শিরোনাম
◈ ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি ডেমোক্র্যাটদের হুঁশিয়ারি: ইরান ইস্যুতে আইন হাতে তুলে নেবেন না ◈ প্রথমবারের মতো সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন তারেক রহমান ◈ ৯ মন্ত্রী-উপদেষ্টা-প্রতিমন্ত্রীর এপিএস হলেন যারা ◈ নীরব জোনে তীব্র শব্দসন্ত্রাস: শাহবাগসহ ঢাকাজুড়ে বাড়ছে শব্দদূষণ, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য ◈ ঢাকা উত্তর-দক্ষিণসহ ৬ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ করেছে সরকার ◈ তাজুল ইসলামকে সরিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম ◈ কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ? যা জানাগেল ◈ ৪৫ হাজার কোটি টাকা বিদ্যুতে  বকেয়া, দেউলিয়া পরিস্থিতি বলছেন নতুন মন্ত্রী ◈ চাঙ্গা হচ্ছে কূটনৈতিক মিশনগুলো ◈ বিশ্বকাপে অ‌স্ট্রেলিয়ার ভরাডুবিতে নির্বাচকদের ওপর চটলেন গ্লেন ম্যাকগ্রা ও মার্ক ওয়াহ 

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ১২:২৭ দুপুর
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:০২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কবরী

ইমরুল শাহেদ: ষাট ও সত্তর দশকের কিংবদন্তী অভিনেত্রী মিষ্টি মেয়ে কবরী (১৯৫০-২০২১)  কোভিডাক্রান্ত হয়ে মহাখালী শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের আইসিইউতে রাত সাড়ে ১২টায় মারা গেছেন। কবরীর ছেলে শাকের চিশতী বলেছেন, দুপুর ১টা নাগাদ তাকে বাসায় আনা হয় এবং সাধারণ মানুষের দেখার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। বাদ জোহর গার্ড অব অনারসহ জানাজার পর তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

কবরীর সর্বশেষ পরিচালিত ‘এই তুমি সেই তুমি’ ছবির প্রধান সহকারী জানিয়েছেন, তার পাঁচ ছেলের মধ্যে তিন জন থাকেন বিদেশে। প্রথম জন যুক্তরাষ্ট্র, দ্বিতীয় জন থাকেন দুবাই। তৃতীয় জন সম্ভবত কানাডা। তবে দ্বিতীয় ছেলে কিছুদিন আগে করোনা আক্রান্ত হলে রাত জেগে জেগে তার খোঁজ-খবর রাখতে গিয়ে তিনি নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সেই সময়ে করোনা পজিটিভও ধরা পড়ে। তিনি জানান, যেহেতু আন্তর্জাতিক সব ফ্লাইট বন্ধ সেহেতু তাকে দাফনের প্রবাসে থাকা ছেলেদের জন্য অপেক্ষা করা হবে না। কবরী শুধু একজন অভিনেত্রীই নন, তিনি একাধারে চলচ্চিত্র পরিচালক ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে তার নির্মাণাধীন ছবিটির নাম ‘এই তুমি সেই তুমি’। এর আগে তিনি পরিচালনা করেছেন ‘আয়না’ ছবিটি।

তিনি চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলায় ১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তার বয়স ৭১ বছর। তার আসল নাম মিনা পাল। তার পিতার নাম শ্রীকৃঞ্চ দাস পাল। পরে তিনি নাম পরিবর্তন করে হন সারাহ বেগম কবরী। জন্ম বোয়ালখালীতে হলেও তার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে চট্টগ্রাম শহরে। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে আবির্ভূত হন। তার পরের বছরই অর্থাৎ ১৯৬৪ সালে তিনি যুক্ত হন সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘সুতরাং’ ছবির সঙ্গে। ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত তিনি ৪০টির মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে হীরামন, ময়নামতি, চোরাবালি, সাত ভাই চম্পা, পারুলের সংসার, বিনিময়, আগন্তুক, রংবাজ, সারেং বৌ, সুজনসখী, দেবদাস, মাসুদ রানাসহ জহির রায়হানের তৈরি উর্দু ছবি ‘বাহানা' এবং ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ছবি ‘তিতাস একটি নদীর নাম' উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া তার অভিনীত কোনো কোনো ছবিকে ট্রেন্ড সেটারও বলা যায়। স্বাধীনতা উত্তর রংবাজ ছবির মাধ্যমে এদেশের চলচ্চিত্রে মারপিট যুক্ত হয়। বাংলার তিন সংগ্রামী নারী বলতে যাদের বুঝানো হয়, তাদের একজন হলো সারেং বৌ ছবির নবিতুন। এছাড়া ঢাকার চলচ্চিত্রে তার বিপরীতে অভিনয় করে ফারুক, উজ্জল ও সোহেল রানার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। বিরল প্রতিভার অধিকারী এই অভিনেত্রী ২০০৮ সালে নারায়নগঞ্জ থেকে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়