শিরোনাম
◈ ‘খেলার মাঠে রাজনীতি নয়’: বাংলাদেশের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করেছি : পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ◈ নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের তাণ্ডব: এক গ্রামেই ১৬২ জনকে হত্যা, পুড়িয়ে দেওয়া হলো রাজপ্রাসাদ ◈ জরিপ: আওয়ামী লীগের ৪৮ শতাংশ ভোটার এবার বিএনপির পক্ষে, ৯০ শতাংশের ভোট দেওয়ার আগ্রহ ◈ কেন দেশে ফিরছেন না আ.লীগ নেতারা জানালেন সাদ্দাম ◈ বিদ্রোহীতে ক্লান্ত ধানের শীষ প্রার্থীরা, আলোচনায় বসতে পারেন তারেক ◈ ‌ক্রিকেটার জাহানারার আনা যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে স্বাধীন তদন্ত কমিটি ◈ মিরসরাই বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে কোরিয়া–চীনের ১,২০০ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সাড়ে ১২ হাজার ◈ মাত্র ২১ দিনের মধ্যে প্রচারণা আমার রাজনৈতিক জীবনে প্রথম অভিজ্ঞতা: মির্জা আব্বাস ◈ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নীতি: রফতানি বাজার হারানোর ঝুঁকিতে বাংলাদেশের পোশাক খাত ◈ জামায়াতের ৪১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:১৮ রাত
আপডেট : ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:১৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাজনীন আহমেদ: লকডাউন ধনী-বান্ধব, দরিদ্রবান্ধব নয়

নাজনীন আহমেদ: আমার এই কথাগুলো হয়তো অনেকের পছন্দ হবে না, তাও বললাম। করোনার প্রাদুর্ভাবে মৃত্যুর হার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। বাকি ৮৫ শতাংশ সুস্থ হয়ে যাবে কিন্তু দারিদ্র্যের কষাঘাতে অপুষ্টির শিকার হলে ধুকে ধুকে মরতে হবে অনেককে। লকডাউনে সচ্ছল ধনী মানুষ তার বড় বাসায় সোশ্যাল ডিসটেন্স মানতে পারে, কিন্তু ঝুপড়ি ঘরে থাকা মানুষগুলো লকডাউনে একে অন্যের সঙ্গে গাদাগাদি করে থাকতে বাধ্য হয় দিনের বেশিরভাগ সময়। লকডাউন দিলে মৃত্যু ঝুঁকি কমানোর শান্তিতে থাকে সচ্ছল মানুষ। কিন্তু ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভোগা মানুষদের জন্য লকডাউন কোনো শান্তির বার্তা আনে না। বরং তারা করোনার ঝুঁকি নিতে রাজি, কিন্তু আশু ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভুগতে রাজি নয়।

লকডাউনে কল কারখানা খোলা রাখার অনুমতি যারা নিতে পেরেছে তারাই আবার প্রণোদনার অর্থ বেশি আদায় করতে পেরেছে। আর লকডাউনে যাদের কলকারখানা বন্ধ রাখতে হয়েছে তাদের বেশিরভাগই বঞ্চিত হয়েছে কোনো রকম প্রণোদনা পেতে। ধনী দেশগুলোর পক্ষে লকডাউন কার্যকর করা সম্ভব, কিন্তু স্বল্পআয়ের দেশে লকডাউন কার্যকর করা কঠিন। তাই স্বল্পোন্নত দেশে লকডাউন দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো যাবে না। করোনার কারণে শিক্ষায় যে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য তৈরি হয়েছে তাতে ভবিষ্যৎ আয়-বৈষম্য আরও বাড়তে পারে। লকডাউন ধনী-বান্ধব, দরিদ্রবান্ধব নয়। সরাসরি খাদ্য সহায়তা দিয়ে অতি দরিদ্রদের হয়তো বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব কিন্তু ছোট ছোট শিল্প উদ্যোগগুলো ধ্বংস হলে সেগুলো আবার গড়ে তোলা মুশকিল। জীবন-জীবিকার সমন্বয়ে বাঁচতে হলে ভাবতে হবে, এখনই নিতে হবে অন্তত এক বছরের সার্বিক পরিকল্পনা। নয়তো বারবার লকডাউনের অপচয়ে পড়ে অর্থনৈতিক ক্ষতির বোঝা বাড়বে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়