢুকতে দেওয়া যাবে না।

এক্ষেত্রে নাগরিকদের সতর্ক হতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না। গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন নিশ্চিত করতে হবে। আন্তঃজেলা যোগাযোগের ক্ষেত্রেও অর্ধেক যাত্রী নীতি বহাল রাখতে হবে। ভারতের মতো জরুরি প্রয়োজন হলে অক্সিজেন ও আই সি ইউ ব্যবস্থাপনা কী হবে তা নিয়ে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। লকডাউন তুলে নেওয়া ছাড়া আমাদের সামনে হয়তো আর কোনো অপশন নেই। কিন্তু এরপর যদি সবকিছু আগের মতো চলতে থাকে তবে তার থেকে ভয়াবহ আর কিছছু হবে না। এখন দায়িত্বটা নাগরিকদের ওপর বেশি পড়বে। সতর্ক না থাকলে বড় বিপদ আসবেই। ফেসবুক থেকে শাহিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়