প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সরকারি ৫০ ভাগ কর্মকর্তা ও কর্মচারি যারা অফিস করবেন তা নির্ধারিত হবে ২/১ দিনের মধ্যে: বিআরটিএ চেয়ারম্যান

সুজিৎ নন্দী: [২] করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গণপরিবহনের অর্ধেক সিট ফাঁকা রেখে দ্বিতীয় দিনেই সড়কে নানা রকম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের বাসগুলোতে বৃহস্পতিবার নিয়ম মানা হয়নি। যাত্রী, ড্রাইভার ও হেলপারদের বেশির ভাগই মাস্ক ব্যবহার করছে না, যাত্রী বাসে উঠতেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেবার কথা থাকলেও তা চোখে পড়েনি।

[২] সকালে অফিস টাইমে কল্যানপুর, মিরপুর-১, মিরপুর-১২, বিমানবন্দরসহ বেশ কিছু এলাকায় যাত্রীরা বাসে উঠতে না পেরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। অবরোধ করে রাখে রাস্তার একাংশ। বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে এরকম চিত্র দেখা গেছে।

[৬] বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠানের বাসগুলোতে যাত্রীরা শিঘ্রই নিয়ম মানবে। সরকারি ৫০ ভাগ কর্মকর্তা ও কর্মচারি যারা অফিস করবেন তা নির্ধারিত হয়ে যাবে ২/১ দিনের মধ্যে। এরপরে সরকারি প্রতিষ্ঠানের বাসগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে।

[৭] ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শফিকুর রহমান বলেন, একটু সময় দিতে হবে। পাশাপাশি কঠোর নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। পুলিশদের বাস্তবতা বুঝতে হবে। হঠাৎ করে নির্দেশনা আসার সাথে সাথে গাড়িতে উঠে পুলিশ মুভ করে। অন্যান্য পেশার চেয়ে এটি কিছুটা ভিন্ন।

[৮] একাধিক পরিবহন নেতা জানান, আগে একটি ৫২ আসনের পরিবহনে কমপক্ষে ৭০ থেকে ৭২ জন যাত্রী উঠতে পারতো। কিন্তু এখন নেয়া হচ্ছে ২৬ থেকে ২৮ জন। হিসাবে দেখা গেল, গণপরিবহনে উঠতে পারছে অন্য সময়ের চেয়ে এক তৃতীয়াংশ যাত্রী। অর্থাৎ অফিসে কর্মী অর্ধেক গেলেও যাত্রীদের একটি অংশের জন্য গণপরিবহনের কোনও ব্যবস্থা থাকছে না।

[৯] সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক বাসে আবার অর্ধেক যাত্রী নেওয়ার পর অতিরিক্ত আরও পাঁচ থেকে সাতজন যাত্রী তোলা হচ্ছে। কিন্তু অতিরিক্ত ৬০ শতাংশ ভাড়া ঠিকই নেওয়া হচ্ছে। অনেক বাসে দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।

[১০] একাধিক চালক জানান, আমরা নিয়ম মতো ভাড়া আদায় করছি। কিন্তু কিছু কিছু যাত্রী সেই ভাড়াও দিতে চায় না। যে কারণে কারও কারও সঙ্গে ঝামেলা হয়। এছাড়া সিটের বাইরে কোনও যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে না। মোড়ে মোড়ে বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত আছে। তারা জরিমানা করে দিচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত