প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কোভিড-১৯ শনাক্তে ঊর্ধ্বমুখী, কমেছে ভ্যাকসিন গ্রহিতার হার

শিমুল মাহমুদ: [২] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার চার দশমিক ৬৩ শতাংশ। যেখানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দৈনিক করোনা শনাক্তের হার ছিল দুই দশমিক ৮৭ শতাংশ। এদিকে দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির ২৫ তম দিনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ৩৫ লাখ ৮১ হাজার ১৬৯ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ২২ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯ জন ও নারী ১২ লাখ ৮৭ হাজার ১০০ জন। টিকাদান কার্যক্রম শুরুর ১০ দিন টিকা নেন প্রায় ১৬ লাখ। এরপর শেষ ১০ দিনে টিকা নিয়েছেন ১১ লাখে কিছিু বেশি। মূরত গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে টিকাগ্রহীতা এবং টিকার জন্য নিবন্ধন দুটোই কমতে শুরু করে।

[৩] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, ‘শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে এবং তা আমরা খেয়াল করছি। মে-জুন-জুলাইয়ে যখন আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ছিল, তখনই আমরা দেখেছি যে সংক্রমণ বেড়েছে। এবারই তাই ঘটছে কি না, তা বোঝা যাবে আরও একটু সময় পরে। কারণ, অনুরূপ ঘটনাই ঘটেছে ভারত, নেপালসহ গ্রীষ্মপ্রধান দেশগুলোতে।

[৪] রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনা অনুযায়ী, টানা দুই সপ্তাহ যদি সংক্রমণ পাঁচের নিচে থাকে, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যাবে। তখন বোঝায় যে, কমিউনিটি ট্রান্সমিশন আর নেই। তখন হয়ে যায় গুচ্ছভিত্তিক সংক্রমণ বা ক্লাস্টার ট্রান্সমিশন। কিন্তু, যদি আবার সংক্রমণের হার বেড়ে পাঁচের বেশি হয়ে যায়, তখন আবার আমরা কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের চলে যাব। কাজেই ঢিলেঢালাভাবে চলার সুযোগ নেই।

[৫] টিকা নেওয়ার হার অনেক কমে এসেছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য জনস্বাস্থ্যবিদ আবু জামিল ফয়সাল বলেন, ‘ফার্স্ট টেকার’ যারা ছিলেন তারা টিকা নিয়ে নিয়েছেন, সাধারণত এই সংখ্যাটা অল্প সংখ্যক হয়। এই ফার্স্ট টেকার শেষ হয়ে গেছে প্রায়।‘এরপরের ধাপে যারা রয়েছেন, তারা বুঝে শুনে দেখে টিকা নিতে চাইছেন। এ অবস্থায় টিকাদানের কৌশল বদলানোর কথা বলেন তিনি।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত