প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বন্ধুত্বের নীতি অতিমারিকালেও বাংলাদেশকে মন্দায় পড়তে দেয়নি

ওয়ালিউল্লাহ সিরাজ: [২] ডানকান বার্টলেট লিখেছেন, ২০১৯ সালে পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি ছিলো বাংলাদেশ। জাতিসংঘ বলছে, সেবছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ছিলো রেকর্ড ৮.৯ শতাংশ। অতিমারির কারণে বাংলাদেশের রপ্তানি ও প্রবৃদ্ধি দুটিই কমলেও দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম স্থান হারাতে হয়নি। সাউথ এশিয়া

[৩] পৃথিবীর অনেক দেশ কোভিড টিকা না পেলেও বাংলাদেশে ৫ লাখ মানুষের ইতোমধ্যেই টিকাদান সম্পন্ন হয়েছে। ভারত বাংলাদেশকে এই টিকা সরবরাহ করেছে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তীতে যোগ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদি।

[৪] বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম অন্যতম বিশ্বস্ত সহযোগী। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর নীতি ছিলো ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়। বর্তমান সরকারও এই নীতিতে দেশ পরিচালনা করছে। বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে। পাকিস্তান এখন বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে।

[৫] বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হাসিনা সম্প্রতি সংসদে বলেছিলেন, মহামারির আগে যেভাবে আমাদের প্রবৃদ্ধি হচ্ছিলো সেই ধারা অব্যাহত থাকলে আমরা ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হব।

[৬] কোভিড মহামারীর কারণে অনেক প্রবাসী কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের জন্য তিন দফা পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তাদের পরিবারের খাদ্য ও চিকিৎসার নিশ্চিত করেছেন। যে সব দেশ থেকে প্রবাসীরা দেশে ফিরেছেন শেখ হাসিনা সেই সব দেশকে চাপ দিচ্ছেন তারা যেন প্রবাসীদের ফিরিয়ে নিয়ে কাজের সুযোগ দেন।

[৭] শুধু ভারত নয়, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও বাংলাদেশের সম্পর্ক বেশ ভালো। চীন আর যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও দুই দেশের সঙ্গেই সমানতালে বাণিজ্য করছে বাংলাদেশ। উন্নতির সোপানে যা যোগ করছে নতুন নতুন পালক। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

সর্বাধিক পঠিত