শিরোনাম
◈ ভূমিকম্পে ঢাকার কোন এলাকা নিরাপদ? ◈ খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা একদমই ভালো না, সবাই দোয়া করবেন: আইন উপদেষ্টা ◈ গুগলকে কনটেন্ট সরাতে অনুরোধের সংখ্যা নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা ◈ জামায়াতকে ভোট দিলে আমার মৃতদেহ পাবেন : ফজলুর রহমান (ভিডিও) ◈ প্রধান উপদেষ্টার প্রতি বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ◈ বাংলাদেশ সিরিজ স্থগিত করে শ্রীলঙ্কা নারী দল‌কে আমন্ত্রণ ভারতের ◈ শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য জরুরি বার্তা ◈ এক শতক পর আবারও কি সিলেট ঝুঁকিতে? ডাউকি ফল্টে ভূমিকম্পের ধাক্কা! ◈ সুখবর পেলেন বিএনপির আরও ৯ নেতা ◈ বড় চা‌পে ইউ‌রোপ, চল‌ছে জ্বালানি, জলবায়ু, অর্থনীতি ও জনসংখ্যা সংক‌ট

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০১:১৮ রাত
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একবার নয় দুই দুইবার বিক্রি করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক (ভিডিও)

আতাউর অপু: মহাসড়ক বিক্রি করে দিলেন এক ব্যক্তি! অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে! মোটেওনা, বাস্তবে তাই ঘটেছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কিছু অংশ বিক্রি করেছেন আবুল হোসেন। আর মহাসড়কের সেই অংশটি বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে ১৫ কোটি টাকা ঋণও নিয়েছে ওই ক্রেতা। এখন ঋণের টাকা না পেয়ে খোদ মহাসড়কের ওই অংশ নিলামে তুলেছে সেই বেসরকারি ব্যাংক।

আবুল হোসেন বলেন, তারা লেখলে আমি কি করবো,আমি কি লেখছি ওইটা বলেন। জরিপের কর্মকর্তারা কিভাবে লেখছে সেটা তারাই ভালো জানে।

২০০৬ সালে ৫৮২৫ নম্বর খতিয়ানের মহাসড়কের ২৪ শতাংশ জমি আবুল হোসেনের নামে দেয় ভূমি রেকর্ড ও ভূমি অধিদপ্তর। যিনি দিয়েছিলেন সেই সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা হাজী ইউনুস আলী এখন অবসরে।

অনুসন্ধানের পর তাৎক্ষণিকভাবে তদন্তে নামার সিদ্ধান্ত নেয় জরিপ অধিদপ্তর।

সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মোঃ মমিনুর রশিদ বলেন, আমরা এটা তদন্ত করছি তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে যিনি রেকর্ড দিয়েছেন তার দোষ পাওয়া গেলে অন্যায় করে থাকলে দুদকে মামলা করার জন্য ডিসি স্যার নির্দেশ দিয়েছেন।

কিন্তু ততদিনে জমিটির হাতবদল হয়ে যায় দুই দুইবার। গোলাম ফারুক নামের ব্যক্তি মহাসড়কের ওই অংশটি বন্ধক রেখে একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ নেন ১৫ কোটি টাকা।

প্রশ্ন মহাসড়কটি কিনলেন কিভাবে?

ঋণ পরিশোধ না হওয়ায় মহাসড়কের সেই অংশটি নিলামে তুলেছে ব্যাংক। অবশ্য এ বিষয়ে ব্যাংকের কোন  কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি নন।

আর এমন কাণ্ড দেখে বিস্মিত ভূমিমন্ত্রী।

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, এটা আসলে একটা মারাত্মক বিষয়। এটা কিভাবে সম্ভব আমার মাথায় আসছে না আসলে। একটা মহাসড়ক কিভাবে একটা ব্যক্তির নামে হতে পারে। প্রয়োজনে আমরা এটা খতিয়ে দেখব এবং এটা আমরা দুদককেও দিব কিন্তু। এটা একটা মারাত্মক অপরাধ।

ঋণ দেওয়ার পর মহাসড়কের জায়গা বুঝে না পেয়ে ব্যাংক সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রেখেছে এখন অন্যের জমিতে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়