শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:১৬ বিকাল
আপডেট : ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:১৬ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনা সংক্রমণে গত বছরের চেয়ে এবছর নারীরা অধিক হারে মারা যাচ্ছেন: আইইডিসিআর

শাহীন খন্দকার: [২] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য পর্যালোচনায় উঠে এসেছে এতথ্য। আইইডিসিআর জানিয়েছে, গত বছরের জুলাই মাসে করোনায় মৃত্যুহার সর্বোচ্চ ছিল। ওই মাসে ২২৬ জন নারীর বিপরীতে ৯৮২ জন পুরুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মারা যান। আর এ বছরের এপ্রিলে এসে দেখা যাচ্ছে, নারী ২৬০ জন নারীর বিপরীতে ৬১৪ জন পুরুষের করোনায় মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ নারীরা গত বছরের চেয়ে এ বছর অধিক হারে মারা যাচ্ছেন।

[৩] আইইডিসিআর বলছে, করোনাভাইরাস রোগের তীব্রতা আরও বেড়েছে । কোভিড-১৯ রোগীরা খুব দ্রুত মারা যাচ্ছেন। শনিবার রাতে আইইডিসিআর এক বুলেটিনে এসব তথ্য জানিয়েছে। আইইডিসিআরের তথ্য বলছে, কোভিড-১৯ মহামারিতে গেল মার্চে মৃতের সংখ্যা ছিল ৬৩৮, যা এপ্রিলের প্রথম ১৫ দিনে এসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪১। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ।

[৪] হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মৃত্যু পর্যালোচনা করে আইইডিসিআর বলছে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মধ্যে ৫২ শতাংশ উপসর্গ শুরুর ৫ দিনের মাথায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ২৬ শতাংশ উপসর্গ শুরুর ১০ দিনের মাথায় হাসপাতালে ভর্তি হন। আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে উপসর্গ শুরুর ১১ থেকে ১৫ দিনের মাথায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১২ শতাংশ।

[৫] ১৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে তথ্য পর্যালোচনা করে আইইডিসিআর পেয়েছে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির হার ৪৪ শতাংশ। এই সময়ে আক্রান্ত রোগীদের প্রায় বড় অংশ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

[৬] বাকি (৩৩ শতাংশ) প্রাতিষ্ঠানিক বা হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতালে করোনায় মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর পাঁচ দিনের মধ্যে মারা গেছেন। আর ৫ থেকে ১০ দিনের ভেতরে মারা গেছেন ১৬ শতাংশ।

  • সর্বশেষ