প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরব হচ্ছে রাজনীতি: সমাবেশে বিএনপি, কর্মসূচিতে ব্যস্ত আওয়ামী লীগ

নিউজ ডেস্ক : করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের এক বছর পর ফের মাঠে গড়িয়েছে রাজনীতি। দীর্ঘদিন স্থগিত থাকা সাংগঠনিক কর্মকান্ডে সক্রিয় আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল। প্রায় প্রতিদিনই এখন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সভা-সমাবেশ হচ্ছে। তৃণমূলেও পালিত হচ্ছে নানা রাজনৈতিক কর্মসূচি। সর্বত্রই সরব হচ্ছে রাজনীতি। সভা-সমাবেশ ছাড়াও সব দলই এখন তৃণমূলে ঘর গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। সংসদের উপনির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের ভোট নিয়েও ছড়িয়ে পড়ছে উত্তাপ। এসব নির্বাচনে হামলা, পাল্টা হামলা, এমনকি খুনোখুনির মতো ঘটনা ঘটেছে। সামনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন নিয়েও রাজনৈতিক দলগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে

জানা যায়, ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ এখন ব্যস্ত তৃণমূল সম্মেলনে। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত কর্মী সমাবেশ, কাউন্সিল হচ্ছে। এ ছাড়া স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, মুজিববর্ষসহ নানা কর্মসূচি নিয়ে সভা-সমাবেশ করছে দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি এরই মধ্যে বিভাগীয় সমাবেশ শুরু করেছে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি নিয়ে মাঠে সরব দলটি। উদ্দেশ্য তৃণমূল বিএনপিকে চাঙ্গা করা। একইভাবে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে দলটি। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটের অন্যান্য শরিক দল, বিএনপি জোটের ২০-দল ও ঐক্যফ্রন্টভুক্ত দল, জাতীয় পার্টি, বাম দলসহ ইসলামী দলগুলোও নিজ নিজ কর্মসূচি নিয়ে মাঠে রয়েছে।

বিশিষ্ট কলামিস্ট ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ‘এখন রাজনীতির কোনো লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নেই। আদর্শিক রাজনীতিও নেই। এক দল ক্ষমতায় থাকতে মরিয়া, আরেক দল ক্ষমতায় যেতে মরিয়া। এই সব রাজনীতির আড়ালে এক ধরনের বিরাজনীতিকরণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে বিগত কয়েক বছরের নির্বাচন নিয়েও মানুষের মধ্যে হতাশাবোধ কাজ করছে। মানুষ রাজনীতি থেকে কোনো ইতিবাচক দিকনির্দেশনাও দেখতে পাচ্ছে না। করোনাকালের এই সময়ে এসেও সাধারণ মানুষ রাজনীতিবিমুখ অবস্থানে। আমি মনে করি, দেশ ও জনগণের কল্যাণের জন্য রাজনীতি হওয়া উচিত। করোনা থেকে রাজনীতিবিদরা শিক্ষা নেবেন কি না সেটিই এখন দেখার বিষয়।’

নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে আওয়ামী লীগ : তৃণমূলে সম্মেলন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে সারা বছর রাজপথে থাকবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি তৃণমূল নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিভাগীয় শহরে মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনাও রয়েছে ক্ষমতাসীন দলটির। বিএনপির বিভাগীয় মহাসমাবেশের জবাব দিতে এবং রাজপথে সাংগঠনিক শক্তির জানান দিতেই এই কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। দলের নীতিনির্ধারণী ফোরামের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় কর্মসূচি না থাকায় নেতা-কর্মীরা অনেকটা ‘ঝিমিয়ে’ পড়েছেন। তাই নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। মহাসমাবেশ, জেলা-উপজেলা সম্মেলন ও বিশেষ বর্ধিত সভা করা হবে। এ ছাড়া স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ৪৬টি জেলা ও ২০০ উপজেলার সম্মেলন এ বছর করার টার্গেট রয়েছে। আট বিভাগের জন্য গঠিত আটটি সাংগঠনিক টিম কাজ শুরু করেছে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘স্বাধীণতার সুবর্ণজয়ন্তী, মুজিব জন্মশতবার্ষিকী, তৃণমূলের সম্মেলন নিয়ে আমরা কাজ করছি। ইতিমধ্যে বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জেলা-উপজেলার সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করেছেন। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোও কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। করোনার কারণে এত দিন সীমিত কর্মসূচি করা হলেও এখন থেকে আমরা মাঠে সক্রিয় হচ্ছি।’

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পর জেলা-মহানগর, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের সম্মেলন করার কথা রয়েছে। কেন্দ্রীয় সম্মেলন তিন বছর পর পর করা হলেও তৃণমূলে তা মানা হয়নি। গত বছর মার্চ মাস থেকে করোনার কারণে সাংগঠনিক কর্মসূচি সীমিত করা হয়। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এ বছরই মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা-উপজেলার সম্মেলন করা হবে। এ ছাড়া পৌর নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করবে আওয়ামী লীগ। মার্চ মাস থেকে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজানো প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, ‘আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এবং ১ মার্চ ঢাকা মহানগর উত্তরের বিশেষ বর্ধিত সভা ডাকা হয়েছে। ওই সভার মাধ্যমে ইউনিট পর্যায় থেকে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত আসবে।’ তিনি বলেন, ‘সম্মেলনের জন্য গাজীপুরের শ্রীপুর, ঢাকার কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা প্রস্তুত রয়েছে। এ ছাড়া রাজবাড়ী জেলা সম্মেলন যে কোনো সময় করা হবে।’

চলতি ফেব্রুয়ারি থেকে আসছে মার্চ মাসে রাজশাহী বিভাগে কমপক্ষে ২০টি উপজেলা সম্মেলন করা হবে। ইতিমধ্যে অনেকগুলো উপজেলার তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, মুজিব জন্মশতবার্ষিকী পালনেও পৃথক কর্মসূচি পালন করা হবে। এ প্রসঙ্গে রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, ‘আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি পাবনার চাটমোহর, ২৪ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর, ৮ মার্চ আটঘরিয়া, ২৭ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া, ১২ মার্চ চৌহালী, ১৩ মার্চ এনায়েতপুর, ১৪ মার্চ সলঙ্গা, ২৫ মার্চ নওগাঁর রানীনগর, ২৮ মার্চ আত্রাই, ২৬ মার্চ নীলফামারীর সৈয়দপুর, ১০ মার্চ জয়পুরহাটের কালাই, ১১ মার্চ আক্কেলপুর উপজেলার সম্মেলন করা হবে।’ এ ছাড়া কয়েকটি পৌরসভা নির্বাচনে পথসভায় অংশ নেবেন বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রমে থেমে নেই জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, ক্ষমতাসীন দলের শরিক দল ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), তরিকত ফেডারেশন, ন্যাপ, সাম্যবাদী দল, গণতন্ত্রী পার্টিসহ অন্য দলগুলোও। জেলা-উপজেলা সম্মেলন, সহযোগী সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠন, মুজিব জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি, দলকে শক্তিশালী করতে বিভাগীয় সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি নিয়ে তারাও মাঠে থাকবে।

এ প্রসঙ্গে ক্ষমতাসীন ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘আমরা আলোচনা সভা, ঢাকায় পতাকা সমাবেশ, কৃষক-শ্রমিকদের জন্য কর্মসূচি, জেলা-উপজেলায় সম্মেলন, নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়ে আমরা রাজপথে থাকব।’

বিভাগীয় সমাবেশে ব্যস্ত বিএনপি : দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবিতে সারা দেশে বিভাগীয় সমাবেশ করছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার বিকালে বরিশালে বিভাগীয় সমাবেশ করে দলটি। এ ছাড়া খুলনায় ২৭ ফেব্রুয়ারি, রাজশাহীতে ১ মার্চ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩ মার্চ এবং ঢাকা দক্ষিণে ৪ মার্চ বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়েছে। অন্যান্য বিভাগের কর্মসূচিও শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। সব বিভাগের পর চট্টগ্রামে সমাবেশের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে বিভাগীয় সমাবেশগুলোতে বিপুলসংখ্যক লোকসমাগমের পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, তৃণমূল চাঙ্গা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বরিশালে নানা বাধা উপেক্ষা করেই হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। পরবর্তী সমাবেশগুলোতে আরও লোকসমাগম বাড়াতে দলের হাইকমান্ড থেকে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, দল গোছানোর পাশাপাশি ইস্যুভিত্তিক কর্মসূচি নিয়ে চলতি বছর মাঠে সরব থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। করোনা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হলে চলতি বছর এপ্রিলের মধ্যে ছোট পরিসরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল হতে পারে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০-দলীয় জোটের পাশাপাশি সরকারবিরোধী ছোট-বড় দল নিয়ে বৃহত্তর মোর্চা তৈরির চেষ্টা করছে বিএনপি। এরপর সরকারবিরোধী বৃহত্তর কর্মসূচিতে যাওয়ার চিন্তা দলটির। বেগম জিয়ার মুক্তির পাশাপাশি নতুন নির্বাচনের দাবি নিয়ে রাজপথে সরব থাকবে বিএনপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘মাফিয়াদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে। দেশের মালিকানা জনগণকে ফিরিয়ে দিতে হবে। দেশের মানুষই সিদ্ধান্ত দেবেন কারা ক্ষমতায় থাকবে। এ জন্যই আমরা গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই। দেশে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এ জন্যই আমরা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে আছি। পর্যায়ক্রমে আরও কঠোর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকব। দেশের জনগণ আমাদের সঙ্গে রয়েছে।’

সম্প্রতি রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে শোডাউন করে বিএনপি। সমাবেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এসব ঘটনায় একাধিক মামলায় অর্ধশত নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সর্বশেষ বুধবার রাতে রাজধানীর কাঁটাবন এলাকা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল শাখার আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ দুই ছাত্রনেতাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভীসহ ছাত্রদল এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্বের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষেও ক্ষোভে ফুঁসছেন বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। বিএনপিপ্রধানের মুক্তিতে বড় কোনো কর্মসূচি না দেওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ ঝাড়েন তারা। সম্প্রতি এক সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সমাবেশে বলেই ফেলেন, ‘আমার কারাবন্দী নেত্রী ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে বিনীতভাবে ক্ষমা চাইছি। আমরা এতই দুর্ভাগা, এতই ব্যর্থ যে, আপনাদের জন্য কোনো ব্যবস্থা করতে পারিনি। বেগম খালেদা জিয়া সারা জীবন বন্দী থাকবেন এমন কথাও বলছি না। আজকের এই প্রতিবাদ সমাবেশ বা মানববন্ধন প্রমাণ করেছে, খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তিলে তিলে এই বন্ধন বড় হবে। দলকে সুন্দরভাবে সুগঠিত করে ইনশা আল্লাহ অচিরেই আমরা মাঠে নামব। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব এবং তারেক রহমানকে আমরা দেশে ফিরিয়ে আনবই।’

স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা বার বার বলছি, আন্দোলন-সংগ্রাম করে বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনোভাবে রাজপথ ছাড়ব না। কথায় নয়, কাজে আমাদের প্রমাণ করতে হবে। রাজপথ আমাদের দখলে নিতে হবে এবং সব পথ-ঘাট আজ জনগণের দখলে নিতে হবে।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত