শিরোনাম
◈ ভারতের কাছ থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্তর্জাতিক আইন মানবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ আওয়ামী লীগের বিচার ও ক্ষমা প্রার্থনা ছাড়া কি সম্ভব ‘রিকনসিলিয়েশন’? যা বললেন বিশেষজ্ঞরা ◈ ৭ মাসে ৩২ কূপ খনন, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস; ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০ কূপের লক্ষ্য ◈ জেলখানায় গণ্ডগোলের ছকে আ.লীগ, শেখ হাসিনাকে নিয়ে নতুন গোলমালে দিল্লি ◈ স্ক্যামার নাকি ভিকটিম? 'স্ক্যাম সিটি'র অন্ধকার দুনিয়া, মিয়ানমারের সাইবার ক্রীতদাসদের গল্প (ভিডিও) ◈ ৩৫ টাকায় সিনেমার পোস্টার আঁকা থেকে জাতীয় পুরস্কার, আয়ের ৯০ শতাংশ দান: সাদাসিধে জীবনযাপনে নানা পাটেকরের বিদায় ◈ ভারতে চলমান আন্দোলনে সরাসরি মাঠে নামছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি (ভিডিও) ◈ ক‌ঠিন শ‌র্তে ৩৩০ কো‌টি ডলার বি‌দে‌শি ঋণ নি‌চ্ছে সরকার ◈ মারা গে‌ছেন বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকর ◈ ফ্রান্সে ভয়াবহ ছাত্র বিক্ষোভের ম‌ধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন, দেশ দখল করতে চাইছে ইসলাম

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:২৩ বিকাল
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:২৩ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনা মহামারিতে দরিদ্রের তালিকায় যুক্ত হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ, চাকরি হারিয়েছেন ৩ শতাংশ শ্রমিক

শরীফ শাওন: [২] সিপিডি ও বিলসের যৌথ গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রমনির্ভর দরিদ্র এ দেশে করোনার অতিমহামারিতে দারিদ্রের হার ক্রমশ বেড়ে ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৩ শতাংশ হয়েছে। দ্বিতীয় ঢেউয়ে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শহর অঞ্চলের ৬৯ শতাংশ কর্মজীবী মানুষ।

[৩] বিশ্ব ব্যাংকের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এসময়ে মানুষের আয় কমেছে ৩৭ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকায় ৪২ এবং চট্টগ্রামে ৩৩ শতাংশ। বেতননির্ভর মানুষের আয় কমেছে ৪৯ শতাংশ।

[৪] শনিবার ওয়েবিনারে সিপিডির গবেষণা বিষয়ক পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম জানান, শহর অঞ্চলে ইনফরমাল ইকোনোমি থেকে ৬.৭৮ শতাংশ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছে। উচ্চ পর্যায়ে চাকরি হারিয়েছে ১ কোটি ১১ লাখ থেকে ২ কোটি ৫ লাখ মানুষ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাকরি হারিয়েছেন এসএমই ও ইনফরমাল সেক্টর থেকে।

[৫] এশিয়া ফাউন্ডেশনের তথ্য অনযায়ী, ৫০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন।

[৬] সিপিডি বলছে, কম আয়ের শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি আর্থিক জটিলতায় পড়েছেন। বিলসের দেয়া তথ্য মতে, খাদ্য খরচ কমাতে বাধ্য হয়েছেন শহরের ৩২ শতাংশ ৮৭ শতাংশ বস্তিবাসী।

[৭] প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনার কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে দেশীয় শিল্প, নির্মাণ, পরিবহন, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের ব্যবসা, খাদ্য ও ব্যক্তিগত সেবা। মধ্যম পর্যায়ে ঝুঁকিতে আর্থিক খাত, অভ্যন্তরীণ পরিষেবা, আবাসন ও শিক্ষা খাত। এছাড়া কম ঝুঁকিতে কৃষি, স্বাস্থ্য, তথ্য ও যোগাযোগ খাত।

 

  • সর্বশেষ