শিরোনাম
◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ০১:০৪ দুপুর
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৫১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পর্যাপ্ত পরিবহনের ব্যবস্থা না করে কারখানা খোলা রেখে শ্রমিকদের হয়রানির নিন্দা জানিয়েছে জি-স্কপ

মেহেদী হাসান: [২] গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (জি-স্কপ) এর যুগ্ম সমন্বকারী আব্দুল ওয়াহেদ এবং কামরুল আহসান এক বিবৃতিতে পর্যাপ্ত পরিবহনের ব্যবস্থা না করে লক-ডাউনের মধ্যে কারখানা খোলা রেখে শ্রমিক হয়রানির নিন্দা এবং করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে কর্মরত শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা ও ঝুঁকি ভাতা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।

[৩] করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে কর্মরত শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ঝুঁকি ভাতা প্রদানের দাবিও জানিয়েছেন তারা।

[৪] বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গার্মেন্টস মালিকরা বারবার নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছেন। তারা উৎপাদন এবং রপ্তানির প্রয়োজন দেখিয়ে নিজ ব্যবস্থাপনায় শ্রমিক পরিবহনের ব্যবস্থা এবং কারখানায় স্বাস্থ্যবিধির যথাযথ বাস্তবায়ন করবেন এই শর্তে লক-ডাউনের মধ্যে পোষাক কারখানা খোলা রাখার অনুমতি নিয়েছেন। কিন্তু শ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা না করে কারখানা খোলা রাখায় সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিনেই শ্রমিকরা পরিবহন সংকট, অতিরিক্ত যাতায়াত ব্যায় বহন, জিজ্ঞাসাবাদসহ নানা হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাছাড়া শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা হলেও সকল কারখানায় প্রয়োজনীয় আয়োজন করা হয়নি।

[৪] নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতি এই সত্যকে নতুন করে সামনে এনেছে যে শ্রমিকরাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের উৎপাদন, রপ্তানি তথা অর্থনীতির চাকা চালু রাখে। অথচ সেই শ্রমিকরা ঠিকমত খাদ্য ও চিকিৎসা পায়না। সংক্রমণের মারাত্মক ঝুঁকি এবং লক-ডাউনের মধ্যেও বকেয়া বেতনের দাবিতে আশুলিয়া এবং গাজিপুরে শ্রমিকদের রাস্তায় নামতে হয়েছে।

[৫] শ্রমিকদের ঝুঁকি ভাতা দিতে হবে এবং ফ্রন্ট লাইনার হিসাবে বিবেচনা করে করোনা পরীক্ষা এবং টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। আর করোনার অজুহাতে গতবছরের মত শ্রমিক ছাঁটাই কিংবা বেতন-ভাতা কর্তন করা যাবেনা বলেও দাবি জানিয়েছেন তারা। সম্পাদনা : রাশিদ

  • সর্বশেষ