শিরোনাম
◈ জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোট নিয়ে ১০১ আলেমের তিন আপত্তি ◈ বিটিআরসি কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় আটক ২৮ ◈ মানবাধিকার সংগঠনের চোখে বাংলাদেশে 'মব সন্ত্রাস' উদ্বেগজনক, থামছে না কেন ◈ দেশের স্বার্থে বিএনপি-জামায়াত একসাথে কাজ করবে: জামায়াত আমির  (ভিডিও) ◈ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলা‌দে‌শে আসা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হলো না কেন? ◈ নেতৃত্ব বদলালেও সার্কের স্বপ্ন শেষ হয়নি: প্রধান উপদেষ্টা ◈ তারেক রহমানের সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ ◈ তারেক রহমানের সাথে ডাকসু ভিপির সাক্ষাৎ, রাজনীতিতে নিজেদের মধ্যে ভিন্নতা বা বিভাজন থাকাটা গণতান্ত্রিক সৌন্দর্য ◈ বিমানের রেকর্ড মুনাফা: আয় ১১ হাজার কোটি ছাড়াল, লাভ বেড়েছে ১৭৮ শতাংশ ◈ বিটিআরসি ভবনে হামলা, আটক ৩০

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৩৩ দুপুর
আপডেট : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৩৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রেমডেসিভির, অক্সিজেন, বেড সঙ্কট, মুম্বইয়ে কাঁদলেন এক চিকিৎসক

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনার ভয়াবহতায় নিজেকে সংবরণ করতে পারলেন না ভারতের মুম্বইয়ের এক ড. তৃপ্তি গিলাড়া। নিজেদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লেন। কারণ, মুম্বইতে এখন হাসপাতালে বেড সঙ্কট দেখা দিয়েছে। তিনি জানালেন জীবন রক্ষাকারী অতি গুরুত্বপূর্ণ রেমডেসিভিরের মতো ওষুধের মারাত্বক সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ঘাটতি পড়েছে টিকায়। অক্সিজেন সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে কান্নাজড়িত কন্ঠে তিনি বলেন, আমরা অসহায়। এমন পরিস্থিতি এর আগে কখনো দেখিনি।

মানুষের মাঝে সারাক্ষণ ভীতি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। উল্লেখ্য, বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহরগুলোর মধ্যে মুম্বই অন্যতম। সেখানে হাসপাতালগুলোতে করোনা পজেটিভ রোগী যাচ্ছেন হিমবাহের চাকের মতো। এর ফলে হাসপাতাল বা ক্লিনিকগুলোর ধারণ ক্ষমতা মারাত্মক হুমকিতে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করেন ড. তৃপ্তি গিলাড়া। তিনি সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ। মঙ্গলবার তিনি নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।

জানিয়েছেন হাসপাতালে কিভাবে ভয়ানকভাবে বেড সঙ্কট বাড়ছে। তার ভাষায়- যে পরিস্থিতি চলছে এমনটা এর আগে কখনো আমরা দেখিনি। খুব অসহায় আমরা। অন্য অনেক চিকিৎসকের মতোই আমিও হতাশাগ্রস্ত। ৫ মিনিটের ভিডিওতে তিনি বলেন, কি করতে হবে কিছুই জানি না। আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। কি ঘটনায় আমি এতটা উদ্বিগ্ন, যদি আপনাকে বোঝাতে পারি, তাহলে কিছুটা শান্তি পাবো। আমাদেরকে প্রচুর পরিমাণ রোগীর ব্যবস্থাপনা করতে হয়। মারাত্মক অসুস্থ রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বাসায় রেখে। এর কারণ, হাসপাতালে বেড নেই। এসব ব্যাপারকে তো আমরা উপভোগ করতে পারি না। বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়