প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডা. জাকারিয়া চৌধুরী: এ গ্লোবাল ট্রেন

ডা. জাকারিয়া চৌধুরী:  স্থান : আমস্টারডাম। কাল : এই সময়। পাত্র : সুইডেনে সদ্য নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদুত এবং লিবিয়ায় নিযুক্ত ইউ এস রাষ্ট্রদুত ।

দুজনে’ই যোগ দিয়েছেন ‘সবুজ পৃথিবী’ আন্দোলনে নিজ নিজ দেশের পক্ষে । অসমর্থিত এক সুত্রের বরাতে জানা যায়, ইজরাইলে একই দায়িত্ব পালনকারী ঝানু এই আমলাকে মেয়াদ শেষের তিন সপ্তাহ আগে-ই ভারত সরকার দেশে ডেকে নেয়। আজকের এই অনুষ্ঠান শুরুর মাত্র ৪৮ ঘন্টা আগে তিনি সুইডেনে ভারত দুতাবাসের এম্বেসেডর হিসেবে নিজের পরিচয়পত্র রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করেছেন। মাঝখানের তিন সপ্তাহের পুরোটা সময় তিনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের গেষ্ট হাউজে অবস্থান করেন। এ সময় একবারের জন্যেও তাকে হাউজের বারান্দা, দরজা কিংবা জানালার সামনে দেখা যায়নি। আজ ‘সবুজ পৃথিবী’ আন্দোলন অনুষ্ঠান শেষে ভারতীয় রাষ্ট্রদুতের আমন্ত্রনে বিশেষ একটি ডিনারে যোগদান শেষে দুই এ্যাম্বেসেডর একটি অনির্ধারিত বৈঠকে মিলিত হন। ‘এনাদার স্মেল ফাইন্ডার’দের চোখ ফাঁকি দেয়া এ বৈঠকটি প্রায় আড়াই ঘন্টা স্থায়ী হয়। বৈঠকের এজেন্ডা হিসেবে দুতাবাসের কর্মচারীরাও নিছক ‘সৌজন্য স্বাক্ষাতে’র বাইরে ‘আলাদা কিছু’ আছে কিনা জানেন না। দুতাবাসে নিযুক্ত ভারত সরকারের প্রেস মিনিস্টার তার উপরওয়ালার আজকের রুটিন জানেন না। তিনি ড্রাইভার কিংবা সিকিউরিটি প্রোটোকল ছাড়া সিম্পলি একটা সিডান ড্রাইভ করে দুতাবাস ছেড়ে হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছিলেন ভোরেই।

তাদের কথোপকথন কি হলো ? ধরে নিলাম এভাবে শুরু হয়েছে-

ভারত : হ্যালো মিস্টার এ্যাম্বাসেডর.. এক্স সি আই এ সাউথ এশিয়ান ডেস্ক ডিরেক্টর… ইটস এ হ্যাপি মোমেন্ট টু মিট ইউ এগেইন। হ্যাভ ইউর সিট প্লিজ….. উই উন্ট ওয়াস্ট টাইম এজ বিফোর।

যুক্তরাষ্ট্র : হ্যাল্লো মি খান্নাস। আই এ্যাম সিম্পলি সারপ্রাইজড এন্ড হ্যাপি টু মিট ইউ। ইন্ডিয়ান ইন্টিলিজেন্স হ্যাভ শউন মাচ মোর থিংকস দ্যাট ইউ প্রুভড মি রাইট নাও।

( তারা দু’জনাই নিজ নিজ দেশের সেরাদের সেরা। আমেরিকা নিজেদের স্বার্থে-ই ভারতীয়দের হাড়ির খবর রাখে। তারা সারাক্ষন খুঁজে বেড়ায় কোথায় ভারতের স্বার্থ আছে এবং সেটি কিভাবে ভারতকে পাইয়ে দেয়া যায়। কেন ? পরে বলব। তার আগে অন্য একটা বিষয় বরং দেখি চলুন।)

আমেরিকান প্রশাসন ও রাজনীতিতে যুক্ত প্রতিটি ইন্ডিয়ান-আমেরিকান সিটিজেন মনে প্রানে কট্টর ভারতীয়। ভারতে জন্ম নেয়া প্রতিটি নাগরিক-ই কট্টর। বিশ্বের সকল হিন্দুর চোখেই ভারত পবিত্র। পবিত্র ভারতের জন্য তারা যে কোন কিছু করার স্বপ্ন দেখে। এদের ধর্ম ও দেশপ্রেম আলাদা স্ট্যান্ডার্ডের। নাসা থেকে শুরু করে পার্লামেন্ট, হাউজ অব রি-প্রেজেন্টেটিভ থেকে সিনেট, রিপাবলিকান কিংবা ডেমোক্রেট, আমলা থেকে মন্ত্রীত্ব কোথায় নেই ইন্দো-আমেরিকান ম্যান পাওয়ার !! এরা ভারত সরকারকে খুঁজে দেয় আমেরিকার দুর্বলতা। মিসাইল প্রোগ্রাম থেকে ইউ এস মেরিন সেনা অফিসার। ব্যাংকিং, মার্কেটিং, বিজনেস থেকে শুরু করে আদালত পর্যন্ত সবখানেই ইন্ডিয়ানদের পদচারনা। ভারতের সব সরকার-ই এটা জানে। যারা ভারতের হয়ে কাজ করে, ভারত সরকার তাদেরকে গোপনে তাদের মুল বেতনের ৬০ শতাংশ অর্থ বিশেষ অনুদান হিসেবে মাস কাবারি দিয়ে যাচ্ছে।

উই নো, অর্থনীতিভিত্তিক পরম্পরায় গড়ে উঠা আমেরিকা আর ইসরাইলে বসবাসকারী দশটি পরিবারের হাতেই রয়েছে বিশ্বের আশি ভাগ সম্পদ। এরা ধর্মে প্রায় সবাই একই সম্প্রদায়ের। এদের মধ্যে আটটি পরিবার বাস করে আমেরিকায় আর বাকি দুটি ইস্রাইল এবং আমেরিকায় মিলিয়ে বসবাস করে। আমেরিকায় কেউ রাষ্ট্রপতি হতে চাইলে এই পরিবার গুলোর অলিখিত অনুমোদন নিতে হয়। বিশেষতঃ ইহুদি রথচাইল্ড পরিবারের হুকুম ছাড়া আমেরিকায় কোন গাছের একটা পাতাও নড়ে না। সারা বিশ্বের কোথাও না কোথাও আমেরিকার যুদ্ধ চলে রথ চাইল্ড পরিবারের হুকুমে। তা না হলে, তাদের অলস অর্থ রাখার মত অত ভল্ট পুরো আমেরিকা জুড়েও নেই। যুদ্ধ টাকাকে স্রোতরুপ দান করে। এমন বহু স্রোতের মিলিত রুপই রথচাইল্ড পরিবার – দ্যা মেগা ওশেন ইকোনমিক ফ্যামিলি।

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে হঠাৎ করেই দ্বিতীয় শক্তিশালী অবস্থানে উঠে এসেছিল ইতালি এবং লাস ভেগাস ভিত্তিক ল্যাটিন আমেরিকান মাফিয়া ও মাদক কারবারীরা। কিন্তু একবিংশ শতাব্দী শুরুর সামান্য আগে থেকে আজতক ট্র‍্যাকিং ডিভাইস গুলো এতই শক্তিশালী হয়ে গেল যে, মাফিয়ারা পিছিয়ে পড়ল। তাদের পিছিয়ে পরার দ্বিতীয় কারন অর্থনৈতিক মন্দা এবং পারস্পরিক অবিশ্বাস আর দ্বন্দ্ব। বাংলাদেশী কমিউনিস্টদের মত নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করে করে নিজেদের কফিনে নিজেরাই পেরেক মেরেছিল।

তৃতীয় অবস্থান নিয়ে মতভেদ আছে ধরে নিন।

কাগজে কলমে চার নাম্বারে আছে ভারতীয়রা। কিন্তু বাস্তবতা হলো সারা বিশ্বে মার্কিন স্থাপনা, দুতাবাস থেকে শুরু করে এমন কোন খাত নেই যেখানে একজন ভারতীয় লোক আমেরিকান মানুষের কুকুর প্রীতির চেয়ে কোন অংশে কম প্রিয়। তাদের আনুগত্য আর অবিরাম প্রশংসা, যাকে তাকে ভগবান বানিয়ে পুজা অচ্চনার চোটে এদেরকে বিদেয় করবে কোন শালা ? দক্ষিন এশিয়া বিষয়ক ডেস্কের বেশির ভাগ কর্তাব্যক্তি হয় শিখ না হয় কট্টর অখন্ড ভারতবাদী। তারা আমৃত্যু জন্ম ঋন শোধে মরিয়া অথবা অখন্ড ভারতের স্বপ্নে বিভোর ইন্দো আমেরিকান। ফলে দক্ষিন এশিয়া নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কখনো ইউ টার্নের ঘটনা ঘটে না। ধরুন, ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের অনুপাত কখনো যদি ৪৯-৫১ হয়, নিজ দায়িত্বে সমগ্র ভারতীয় ঝাপিয়ে পড়ে হায়েনার মত। সম্পর্ক রুখে দিতে হবে যে কোনো মুল্যে। এরা সম্ভবত এক ধরনের ইনফেরিউরিটি কমপ্লেক্সে ভুগে বারোমাস। কেপে উঠে সাউথ ব্লক, কেপে উঠে স্টেট ডিপার্টমেন্ট। এইসব নানান চলমান ঘটনা এবং ভবিষ্যত পৃথিবীর দাদাগিরির স্বপ্নে বিভোর ভারত এবং সাম্রাজ্য ধরে রাখতে মরিয়া আমেরিকার যৌথ রুপরেখা কেমন হতে পারে, সে কল্পনা নিয়েই ‘এ গ্লোবাল ট্রেন’।

কোন রকম ফালতু বাতচিত ছাড়াই এ্যাম্বেসেডর দুজনেই মুল প্রসংগে চলে এলেন।

ভারত : আপনারা খুব ভালভাবেই জানেন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ভারত সব সময়ই আমেরিকার পাশে ছিল। এমনকি আফগানিস্তান থেকে তালেবান উচ্ছেদ পরবর্তী রাষ্ট্রটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে ইরাক ভিত্তিক আই এস নির্মুল সহ সব মার্কিন স্বার্থেই ভারত পজেটিভ ভুমিকা রেখেছে এবং রেখে চলেছে। জাতিসংঘ মিশনে আমেরিকান স্বার্থ গুলোতে ভারতের অবদান অনেক, অথচ………… আপনারাও যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন বলেই ভারত মনে করে….। ইন সাউথ এশিয়াজ বোথ ইন্টারনাল এন্ড এক্সটারনাল পলিটিক্স ফর ইন্ডিয়া ওয়াজ নেভার ইজি। উই হ্যাড টু প্র‍্যাকটিস মাল্টি লেয়ার্ড পলিটিকস টু ডিফেন্ড আওয়ার নেশন। ইউ নো দেয়ার আর সাম কমন পয়জনস দ্যাট ওয়ান্টস টু ডেস্ট্রয় ইন্ডিয়া এন্ড ডেফিনেটলি দে আর দ্যা ওয়ার্স্ট এনিমিজ ফর আ্যামেরিকা টু…… হেয়ার ইজ দ্যা কমন ইন্টারেস্ট ফর ইউএস এন্ড ইন্ডিয়া দ্যাট হ্যাভ বিন প্র‍্যাকটিসিং উই সিনস নাইন্টিন ফিফটিয়েথ ডিকেড… ইউ নো, পাকিস্তান একটি টেররিস্ট এক্সপোর্টিং কান্ট্রি। তা স্বত্তেও আফগানিস্থানে ভারতের কিছু বিশ্বস্ত ফ্রেন্ড পাওয়া গেছে হু ওয়ার্কস টুগেদার বাই আওয়ার ডিকটেশনস। আমরা বালুচ নেতাদের সাথে চাইলে আপনাদের যোগাযোগ ঘটিয়ে দিতে পারি। তাদেরকে বাছাই করার ব্যাপারে আমরা যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করেছি। প্রতিটি রিক্রুটই পাকিস্তান, তালিবান কিংবা সুন্নীদের দ্বারা কোন না কোনভাবে পরিবারের প্রিয় কাউকে না কাউকে হারিয়েছে। এক্ষেত্রে ভারতের ফার্স্ট চয়েজ হচ্ছে আহমেদ শাহ মাসুদ অনুসারী সাবেক গেরিলারা। বেলুচের স্বাধীনতাকামী নেতা ও বুগতি পরিবার সেই ৭১ সাল থেকেই আমাদের সাথে আছে। আমরা আমাদের এসব ফ্রেন্ডদের প্রশিক্ষন দিয়েছি এ লড়াইয়ে। ফলে পাকিস্তানী জিডিপির বিরাট একটা অংশ ব্যায় করতে হচ্ছে বেলুচিস্থানকে রক্ষা করতে। পাকিস্তান বাধ্য হয়ে এখন ডিফেন্সিভ পজিশনে চলে এসেছে অনেকটাই। ১৪০ কোটি জনসংখ্যার ভারত নিরাপত্তার জন্যে সম্ভাব্য সকল পন্থা অবলম্বন করবে। এটাই স্বাভাবিক। আমেরিকা চাইলে করাচি বন্দরের বাইরে ইন্টারন্যাশনাল সমুদ্র সীমায় তাদের কোন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করতে অনুমতি দেবে ভারত।

যুক্তরাষ্ট্র : ওহ ইয়াহ… গট দ্যাট। উই আন্ডারস্ট্যান্ড ইন্ডিয়া ইজ অলওয়েজ এ সাপোর্টিং ফ্রেন্ড অব ইউনাইটেড স্টেটস অব ম্যারিকা। উই হ্যাভ দ্যা ফুল কনসেপশন অব ইন্ডিয়া ফ্রম দেয়ার নিউক্লিয়ার স্টেইটাস টু কাশ্মির, বেলুচ টু লাহোর, ভুটান টু সিক্কিম। এজ আ ট্রাস্টেড ফ্রেন্ড ইউ শুডন্ট হ্যাভ ফরগট হোয়াট ইউএস ডিড ডিউরিং ইন্ডিয়া-চায়না ওয়ার, ইন্ডিয়া-পাকিস্তান ওয়ার্স ইন ডিফরেন্ট টাইমস। ইউ ম্যা হ্যাভ নোন দ্যা হিডেন ট্রুথ ফরমিং ম্যাগি ( আমেরিকা পাকিস্তান যৌথ সামরিক কমান্ড )। ইউ নো দ্যা ফেইট অব দ্যা দ্যান প্রেসিডেন্ট অব পাকিস্তান ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান, আফটার দ্যান মি গোলাম ইসহাক খান। উই ট্রিয়েটেড দ্যাম টাইমলি বাই দ্যা কো-অপরেশানাল ট্রানস্ফারিং অব সিক্রেট ডেটা এবং কম্বাইন্ড অপরেশনস। দো, ইন্ডিয়া এট দ্যাট মোমেন্ট ট্রাস্টেড ক্রেমলিন এন্ড ক্রুশ্চেভ। বাট নাও ইন দ্যা সেন্টার অব গ্লোবাল পলিটিকস নাথিং কেন গোন উইদাউট প্রফিট। ইউ সি, ইন আফগানিস্থান ওই বোথ আর ইন ওয়ার এগেইনস্ট টেররিজম এন্ড পপি ডাস্ট। ইন্ডিয়ান’স আর এঞ্জয়িং ট্রিলিয়ন ডলার বিজনেস ডিল অনগোয়িং উইথ আফগানিস্থান গভমেন্ট। ডিউরিং তালিবান রেজিম পাকিস্ট্যান কন্ট্রোলড অল দোজ। এন্ড উই অলসো নো, এ রিয়ায়ার্ড ম্যারিন অফিসার অব ইন্ডিয়া হ্যাজ বিন এরেস্টেড ইন পাকিস্থান ওয়ার্কিং এগেইন্সট পাকিস্তানী ইন্টেলিজেন্স, এন্ড হি মেইড হিজ কনফেশন এন্ড ওয়ার্কিং প্রসেস অব র । আপনাদের এটা বিশ্বাস করা উচিত হবে যে, আমাদের এজেন্সি গুলোর তৎপরতার কারনে আপনাদের সেই নেভি অফিসারটি নিখোঁজ হয়ে যায়নি। পাকিস্তানের প্রতিটা ফোন আমাদের সার্ভিলেন্স কিংবা জ্যামারের বাইরে নয়।

ভারত : হ্যা নিশ্চয়ই মি আ্যাম্বাসেডর উই আর গ্রেটফুল টু ইউ এস। ইন নেপাল, শ্রীলংকা, পাকিস্তান এন্ড চায়না সিক্কিম বর্ডার ইন্ডিয়া ইজ ফেসিং মাল্টিপল বর্ডার পলিটিকস। সো ইট ওয়াজ নিয়ারলি ইম্পসিবল ফর ইন্ডিয়া টু কিপ অল দ্যা এগস ইন এ সিংগেল বাস্কেট ডিউরিং কোল্ড ওয়ার, লুক পাকিস্তান এন্ড চায়না অলরেডি হ্যাজ সাম স্পটেড এরিয়াজ হোয়ার বোথ সোলজার্স কমনলি ড্রিলস আন্ডার এ সিংগেল কমান্ড। উই অলরেডি লস্ট নেপাল। উই ক্যান নট টেইক ইভেন এ জিরো লেভেল রিস্ক উইদাউট সিয়িং বাই আওয়ার আইজ। উই হ্যাপ টু কিপ এন আই অলওয়েজ ওপেন অন শ্রীলংকা, মালদ্বীপস এন্ড ইভেন বাংলাদেশী বর্ডারস। টু টেইক এনি ডিসিশন উই ইভেন কল অল মেজর পার্টিজ অব ইন্ডিয়া। হিয়ার ইজ দ্যা ডিফারেন্স বিটুইন ইউ এস এন্ড ইন্ডিয়া। সো মি আ্যাম্বাসেডর, আমেরিকা নিশ্চয়ই জানে উত্তর কোরীয় জান্তার সাথে ভারত কখনোই সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেনি। উই হেট দেম হোয়েদার পাকিস্তান সেন্ট ভারী পানি ( D2O ) এবং রিফাইন্ড ইউরেনিয়াম ফর দেয়ার ফার্স্ট এটমিক এক্সপ্লোশান।

উত্তর কোরিয়া নিয়ে আমেরিকা ঠিক কি বলতে/করতে চাইছে এ বিষয়টা ভারতের কাছে পুরোপুরি স্পষ্ট হতে হবে। আপনি জানেন, রিলিজিয়ন এন্ড রেজিম বেইজড এ যুদ্ধে ভারত ঘেরাটোপে পরে যেতে পারে…… আমেরিকা এবং ভারতকে একই ট্রেনের অংশ হতে হবে।

ডা. জাকারিয়া চৌধুরী: ডেন্টাল সার্জন, কলামিস্ট

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত