শিরোনাম
◈ পোস্টাল ভোটিংয়ের ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা’ নিয়ে যে বার্তা দিলেন সিইসি ◈ জাতি কখনো দিশেহারা হলে জুলাই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে: প্রধান উপদেষ্টা  ◈ যে দুই দেশ ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল ◈ থাইল্যান্ড যাওয়ার অনুমতি মেলেনি আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেমের ◈ আমরা যদি একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকি সকলের মিলে সমস্যার সমাধান করতে পারবো : তারেক রহমান ◈ জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা র‍্যাব ডিজির (ভিডিও) ◈ সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি জানাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন ◈ ঢাকার ১৩টি আসনে দুপুর পর্যন্ত ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত‍্যাহার ◈ ভোটকেন্দ্র নজরদারিতে সিসিটিভি: ৭২ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ ◈ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রাতে লড়াই‌য়ে নামছে আর্সেনাল, রিয়াল মাদ্রিদ, পিএসজি ও ইন্টার মিলান

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:০০ সকাল
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে উঠতে পারছে না যশোরের আড়াই শতাধিক পরিবার

রহিদুল খান: [২] গত ২৩ জানুয়ারি মণিরামপুরের ভূমিহীনদের ২৬২টি ঘর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উচ্ছ্বাস আর নতুন স্বপ্ন নিয়ে অন্য এলাকার ভূমিহীনদের নতুন ঠিকানায় ঠাঁই হলেও মণিরামপুরে ঘটেছে ব্যতিক্রম।

[৩] কবে তারা খুপড়ি বা অন্যের আশ্রয় ছেড়ে নতুন ঠিকানায় যেতে পারবেন তাও জানেন না কেউ। নির্ধারিত সময় জানাতে পারেনি উপজেলা প্রশাসনও।

[৪] সরেজমিন উপজেলার মাচনা ও হাকোবা এলাকায় দেখা গেছে, হাকোবা এলাকার ১৬টি ঘরের মধ্যে কয়েকটির ছাউনির কাজ এখনো শেষ হয়নি। প্লাস্টারের কাজ বাকি রয়েছে মেঝেসহ ঘরের ভেতর-বাইরের। টয়লেট স্থাপনের কাজ শুরু হয়নি। আর মাচনা এলাকার ৬১টি ঘরের মধ্যে আটটির চুনকাম শেষ হয়েছে। ৫টি ঘরের গাঁথুনি শুরু হয়েছে। বাকিগুলোর প্লাস্টারের কাজ শেষ হয়েছে; চুনকাম বাকি।

[৫] এছাড়া, উপজেলার তাহেরপুর, মধুপুর, চাকলা, শিরিলি ও হাজরাইলসহ অন্য এলাকার ঘরগুলোর কোনোটি এখনো উঠার উপযোগী হয়নি। একলাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে সংযুক্ত টয়লেট, রান্নাঘর ও বারান্দাসহ দুই কক্ষের সেমিপাকা রঙিন ২৬২টি ঘরের কাজ চলছে মণিরামপুরে।

[৬] মাচনায় একটি ঘর পেয়েছেন বেগমপুর গ্রামের পলি খাতুন নামে স্বামী পরিত্যক্তা এক নারী।

[৭] তিনি বলেন, ঘরতো পাইছি অনেক আগেই। কবে উঠতি পারব জানিনে। ছেলেমেয়ে নিয়ে ভাড়াবাড়ি থাকছি। অন্যের বাসায় কাজ করে সংসার চলে।

[৮] এদিকে, জুলাইয়ের মধ্যে সারাদেশে নতুন আরো একলাখ ঘর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেক্ষেত্রে আয়তন ও জনসংখ্যা হিসেবে মণিরামপুরে আরো তিনশ ঘর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, এখনো দ্বিতীয় ধাপের ঘর বরাদ্দ আসেনি বলে জানা গেছে।

[৯] ভূমিহীনদের নির্মাণাধীন ঘরগুলো দেখভালের দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ বায়েজিদ বলেন, ঘরের কাজ শেষের দিকে। প্লাস্টারের কাজ শেষ হয়েছে। প্লাস্টার শুকিয়ে গেলে রঙের কাজ হবে। আগামী ১৭ মার্চ ঘর হস্তান্তর হতে পারে।

[১০] মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। হস্তান্তরের দিনক্ষণ ঠিক করে বলা যাচ্ছে না। দ্রæত হস্তান্তরের চেষ্টা করছি। সম্পাদনা : মুরাদ হাসান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়