শিরোনাম
◈ বিদেশি নাগরিকদের জরুরি সতর্কবার্তা দিলো মার্কিন দূতাবাস ◈ প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরের সাফল্যে সংসদে সর্বসম্মত ধন্যবাদ প্রস্তাব ◈ জাতীয় পরিচয়পত্র ১৫ বছর পূর্ণ হলেই নবায়ন বাধ্যতামূলক করতে ভাবছে নির্বাচন কমিশন! (ভিডিও) ◈ ক্রীড়াবিদদের সুযোগ দিলে বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বাড়বে: সেনাপ্রধান ◈ হরমুজ প্রণালী‌তেকার্গো জাহাজে ইরানের হামলার পর পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ◈ ধর্মীয় কার‌ণে মুসলিম ফুটবলারদের জন্য বিশ্বকা‌পে ম্যাচ সেরার আলাদা পুরস্কার   ◈ রাজধানীজুড়ে কালিমাখচিত সাদা পতাকা, কারা লাগাচ্ছে জানে না পুলিশ, উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্তে প্রশাসন ◈ লিও‌নেল মে‌সি ইতিহাসের সেরা: নেদারল‌্যান্ডস তারকা ডি ইয়ং ◈ ক্ষুধার সমস্যা সমাধানে আমেরিকার নিজেরই সাহায্যের প্রয়োজন: ইরান পররাস্ট্র মন্ত্রণালয় ◈ আইসি‌সি ইস‌্যু‌তে আমার বিরু‌দ্ধে শুধুই মিথ‌্যা অভিযোগ, বল‌লেন বুলবুল

প্রকাশিত : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১২:৪০ দুপুর
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১২:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সংঘাতময় পরিস্থিতির পরেও, ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার চীন

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] গত বছরই দুই দেশের মধ্যে রক্তাক্ত সীমান্ত সংঘাত ঘটেছে। সে বছরেই ২৩০টি চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে ভারত। কিন্তু এরপরেই ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে ভারতের শীর্ষ বাণিজ্য অংশীদার হওয়ার পথে ভারতকে আটকে রাখতে পারেনি কেউ। এই দুই এশিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বী ২০২০ সালে ৭৭.৭ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করেছে। বিবিসি

[৩] অবশ্য এটি ২০১৯ সালের ব্যবসার চেয়ে কম। সেবছর দেশ দুটি ৮৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের ব্যবসা কমে যাওয়ায় শীর্ষে উঠে এসেছে বেইজিং। অতিমহামারির সময় বৈশ্বিক বাণিজ্য কমে এসেছে। তবে এখনও মেডিক্যাল সামগ্রির যথেষ্ঠ চাহিদা আছে। চীন শেষ বছরে মূলত এসব জিনিসেরই ব্যবসা করেছে। তবে ভারত সে বছর নিজেরা সাবলম্বি হয়ে বেইজিং নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করেছে। তবে কার্যত এতে তেমন কোনও লাভ হয়নি।

[৪] চীন থেকে ২০২০ সালে ৫৮.৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে ভারত। যা ভারতের যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সম্মিলিত আমদানির চেয়ে বেশি। এই দুই দেশ যথাক্রমে ভারতের ২য় ও ৩য় সর্বোচ্চ বাণিজ্য অংশীদার।

[৫] ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিবীদ অমিতেন্দু পালিত বলেন, ‘চীন থেকে যেসব পণ্য আমদানি হয়েছে, তা ভারত তৈরি করে না। এছাড়াও চীন থেকে আমদানির খরচও কম, খুব সহজেই চাহিদা মোতাবেক পণ্য মেলে। সেখানে সোর্সের পরিমাণও বেশি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়