শিরোনাম
◈ মালয়েশিয়ায় পাচারের সময় শাহজালাল বিমানবন্দরে ১১৬৩ কচ্ছপ উদ্ধার, গ্রেফতার ১ ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অন্যের নামে’ আমদানি, চালানে মিলল ৮ টনের বেশি তামাক ও সন্দেহজনক গুঁড়া ◈ ভারত ভ্রমণে বাংলাদেশিদের ঢল, আগস্টে বিদেশি পর্যটক বেড়েছে ১০.৬ শতাংশ ◈ নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ভারতে যেতে পারেন তারেক রহমান, আলোচনায় হাসিনার প্রত্যর্পণ: টাইমস অব ইন্ডিয়া ◈ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর পরীক্ষা বাংলা‌দে‌শের ◈ পর্যায়ক্রমে চালু হচ্ছে বন্ধ পাটকল, লক্ষ্য ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের আশা ◈ রোনালদোকে ছাড়াই নরওয়েকে হারাল পর্তুগাল ◈ চাঁদাবাজদের তালিকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের আধিপত্য ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে মালয়েশিয়াকে নিয়ে সতর্ক কোচ সালাহউদ্দিন ◈ গোপনে আবুধাবিতে নেতানিয়াহু, আরও ঘনিষ্ঠ ইসরায়েল-আমিরাত

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০২১, ০৬:০৭ সকাল
আপডেট : ০১ মার্চ, ২০২১, ০৬:০৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাচিকে দেখে পুরোনো প্রেম জেগে ওঠে ভাতিজার, তারপর…

ডেস্ক রিপোর্ট: বিয়ের পর ভালোই চলছিল চাচা ও ভাতিজার সংসার। দুজনেরই স্ত্রী-সন্তান রয়েছে। কিন্তু পাশাপাশি বাড়িতে প্রতিদিন চাচিকে দেখে পুরোনো প্রেম জেগে ওঠে ভাতিজার। সুযোগ পেলেই চাচিকে নিয়ে ঘুরতে যেতেন। কিন্তু এবার আর ঘুরতে নয়, স্ত্রী-সন্তান ফেলে চাচিকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন ভাতিজা। ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকার ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, ভাতিজার সঙ্গে তার চাচির প্রেমের সর্ম্পক ছিল। কিন্তু তাদের এ সর্ম্পক না মেনে ভাতিজাকে অন্যত্র বিয়ে দেন তার পরিবার। বিয়ের পর সংসারে দুই সন্তানের জন্ম হয়। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভালোই চলছিল সংসার।

কিন্তু, ২০০৯ সালে ভাতিজার প্রেমিকাকে বিয়ে করেন তার চাচা। তাদের ঘরেও দুই সন্তাদের জন্ম হয়। কিন্তু পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় প্রতিদিন পুরোনো প্রেমিকাকে (চাচি) দেখে ভাতিজার পুরোনো প্রেম জেগে ওঠে। সুযোগ পেলেই প্রেমিকা চাচিকে নিয়ে ঘুরতে যেতেন। একপর্যায়ে বিয়ের পরও তাদের প্রেমের কথা এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিসও হয়। পরে চাচা তার স্ত্রীকে নিয়ে অন্য এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। কিন্তু তাতেও তাদের সাক্ষাৎ বন্ধ হয়নি। ওই ঘটনায় চাচা ধামরাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তাদের বিষয়ে একাধিকবার বিচার হয়েছে। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। অভিযুক্ত ভাতিজার বাবা বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই লজ্জাজনক। বারবার সাবধান করার পরও তারা এমন কাজ করেছে। এখন এলাকায় মুখ দেখাতে পারি না।’

সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাহার আলী বলেন, ‘আমার কাছে মেয়ে পক্ষ এসেছিল। তারপর আর এ নিয়ে কোনো কথা হয়নি। তারা চাইলে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • সর্বশেষ