শিরোনাম
◈ ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ, সহিংসতা - হাসপাতালে 'লাশের স্তুপ', চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা  ◈ প‌্যারাগু‌য়ের কারাগারে আন‌ন্দেই কা‌টি‌য়ে‌ছেন, অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর‌লেন ব্রা‌জি‌লিয়ান রোনালদিনহো ◈ গণভোটে সরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইতে আইনগত বাধা নেই: প্রধান উপদেষ্টা ◈ আইসিসিকে নতুন শর্ত দিয়েছে বিসিবি ◈ বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় আবারও বাংলাদেশি ড. সাইদুর রহমান ◈ বাসায় ডেকে নবম শ্রেণির ২ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ◈ জাপা-এনডিএফ প্রার্থীদের প্রার্থীতা কেন অবৈধ নয়: ইসির কাছে হাইকোর্টের ব্যাখ্যা তলব ◈ সশস্ত্র বাহিনীসহ ১৬ সংস্থার সঙ্গে বৈঠক ইসির ◈ ইরানে বিক্ষোভে রক্তপাত বাড়ছে, হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ◈ ‘সোমালিল্যান্ড’ ইস্যুতে ইসরায়েলের পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের আহ্বান, ওআইসিতে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৪৬ সকাল
আপডেট : ২০ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৪৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সানাউল্লাহ লাবলু: এলিফ্যান্ট রোডের চিকিৎসক এবং ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশের ঘটনা থেকে কী শিখলাম?

সানাউল্লাহ লাবলু: [১] বাসা বা কর্মস্থল থেকে বেরুনোর সময় অবশ্যই আইডি কার্ড সঙ্গে রাখবো। কারণ এখন স্বাভাবিক অবস্থা নয়। একটা অতিমারীর জন্য জরুরি অবস্থা চলছে। গত সোয়া ১ বছরে বিশ্বে ৩০ লাখের বেশি মানুষকে আমরা হারিয়েছি। জরুরি কাজে আমি যুক্ত বা ফ্রন্টলাইনার, এটা কোনো অজুহাত নয়। [২] ভুলে যদি আইডি কার্ড ছাড়া বের হই, রাস্তায় জিজ্ঞাসাবাদে বিনীত থাকবো। বলবো, দুঃখিত ভুল হয়ে গেছে। সরি বললে ছোট হয়ে যাবো না। ভুলের দায় আমার। যিনি আমার পরিচয় নিশ্চিত হতে চাইছেন, এটা তারও দায়িত্ব, কর্তব্য। [৩] মনে রাখবো, নিজের যোগ্যতায় আমি কাজে, এই লকডাউনে বের হয়েছি। বাবা, দাদা বা স্বজনদের পরিচয়ে বের হইনি। বিপদে পড়লে, ভুল করলে তাদের ব্যবহার করা অন্যায়, অযৌক্তিক হবে। এটা আমার দুর্বলতার প্রকাশ মাত্র।

[৪] ইউনিফর্ম আমার ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব। যারা স্বীকৃত কাজে বের হন, তারা বাধ্য হয়েই বের হন বা কর্তব্যের দায়ে বের হন। তাদের সাহায্য করার জন্যই আমাকে নিয়োগ করা হয়েছে। [৫] রাস্তায় যেই থাকুন না কেন, গালি দিলেও মেজাজ হারানো চলবে না। কারণ আমার পেশা মানুষের পাশে থাকা। [৬] মেজাজ হারানো মানে হেরে যাওয়া। পরাজিত, ভীতুরা অন্যের প্রতি চিৎকার করে, মেজাজ হারায়। সাহসী, সৎ মানুষ অন্যের প্রতি সংবেদনশীল হয়। [৬] রাস্তায়, বাসায় বা কর্মস্থলে কোনো নারীর সঙ্গে অসদাচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এক্ষেত্রে যেকোনো তর্ক-বিতর্ক আমার বিরুদ্ধে যাবে। [৭] এমন কোনো কথা বলবো না বা আচরণ করবো না, যার জন্য পরে অনুতপ্ত হতে হয় কিম্বা ক্ষমা চাইতে হয়। যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা জানতে হবে, শিখতে হবে। কোনোভাবে মেজাজ হারানো চলবে না। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়