শিরোনাম
◈ পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা আমাদের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দেশ ফুটবল লি‌গে আরামবাগ‌কে হারা‌লো মোহামেডান ◈ গভীর সমুদ্রের সম্পদ দখলে নতুন কৌশলগত লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন! ◈ মোদীর জন্য দু:স্বপ্ন! নিজেকেই কোণঠাসা করল ভারত, ১৫ বছরের অমীমাংসিত সমস্যা চীনের হাতে তুলে দিল বাংলাদেশ ◈ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিজয় ভারতীয় গণতন্ত্রের অবক্ষয়কে সামনে আনলো ◈ ব্রু‌নো ফার্নান্দেজ বর্ষসেরা ফুটবলার ◈ পুলিশ সপ্তাহ শুরু রোববার, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতির বিদেশযাত্রায় বিমানবন্দর প্রটোকলে নতুন নিয়ম, ১৩ জনের বদলে থাকবেন মাত্র ৭ কর্মকর্তা ◈ দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না: তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৯ শিশুর

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:১৮ রাত
আপডেট : ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:১৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাজনীন আহমেদ: লকডাউন ধনী-বান্ধব, দরিদ্রবান্ধব নয়

নাজনীন আহমেদ: আমার এই কথাগুলো হয়তো অনেকের পছন্দ হবে না, তাও বললাম। করোনার প্রাদুর্ভাবে মৃত্যুর হার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। বাকি ৮৫ শতাংশ সুস্থ হয়ে যাবে কিন্তু দারিদ্র্যের কষাঘাতে অপুষ্টির শিকার হলে ধুকে ধুকে মরতে হবে অনেককে। লকডাউনে সচ্ছল ধনী মানুষ তার বড় বাসায় সোশ্যাল ডিসটেন্স মানতে পারে, কিন্তু ঝুপড়ি ঘরে থাকা মানুষগুলো লকডাউনে একে অন্যের সঙ্গে গাদাগাদি করে থাকতে বাধ্য হয় দিনের বেশিরভাগ সময়। লকডাউন দিলে মৃত্যু ঝুঁকি কমানোর শান্তিতে থাকে সচ্ছল মানুষ। কিন্তু ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভোগা মানুষদের জন্য লকডাউন কোনো শান্তির বার্তা আনে না। বরং তারা করোনার ঝুঁকি নিতে রাজি, কিন্তু আশু ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভুগতে রাজি নয়।

লকডাউনে কল কারখানা খোলা রাখার অনুমতি যারা নিতে পেরেছে তারাই আবার প্রণোদনার অর্থ বেশি আদায় করতে পেরেছে। আর লকডাউনে যাদের কলকারখানা বন্ধ রাখতে হয়েছে তাদের বেশিরভাগই বঞ্চিত হয়েছে কোনো রকম প্রণোদনা পেতে। ধনী দেশগুলোর পক্ষে লকডাউন কার্যকর করা সম্ভব, কিন্তু স্বল্পআয়ের দেশে লকডাউন কার্যকর করা কঠিন। তাই স্বল্পোন্নত দেশে লকডাউন দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো যাবে না। করোনার কারণে শিক্ষায় যে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য তৈরি হয়েছে তাতে ভবিষ্যৎ আয়-বৈষম্য আরও বাড়তে পারে। লকডাউন ধনী-বান্ধব, দরিদ্রবান্ধব নয়। সরাসরি খাদ্য সহায়তা দিয়ে অতি দরিদ্রদের হয়তো বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব কিন্তু ছোট ছোট শিল্প উদ্যোগগুলো ধ্বংস হলে সেগুলো আবার গড়ে তোলা মুশকিল। জীবন-জীবিকার সমন্বয়ে বাঁচতে হলে ভাবতে হবে, এখনই নিতে হবে অন্তত এক বছরের সার্বিক পরিকল্পনা। নয়তো বারবার লকডাউনের অপচয়ে পড়ে অর্থনৈতিক ক্ষতির বোঝা বাড়বে। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়