প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সান্তাহারে রেলওয়ের জমি অবৈধ ভাবে দখল, উদ্ধারে নেই কোন তৎপরতা

মমতাজুর রহমান:[২] বগুড়ার  সরকারি রেলওয়ের জমি মানেই অবৈধ ভাবে দখলের কৌশল, শুরু হয় প্রতিযোগিতা। ফাঁকা জায়গা দেখলেই দখলকারীদের কাছে যেনো সোনার হরিণ। সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার যোগসাজসে প্রভাবশালী থেকে শুরু করে যে যেমন ভাবে পারছে রেল লাইনের আশেপাশের রেলওয়ের জমি অবৈধ ভাবে দখল করছেন। কর্তৃপক্ষ কঠিন কোন পদক্ষেপ না নেওয়ার কারনে সুযোগ পাচ্ছে ওই সব অবৈধ দখলদাররা। যার কারণে অবৈধ ভাবে দখলের ঘটনা বেশি হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী এই সান্তাহার রেলওয়ের বেশ কিছু জমিতে।

[৩] সরেজমিনে দেখা যায়, জিরা বাবু ও সামছুল নামের দুই ব্যক্তি রেলওয়ের প্রায় ১০শতক জমিতে অবৈধ ভাবে বাড়ি নির্মান করছেন। আইনের নীতিমালা না মেনে সান্তাহার পৌর শহরের সরকারি কলেজের সীমানা সংলগ্ন রেলওয়ের জমিতে অবৈধ ভাবে বাড়ি নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

[৪] ওই এলাকায় আরোও ১৫-২০ শতক জমিতে অবৈধ ভাবে ৪টি পরিবার বসবাস করছেন। অপরদিকে পৌর শহরের পান্নার মোড়ের উত্তর পার্শ্বে প্রভাবশালী আতিকুজ্জামান তিনিও প্রায় ৮শতক রেলওয়ের জমিতে অবৈধ ভাবে বাড়ি নির্মাণ করছেন। রেলওয়ের জমি এমন হরিলুট হওয়া সত্বেও কর্তৃপক্ষের নিরব ভূমিকায় দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন। এ ব্যাপারে যেনো তাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই। নেই কোন উদ্ধার তৎপরতা।

[৫] জানা যায়, সরকারি রেলওয়ের জমিতে পাঁকা বাড়ি নির্মান করার কোন আইনের নীতিমালা নেই। শুধু কৃষি কাজে বা ব্যবসার জন্য লিজ নিতে পারে তাও শর্ত সাপেক্ষে। কিন্তু সান্তাহার ঐতিহ্যবাহী রেলওয়ে জংশন যেখানে সরকারের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি থাকা সত্বেও একের পর এক অবৈধ ভাবে দখলের ঘটনা ঘটেই চলেছে। বেশির ভাগই জমি দখল করে ভোগ করছেন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। ফলে রেল লাইনের বাইরে থাকা বেশির ভাগ জমি রয়েছে বে-দখলে। কেউ কৃষি কাজে লিজ নিয়ে পাঁকা স্থাপনা করছেন আবার কেউ কোন কাগজপত্র ছাড়াই জমি দখল করে প্রভাব খাটিয়ে তা ভোগ করছেন। সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত