শিরোনাম
◈ বিশ্বের ১১৪ দেশের স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ, বাংলাদেশে কী হবে? ◈ মালয়েশিয়ার হালাল মেলায় বড় সাফল্য, ২০ লাখ ডলারের অর্ডার পেল বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ◈ কয়লাভিত্তিক প্রকল্পে চীনের ‘না’, ঝুলে আছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ◈ মুক্তিপণ থেকে প্রতিশোধ, নানামুখী কারণে বাড়ছে অপহরণ ◈ অনিশ্চিত অজিত দোভালের ঢাকা সফর ◈ বাংলাদেশের পাটপণ্যে নতুন শুল্ক বসাল ভারত, বাড়ল রপ্তানি চ্যালেঞ্জ! ◈ বিদেশে বাংলাদেশি মিশনে এমপিদের সফর-সভা নিয়ে নতুন নির্দেশনা ◈ ইথানলের উৎপাদন বাড়লেও নেই চাহিদা, ৭০০ কোটি লিটার উদ্বৃত্ত নিয়ে বিপাকে ভারত ◈ শি জিনপিং-ট্রাম্প বৈঠক: ৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক কমানোসহ ৮ সমঝোতা! ◈ বার বার বিমান বাংলাদেশে স্বর্ণের চালান ও কর্মীসহ আটক: ‘স্বর্ণের খনি’ হয়ে উঠছে উড়োজাহাজ?

প্রকাশিত : ২৬ মার্চ, ২০২১, ০৮:৪৭ সকাল
আপডেট : ২৬ মার্চ, ২০২১, ০৮:৪৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা শিবিরের আগুনে অলৌকিকভাবে অক্ষত একটি ঘর

ডেস্ক রিপোর্ট: মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় ১০ হাজার বাড়ীঘর পুড়ে যে রোহিঙ্গা শিবিরটি বিরান ভুমিতে পরিণত হয় সেখানে একটি কুঁড়ে ঘর সম্পূর্ণ অক্ষত থেকে গেছে। অলৌকিকভাবে আগুনের লেলিহান শিখা থেকে রক্ষা পাওয়া সেই অক্ষত ঘরটি এখন এলাকার মানুষকে বিষ্মিত করেছে। উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরে গত সোমবারের সেই আগুন স্পর্শও করতে পারেনি ঘরটির বাসিন্দা বিধবা হালিমা বেগমকে (৪৬)। সেই অক্ষত ঘরটি দেখার জন্য এখন প্রচুর দর্শক ভীড় করছে। কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ৯ নাম্বার রোহিঙ্গা শিবিরের এমন ঘটনাটি এখন সীমান্তবর্তী উখিয়া-টেকনাফ এলাকার মানুষের মধ্যে কৌতুহলের জন্ম দিয়েছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিসহ এলাকাবাসী এমন ঘটনাটিকে মহান সৃষ্টিকর্তার কেরামতি বলে শোকরিয়া জ্ঞাপন করেন৷

কুঁড়ে ঘরটির পাশে আগুনে পুড়ে যাওয়া জহুর আলম নামের এক রোহিঙ্গা পরিবার পরিজন নিয়ে নতুন করে বসতি গড়ে তুলার জন্য বাঁশ, গাছ, ত্রিপল দিয়ে ঘর তৈরি করছেন। তিনি স্থানীয় এলাকাবাসীসহ সংবাদকর্মীদের জানিয়েছেন, যে আগুন মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে কয়েক কিলোমিটার অতিক্রম করেছে। সেই আগুন এই কুঁড়ে ঘরটি কেন স্পর্শ করতে পারল না তা একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই জানেন।

প্রতিবেশী রোহিঙ্গা জহুর আলম জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় ওই ঘরের গৃহকর্ত্রী হালিমা বেগম পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন ছিলেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন। আর ওই অবস্থায় বাইরে কি হচ্ছে না হচ্ছে তার হুঁশ জ্ঞানও ছিল না। তিনি কেবল পবিত্র কোরআন পড়ছিলেন।

তবে এলাকার লোকজন এবং সংবাদকর্মীরা অনেক চেষ্টা করেও ওই রোহিঙ্গা নারীর সাথে কথা বলতে পারেননি। তিনি অপরিচিত কারো সাথে কথা বলতে নারাজ বলে সাফ জানিয়ে দেন। ক্যামেরার সামনে আসতেও মোটেই রাজী নন। তবে অনেক চেষ্টা করে পর্দানশীন নারীর একটি ছবি ধারণ করতে পেরেছেন সংবাদকর্মীরা।

  • সর্বশেষ