শিরোনাম
◈ ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি, বন্ধ স্কুল-বিমানবন্দর ও রেল চলাচল স্থগিত ◈ চীনে খুলছে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ অফিস, বাড়বে শিল্প সহযোগিতা, কোম্পানিগুলোকে অংশীদার হওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের ◈ ছিঁড়ে যাচ্ছে জার্সি, বিশ্বকাপে কেন এমন অপেশাদারিত্ব?  ◈ একদিনের ব্যবধানে আবারও কমল স্বর্ণের দাম ◈ পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা পাওয়ার হিটিং শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে   ◈ শেখ হাসিনার পতনের পর প্রথমবার ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ২০টি ট্রেনের কোচ ◈ ভেনেজুয়েলার পর ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান ◈ ভেনেজুয়েলায় ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুই শক্তিশালী ভূমিকম্প, ১ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা! ◈ হাইতির বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে নকআউটে মরক্কো ◈ ঢাকার কাছে ভূমিকম্পের উৎস, বড় ঝুঁকির আশঙ্কা কতটুকু?

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৮ রাত
আপডেট : ০৫ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লকডাউন অমান্য করায় ৬ ম্যাজিস্ট্রেটের ৫৩ মামলা

রাজু চৌধুরী:- স্বাস্থ্যবিধি এবং লকডাউন কার্যকর করতে নগরজুড়ে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের ছয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।মাস্ক না পরা, ব্যবহারে উদাসীনতা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে নগরে ৫৩টি মামলাসহ মোট ১৭ হাজার ৬৫০ টাকা নগদ জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে মোট ৪‘শ মাস্কও বিতরণ করা হয়।

সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে দিনব্যাপী এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নেতৃত্বে দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন, ফাহমিদা আফরোজ, গালিব চৌধুরী এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্লাবন কুমার বিশ্বাস ও হুছাইন মুহাম্মদ।

নগরে কর্ণফুলী ব্রিজ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া  ইয়াসমিন। এসময় তিনি ১টি মামলায় ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষের মাঝে ৫০টি মাস্ক বিতরণ করেন তিনি।

নগরের অক্সিজেন মোড় এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ। মাস্ক না পড়ার দায়ে এসময় ১১টি মামলা দায়ের করে ১৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং ৫০টি মাস্ক বিতরণ করেন।

এদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরীর নেতৃত্বে নগরের কোর্ট বিল্ডিং, এম এ আজিজ স্টেডিয়াম ও জিইসি মোড় এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসময় ১৪টি মামলা দায়ের করে ৪ হাজার ৬০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয় এবং ১০০টি মাস্ক বিতরণ করা হয়। নগরের এ কে খান এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় ৮টি মামলা দায়ের করে মোট ১২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং ৫০টি মাস্ক বিতরণ করেন।

এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস চকবাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। একই কারণে ৬টি মামলা দায়ের করে ৮ হাজার ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং ৫০টি মাস্ক বিতরণ করেন। আগ্রাবাদ এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  হুছাইন মুহাম্মদ মাস্ক না পরায় ১৩টি মামলা দায়ের করেন। এসময় তিনি মোট ১ হাজার ১৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এবং ৫০টি মাস্কও বিতরণ করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়