শিরোনাম
◈ বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিত ◈ পাকিস্তানে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ নবজাতকের মৃত্যু ◈ বাংলাভাষী মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক অপরাধ বন্ধে ভারতকে জাতিসংঘের কড়া সতর্কবার্তা ◈ তারেক রহমানের প্রস্তাবিত ভারত সফর নিয়ে দিল্লি কী ভাবছে? ◈ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, রাইফেল ফেলে পালালো বিএসএফ সদস্য ◈ ঢাকায় যাত্রাবিরতিতে ভুটানের রাজা, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি ◈ গ্যাস সংকট মোকাবিলায় রেশনিংয়ের সিদ্ধান্ত, উদ্যোক্তারা আনতে পারবেন ভোলার গ্যাস ◈ বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে দ্বিতীয় টে‌স্টে ইচ্ছে করেই এমন পিচ বানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া : সু‌নীল গাভাস্কার ◈ চেন্নাই সুপার কিং‌সের ২৫ শতাংশ মালিকানা চেয়ে বসলেন ধোনি: না বলে দিলো সিএসকে, সম্পর্ক তলানিতে   ◈ সায়দাবাদে এসি বাসের জন্য আলাদা টার্মিনাল তৈরির সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১২:৪০ দুপুর
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১২:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সংঘাতময় পরিস্থিতির পরেও, ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার চীন

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] গত বছরই দুই দেশের মধ্যে রক্তাক্ত সীমান্ত সংঘাত ঘটেছে। সে বছরেই ২৩০টি চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে ভারত। কিন্তু এরপরেই ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে ভারতের শীর্ষ বাণিজ্য অংশীদার হওয়ার পথে ভারতকে আটকে রাখতে পারেনি কেউ। এই দুই এশিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বী ২০২০ সালে ৭৭.৭ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করেছে। বিবিসি

[৩] অবশ্য এটি ২০১৯ সালের ব্যবসার চেয়ে কম। সেবছর দেশ দুটি ৮৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের ব্যবসা কমে যাওয়ায় শীর্ষে উঠে এসেছে বেইজিং। অতিমহামারির সময় বৈশ্বিক বাণিজ্য কমে এসেছে। তবে এখনও মেডিক্যাল সামগ্রির যথেষ্ঠ চাহিদা আছে। চীন শেষ বছরে মূলত এসব জিনিসেরই ব্যবসা করেছে। তবে ভারত সে বছর নিজেরা সাবলম্বি হয়ে বেইজিং নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করেছে। তবে কার্যত এতে তেমন কোনও লাভ হয়নি।

[৪] চীন থেকে ২০২০ সালে ৫৮.৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে ভারত। যা ভারতের যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সম্মিলিত আমদানির চেয়ে বেশি। এই দুই দেশ যথাক্রমে ভারতের ২য় ও ৩য় সর্বোচ্চ বাণিজ্য অংশীদার।

[৫] ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিবীদ অমিতেন্দু পালিত বলেন, ‘চীন থেকে যেসব পণ্য আমদানি হয়েছে, তা ভারত তৈরি করে না। এছাড়াও চীন থেকে আমদানির খরচও কম, খুব সহজেই চাহিদা মোতাবেক পণ্য মেলে। সেখানে সোর্সের পরিমাণও বেশি।

 

  • সর্বশেষ