আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] ১০০ স্কোরের মধ্যে ২০২০ সালে বাংলাদেশের স্কোর ৫০। বর্তমানে ১১৩ দেশের মধ্যে ৮৪ নম্বরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। ২০১৯ সালে অবস্থান ছিলো ৮৩। করটেভা অ্যাগ্রিসায়েন্সেস এর স্পন্সরশীপে এই র্যাংকিং প্রকাশ করেছে ইকোনমিস্ট ইন্টালিজেন্স ইউনিট। ২০১২ সাল থেকে এই সূচক প্রকাশ হয়ে আসছে।
[৩] এ বছরের র্যাংকিংয়ে চলতি অতিমহামারীকালীন খাদ্য নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশের স্কোর ছিলো ৫১.৬। এবার ১.৬ পয়েন্ট কমেছে। ২০১৮ সালে ছিলো ৫১.৯।
[৪] ২০২০ সালের র্যাংকিং বলছে অতিমহামারী ও জলবায়ু পরিবর্তন বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এই গবেষণাটি বলছে, আমাদের ভবিষ্যত ততটাই সমৃদ্ধ হবে, আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা যতটা থাকবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সারা বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তাই বড় ধরনের সঙ্কটে পড়ছে।
[৫] এবার এই সূচকে নতুন একটি ভ্যারিয়েবল যুক্ত ছিলো। ন্যাচারাল রিসোর্সেস অ্যান্ড রেসিলেন্স ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে খারাপ করেছে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে স্কোর ৩৫.৮। খাদ্য সংগ্রহ সামর্থ্যে ৪৮.৩, কোয়ালিটি ও নিরাপত্তায় ৪০.৯, সরবরাহে স্কোর ৬৪.৪।
[৬] দক্ষিণ এশিয়ার সবগুলো দেশ এই তালিকায় বাংলাদেশের উপরে রয়েছে। পাকিস্তান (৮০), নেপাল (৭৭), শ্রীলঙ্কা(৭৫), ভারত (৭১) ও মিয়ানমার(৭০)। খাদ্য নিরাপত্তায় বিশ্বের শীর্ষ ৫ দেশ যথাক্রমে; ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র। সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকা ৫ দেশ হলো; ইয়ামেন, সুদান, জাম্বিয়া, মালাউয়ি ও সিয়েরা লিওন।