প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রমজানে দ্বিগুণ সওয়াব লাভের মৌসুম

ডেস্ক নিউজ:আল্লাহ তায়ালা বছরের যেকোনো মাসের তুলনায় রমজানে সাদাকা করার সওয়াব দ্বিগুণ দিয়ে থাকেন। কারণ রমজান হলো কল্যাণ ও বরকতের মৌসুম। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন পৃথিবীর মাঝে সবচেয়ে দানশীল ব্যক্তি। কিন্তু রমজানে তার দানের পরিমাণ আরো বেড়ে যেত। সহীহ বুখারীতে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাজি. থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবচেয়ে দানশীল ছিলেন। আর রমজানে যখন জিবরাইল আ. তার সাথে সাক্ষাৎ করতেন তখন তার দানের পরিমাণ আরও বেড়ে যেতো।

জিবরাইল আলাইহিসসালাম প্রতিরাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লামের সাথে সাক্ষাৎ করে একে অপরকে কোরআন শোনাতেন। আর প্রবাহিত বায়ুর তুলনায়ও তার দানশীলতা ছিল অধিক। ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আলোচ্য হাদীসে দানশীলতা শব্দটি দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, অভাবগ্রস্থ ব্যক্তির কাছে প্রয়োজনীয় বস্তু পৌঁছে দেওয়া। অর্থাৎ হাদীসে বর্ণিত দানশীলতা শব্দটি সদকা শব্দের চেয়েও ব্যাপক।

যেহেতু রমজান মাসে দান করার সওয়াব অন্য মাসের চেয়ে দ্বিগুণ। এজন্য ইসলামি শরীয়ত মুসলমানদের রমজান মাসে অভাবী,নিজের পরিবারপরিজন ও আত্মীয়স্বজনদের মাঝে যারা অভাবগ্রস্থ তাদের বেশি দান করার প্রতি উৎসাহ দিয়ে থাকে। যাতে মানুষ দ্বিগুণ সওয়াব প্রাপ্তির আশায় দানের মানুষ এ মাসে দানের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এজন্য রমজানে অগ্রিম যাকাত আদায়কে জায়েয ঘোষণা করা হয়েছে। যাতে করে ব্যক্তি দ্বিগুণ সওয়াব লাভ করতে পারে।

রমজান মাসে দ্বিগুণ সওয়াব লাভের হেকমত হলো, এ মাসে দান করা হলো, দরিদ্র ও অভাবগ্রস্থদের প্রতি অনুগ্রহ এবং তাদের সেহেরি ও ইফতার সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য সহযোগিতা প্রদান। আর রমজান মাসে দান-সদাকা করা আল্লাহ তায়ালার দানের সাথে পরোক্ষভাবে সামঞ্জস্য রাখে। কারণ আল্লাহ তায়ালা রমজানের প্রতি রাতে অসংখ্য বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করে থাকেন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন রমজানের প্রথম রাত আসে তখন একজন ঘোষক ঘোষণা করতে থাকে হে কল্যাণ প্রত্যাশী অগ্রসর হও। আর হে পাপ করতে উদ্যোগী পাপ বন্ধ করো। আর আল্লাহ প্রতি রাতে জাহান্নাম থেকে অসংখ্য বান্দাকে মুক্তি দান করে থাকেন। সূত্র: আওয়ার ইসলাম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত