শিরোনাম
◈ শুধু ট্রাম্পই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন: জাপানের প্রধানমন্ত্রী ◈ ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানের সাউথ পার্সে আর হামলা নয়: নেতানিয়াহু ◈ কাতারের এলএনজি স্থাপনায় ক্ষতি: বিদ্যুৎ সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশসহ তিন দেশ ◈ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের খবর সঠিক নয়: প্রেস উইং ◈ মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে আইএমও’র বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশ ◈ ইসরায়েলের শোধনাগারে আগুন, ইরানের হামলায় জ্বালানি স্থাপনায় নতুন শঙ্কা ◈ হামলা-পাল্টা হামলায় কাঁপছে জ্বালানি বাজার, তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়াল ◈ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের এলএনজি উৎপাদনের ১৭% ধ্বংস, পুনরুদ্ধারে লাগবে ৫ বছর ◈ পাকিস্তানের দীর্ঘ-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি: মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা প্রধান ◈ প্রধানমন্ত্রীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিলেন নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৩৩ দুপুর
আপডেট : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৩৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রেমডেসিভির, অক্সিজেন, বেড সঙ্কট, মুম্বইয়ে কাঁদলেন এক চিকিৎসক

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনার ভয়াবহতায় নিজেকে সংবরণ করতে পারলেন না ভারতের মুম্বইয়ের এক ড. তৃপ্তি গিলাড়া। নিজেদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লেন। কারণ, মুম্বইতে এখন হাসপাতালে বেড সঙ্কট দেখা দিয়েছে। তিনি জানালেন জীবন রক্ষাকারী অতি গুরুত্বপূর্ণ রেমডেসিভিরের মতো ওষুধের মারাত্বক সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ঘাটতি পড়েছে টিকায়। অক্সিজেন সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে কান্নাজড়িত কন্ঠে তিনি বলেন, আমরা অসহায়। এমন পরিস্থিতি এর আগে কখনো দেখিনি।

মানুষের মাঝে সারাক্ষণ ভীতি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। উল্লেখ্য, বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহরগুলোর মধ্যে মুম্বই অন্যতম। সেখানে হাসপাতালগুলোতে করোনা পজেটিভ রোগী যাচ্ছেন হিমবাহের চাকের মতো। এর ফলে হাসপাতাল বা ক্লিনিকগুলোর ধারণ ক্ষমতা মারাত্মক হুমকিতে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করেন ড. তৃপ্তি গিলাড়া। তিনি সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ। মঙ্গলবার তিনি নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।

জানিয়েছেন হাসপাতালে কিভাবে ভয়ানকভাবে বেড সঙ্কট বাড়ছে। তার ভাষায়- যে পরিস্থিতি চলছে এমনটা এর আগে কখনো আমরা দেখিনি। খুব অসহায় আমরা। অন্য অনেক চিকিৎসকের মতোই আমিও হতাশাগ্রস্ত। ৫ মিনিটের ভিডিওতে তিনি বলেন, কি করতে হবে কিছুই জানি না। আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। কি ঘটনায় আমি এতটা উদ্বিগ্ন, যদি আপনাকে বোঝাতে পারি, তাহলে কিছুটা শান্তি পাবো। আমাদেরকে প্রচুর পরিমাণ রোগীর ব্যবস্থাপনা করতে হয়। মারাত্মক অসুস্থ রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বাসায় রেখে। এর কারণ, হাসপাতালে বেড নেই। এসব ব্যাপারকে তো আমরা উপভোগ করতে পারি না। বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়