শিরোনাম
◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক, তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি ◈ জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন উদ্যোক্তারা, উৎপাদনক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৬০০ মেগাওয়াট ◈ পোশাকের বৈশ্বিক বাজার বদলাচ্ছে, তাল মেলাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে ◈ স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভূমিধসে নিহত অন্তত ১৬০, নিখোঁজ ৮ শতাধিক ◈ ১৯ বছর ধরে পালাতক ‘পিচ্চি হান্নানের’ সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’ গ্রেপ্তার ◈ নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শোক, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:২৩ বিকাল
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:২৩ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনা মহামারিতে দরিদ্রের তালিকায় যুক্ত হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ, চাকরি হারিয়েছেন ৩ শতাংশ শ্রমিক

শরীফ শাওন: [২] সিপিডি ও বিলসের যৌথ গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রমনির্ভর দরিদ্র এ দেশে করোনার অতিমহামারিতে দারিদ্রের হার ক্রমশ বেড়ে ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৩ শতাংশ হয়েছে। দ্বিতীয় ঢেউয়ে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শহর অঞ্চলের ৬৯ শতাংশ কর্মজীবী মানুষ।

[৩] বিশ্ব ব্যাংকের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এসময়ে মানুষের আয় কমেছে ৩৭ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকায় ৪২ এবং চট্টগ্রামে ৩৩ শতাংশ। বেতননির্ভর মানুষের আয় কমেছে ৪৯ শতাংশ।

[৪] শনিবার ওয়েবিনারে সিপিডির গবেষণা বিষয়ক পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম জানান, শহর অঞ্চলে ইনফরমাল ইকোনোমি থেকে ৬.৭৮ শতাংশ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছে। উচ্চ পর্যায়ে চাকরি হারিয়েছে ১ কোটি ১১ লাখ থেকে ২ কোটি ৫ লাখ মানুষ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাকরি হারিয়েছেন এসএমই ও ইনফরমাল সেক্টর থেকে।

[৫] এশিয়া ফাউন্ডেশনের তথ্য অনযায়ী, ৫০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন।

[৬] সিপিডি বলছে, কম আয়ের শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি আর্থিক জটিলতায় পড়েছেন। বিলসের দেয়া তথ্য মতে, খাদ্য খরচ কমাতে বাধ্য হয়েছেন শহরের ৩২ শতাংশ ৮৭ শতাংশ বস্তিবাসী।

[৭] প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনার কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে দেশীয় শিল্প, নির্মাণ, পরিবহন, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের ব্যবসা, খাদ্য ও ব্যক্তিগত সেবা। মধ্যম পর্যায়ে ঝুঁকিতে আর্থিক খাত, অভ্যন্তরীণ পরিষেবা, আবাসন ও শিক্ষা খাত। এছাড়া কম ঝুঁকিতে কৃষি, স্বাস্থ্য, তথ্য ও যোগাযোগ খাত।

 

  • সর্বশেষ