শিরোনাম
◈ জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা ◈ শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ◈ খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে ভারতের রাজ্যসভা ◈ স্বর্ণের ভরি কি খুব শিগগিরই ৩ লাখ টাকা ছাড়াবে? ◈ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বিরোধে বাংলাদেশকে কেন সমর্থন দিচ্ছে পাকিস্তান? ◈ ২০২৯ সা‌লের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আগ্রহী ব্রাজিল ◈ বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ: অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে নির্বাচনি প্রচার ◈ জামায়াত হিন্দুদের জামাই আদরে রাখবে, একটা হিন্দুরও ভারতে যাওয়া লাগবে না : জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী (ভিডিও) ◈ মার্চে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ  ◈ বিশ্বকাপ থে‌কে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া ক্রিকেটের জন্য বাজে দৃষ্টান্ত : এ‌বি ডি ভিলিয়ার্স

প্রকাশিত : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৯:২৯ সকাল
আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৯:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন : শিক্ষকদের প্রমোশন এবং সুবিধাদী বাড়ালে ভালো মানের পিএইচডি ডিগ্রিধারীরা কলেজে শিক্ষকতা পেশায় যেতে উৎসাহিত হবে

অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন : ঢাকার ৭টি কলেজ যেগুলো ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের অধীনে, সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে ৪ বছরের অনার্স এবং ১ বছরের মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু। এগুলোর প্রত্যেকটিকে একেকটি বিশ^বিদ্যালয় বলা যায়। প্রশ্ন হলো, সেখানে অনার্স এবং মাস্টার্সে পড়ানোর মতো যোগ্য শিক্ষক কি যথেষ্ট আছেন? মাস্টার্সের ছাত্রদের থিসিস করানোর মতো শিক্ষক কি আছে? এ জায়গাটায় আমাদের অনেক কিছু করার আছে।
সেখানে শিক্ষক নিয়োগ হয় পিএসসির মাধ্যমে যার এন্ট্রি লেভেল হলো প্রভাষক এবং যোগ্যতা হলো মাস্টার্স পাস। তাদের নিয়োগ দিয়ে মন্ত্রণালয়ে শিক্ষকদের যে পরিমাণ নিষ্পেষণে রাখে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাদের উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনে কোনো সাহায্য তো করেই না, বরং উল্টোটা করে। ‘প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ’ যদি কাউকে দিতেই হয়, তাহলে কলেজের এ শিক্ষকদের সবার আগে দেওয়া উচিত ছিলো। কারণ তারা উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে আসলে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী বছরের পর বছর ধরে উপকৃত হবে।
তাছাড়া রেডিমেড পিএইচডিধারী শিক্ষক নিয়োগেরও ব্যবস্থা করা যায়। এ কলেজগুলোতে ইউরোপ, জাপান, চীন, কোরিয়া, আমেরিকা থেকে পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের সরাসরি উচ্চতর পদে যেমন সহকারী ও সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে পারে। এটা করলে ভালো এবং যোগ্য শিক্ষকের ঘাটতি অনেক কমবে বলে আমি মনে করি। তাছাড়া শিক্ষকদের প্রমোশন এবং সুবিধাদী বাড়ালে ভালো মানের পিএইচডি ডিগ্রিধারীরা কলেজে শিক্ষকতা পেশায় যেতে উৎসাহিত হবে। এছাড়া দুদিন পর পর বদলি করে এ শিক্ষকদের নিষ্পেষণও বন্ধ করতে হবে। আশা করি এ দুটি কাজ করলে কলেজের শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে।
একইসঙ্গে এই ৭ কলেজের জন্য একটি স্বতন্ত্র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস খুলে একইসঙ্গে ৭ কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নানা দুর্দশা এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়কে অতিরিক্ত চাপ থেকে মুক্ত করা যায়। এতে উভয় প্রতিষ্ঠানই উপকৃত হবে।
লেখক : শিক্ষক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়