প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ইংল্যান্ডের ছয় ক্লাবকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সাধুবাদ

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] ইউরোপিয়ান সুপার লিগ থেক ৬ ক্লাব সরে আসায় বুধবার (২১ এপ্রিল) নিজের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে টুইট করে এই প্রতিক্রিয়ার কথা জানান তিনি।

[৩] এদিকে, ইংলিশ ক্লাবগুলো সরে আসা মানেই ঝড় থেমে যাওয়া নয়। বরং তাদের ওপর নজরদারীর তাগিদ দিয়েছেন ব্রিটেনের সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব অলিভার বওডেন।

[৪] সুপার লিগের যে ঝড় উঠেছিল ইউরোপজুড়ে, সেই তাÐব আপাতত শান্ত ইংল্যান্ডে। বিতর্কিত এই লিগে অংশ নেয়ার ঘোষণা দেবার পর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা না পেরুতেই সিদ্ধান্ত বদল করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি চেলসিসহ ছয় ক্লাব। সুপার লিগ বয়কটের ঘোষণা এসেছে ইতালি ও স্পেন থেকেও।

[৫] সুপার লিগ মাঠে গড়ালে ফুটবলে একটা মেরুকরণ হত এটা বলা যায় নিশ্চিতভাবেই। আর তাই ক্লাবগুলোর এমন সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি ভক্তরা। একই পথে হেঁটেছে ইংলিশ প্রশাসনও। সম্মিলিত চাপে অনেকটা বাধ্য হয়েই পিছু হটেছে সংস্কার বাদীরা। দ্রæততম সময়ে আসা এই সিদ্ধান্তকে তাই সাধুবাদ জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

[৬] প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, আমি সবাইকে সাধুবাদ জানাই। কারণ এটা একটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ছিল। সেটা বুঝে ক্লাবগুলো যে দ্রæততম সময়ের মধ্যে ফিরে এসেছে এটা ফুটবলের জন্যই ভালো। আমি আশা করব ভবিষ্যতে সবাই এক হয়ে কাজ করবে। তাহলেই ফুটবলটা আরও এগিয়ে যাবে। – সময়নিউজ/ দ্য সান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত